যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী দক্ষিণ ইরানের কেশম দ্বীপে বিমান হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। হামলায় একটি বেসামরিক বাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং এক দম্পতি ও তাদের দুই বছর বয়সী সন্তান নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইরানি কর্মকর্তারা।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় সম্ভবত ২ হাজার পাউন্ড (প্রায় ৯০০ কেজি) ওজনের একটি বোমা ব্যবহার করা হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত সবচেয়ে বড় প্রচলিত বোমাগুলোর একটি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা হামলার পর সৃষ্ট গর্তের আকার এবং ঘটনাস্থলে পাওয়া গোলাবারুদের খণ্ডাংশ বিশ্লেষণ করে ধারণা করছেন, সেখানে মার্ক-৮৪ ধরনের বোমা ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। হামলার সময় ও স্থানও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, নিহত দম্পতির আরও দুই সন্তান এ হামলা থেকে বেঁচে গেছে। এছাড়া বিস্ফোরণের ফলে আশপাশের প্রায় ২০টি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, বিস্ফোরণের ধ্বংসাবশেষ গর্ত থেকে প্রায় ২০০ ফুট দূর পর্যন্ত ছিটকে পড়ে।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া বাড়িটির আশপাশে কোনো সামরিক স্থাপনা ছিল না। একই সঙ্গে হামলার পর ইরানের পক্ষ থেকেও কোনো সামরিক হতাহতের তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এদিকে দ্য জেরুজালেম পোস্টকে দেওয়া এক মার্কিন কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর ওই দিনের যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরিধি আগের দিনের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ছিল। তিনি হামলাকে বিস্তৃত, ব্যাপক এবং উল্লেখযোগ্য প্রভাববাহী বলে বর্ণনা করেন।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ তারা পর্যালোচনা করছে। লক্ষ্যবস্তু কী ছিল, কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে কিংবা বেসামরিক লোকজনের নিরাপত্তায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল—এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি সংস্থাটি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় সম্ভবত ২ হাজার পাউন্ড (প্রায় ৯০০ কেজি) ওজনের একটি বোমা ব্যবহার করা হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত সবচেয়ে বড় প্রচলিত বোমাগুলোর একটি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা হামলার পর সৃষ্ট গর্তের আকার এবং ঘটনাস্থলে পাওয়া গোলাবারুদের খণ্ডাংশ বিশ্লেষণ করে ধারণা করছেন, সেখানে মার্ক-৮৪ ধরনের বোমা ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। হামলার সময় ও স্থানও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, নিহত দম্পতির আরও দুই সন্তান এ হামলা থেকে বেঁচে গেছে। এছাড়া বিস্ফোরণের ফলে আশপাশের প্রায় ২০টি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, বিস্ফোরণের ধ্বংসাবশেষ গর্ত থেকে প্রায় ২০০ ফুট দূর পর্যন্ত ছিটকে পড়ে।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া বাড়িটির আশপাশে কোনো সামরিক স্থাপনা ছিল না। একই সঙ্গে হামলার পর ইরানের পক্ষ থেকেও কোনো সামরিক হতাহতের তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এদিকে দ্য জেরুজালেম পোস্টকে দেওয়া এক মার্কিন কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর ওই দিনের যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরিধি আগের দিনের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ছিল। তিনি হামলাকে বিস্তৃত, ব্যাপক এবং উল্লেখযোগ্য প্রভাববাহী বলে বর্ণনা করেন।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ তারা পর্যালোচনা করছে। লক্ষ্যবস্তু কী ছিল, কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে কিংবা বেসামরিক লোকজনের নিরাপত্তায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল—এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি সংস্থাটি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
