দক্ষিণ কোরিয়ায় ইতিহাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ১৯০৪ সালে আধুনিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ শুরুর পর এই প্রথম দেশটির তাপমাত্রা ৪২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে জনগণকে সব ধরনের বাইরের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ।
দক্ষিণ কোরিয়ার আবহাওয়া প্রশাসন (কেএমএ) জানিয়েছে, রোববার (২ আগস্ট) দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ইয়াংসান শহরে সর্বোচ্চ ৪২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এটি দেশটির ১২১ বছরের আবহাওয়া ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।
ইয়াংসানে টানা পঞ্চম দিনের মতো তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে রয়েছে। একই সময়ে ডেগু, বুসানসহ বিভিন্ন শহরে তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে অবস্থান করছে।
প্রচণ্ড গরম থেকে বাঁচতে অনেক মানুষ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শপিংমল, ক্যাফে ও অন্যান্য ভবনে আশ্রয় নিচ্ছেন। রাজধানী সিউলের বাসিন্দা জু ডং-ইওল বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেন, “বাইরে থাকার মতো পরিস্থিতি নেই। বাড়ি, শপিংমল বা ক্যাফের মতো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত জায়গায় থাকাই এখন সবচেয়ে নিরাপদ।”
রোববার দেশটির ২০টিরও বেশি এলাকায় জরুরি তাপপ্রবাহ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। চলতি বছর বাড়তে থাকা তাপমাত্রার ঝুঁকি মোকাবিলায় নতুন এই সতর্কতা ব্যবস্থা চালু করেছে সরকার। কোনো এলাকায় অনুভূত তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা প্রকৃত তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রিতে পৌঁছানোর পূর্বাভাস থাকলেই এ সতর্কতা জারি করা হচ্ছে।
কেএমএ জনগণকে সতর্ক করে জানিয়েছে, অবিলম্বে সব ধরনের বাইরের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হবে। এমনকি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণহীন ঘরের ভেতরেও অবস্থান ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। সংস্থাটি সবাইকে শীতল স্থানে অবস্থান, পর্যাপ্ত পানি পান এবং প্রয়োজনীয় বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে দক্ষিণ কোরিয়ায় বছরে গড় তাপপ্রবাহের দিনের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে ১৯ দিনে পৌঁছেছে। দেশটিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হলে সেটিকে তাপপ্রবাহের দিন হিসেবে গণ্য করা হয়।
তীব্র গরমের প্রভাব পড়েছে ক্রীড়াঙ্গনেও। চ্যাংওন শহরে তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছানোয় দক্ষিণ কোরিয়ার পেশাদার বেসবল লিগের একটি ম্যাচ বাতিল করা হয়েছে। একই কারণে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ স্থগিত করতে হয়েছে আয়োজকদের।
কোরিয়া বেসবল অর্গানাইজেশন জানিয়েছে, খেলোয়াড় ও দর্শকদের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য বিবেচনায় রেখেই ম্যাচ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জলবায়ুবিজ্ঞানীদের মতে, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহসহ চরম আবহাওয়ার ঘটনা আগের তুলনায় আরও ঘন ঘন এবং তীব্র আকারে দেখা দিচ্ছে। এ বছরের এল নিনোর প্রভাবও বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে বলে তারা উল্লেখ করেছেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
দক্ষিণ কোরিয়ার আবহাওয়া প্রশাসন (কেএমএ) জানিয়েছে, রোববার (২ আগস্ট) দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ইয়াংসান শহরে সর্বোচ্চ ৪২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এটি দেশটির ১২১ বছরের আবহাওয়া ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।
ইয়াংসানে টানা পঞ্চম দিনের মতো তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে রয়েছে। একই সময়ে ডেগু, বুসানসহ বিভিন্ন শহরে তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে অবস্থান করছে।
প্রচণ্ড গরম থেকে বাঁচতে অনেক মানুষ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শপিংমল, ক্যাফে ও অন্যান্য ভবনে আশ্রয় নিচ্ছেন। রাজধানী সিউলের বাসিন্দা জু ডং-ইওল বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেন, “বাইরে থাকার মতো পরিস্থিতি নেই। বাড়ি, শপিংমল বা ক্যাফের মতো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত জায়গায় থাকাই এখন সবচেয়ে নিরাপদ।”
রোববার দেশটির ২০টিরও বেশি এলাকায় জরুরি তাপপ্রবাহ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। চলতি বছর বাড়তে থাকা তাপমাত্রার ঝুঁকি মোকাবিলায় নতুন এই সতর্কতা ব্যবস্থা চালু করেছে সরকার। কোনো এলাকায় অনুভূত তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা প্রকৃত তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রিতে পৌঁছানোর পূর্বাভাস থাকলেই এ সতর্কতা জারি করা হচ্ছে।
কেএমএ জনগণকে সতর্ক করে জানিয়েছে, অবিলম্বে সব ধরনের বাইরের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হবে। এমনকি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণহীন ঘরের ভেতরেও অবস্থান ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। সংস্থাটি সবাইকে শীতল স্থানে অবস্থান, পর্যাপ্ত পানি পান এবং প্রয়োজনীয় বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে দক্ষিণ কোরিয়ায় বছরে গড় তাপপ্রবাহের দিনের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে ১৯ দিনে পৌঁছেছে। দেশটিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হলে সেটিকে তাপপ্রবাহের দিন হিসেবে গণ্য করা হয়।
তীব্র গরমের প্রভাব পড়েছে ক্রীড়াঙ্গনেও। চ্যাংওন শহরে তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছানোয় দক্ষিণ কোরিয়ার পেশাদার বেসবল লিগের একটি ম্যাচ বাতিল করা হয়েছে। একই কারণে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ স্থগিত করতে হয়েছে আয়োজকদের।
কোরিয়া বেসবল অর্গানাইজেশন জানিয়েছে, খেলোয়াড় ও দর্শকদের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য বিবেচনায় রেখেই ম্যাচ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জলবায়ুবিজ্ঞানীদের মতে, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহসহ চরম আবহাওয়ার ঘটনা আগের তুলনায় আরও ঘন ঘন এবং তীব্র আকারে দেখা দিচ্ছে। এ বছরের এল নিনোর প্রভাবও বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে বলে তারা উল্লেখ করেছেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
