তিস্তা-দুধকুমার অববাহিকায় বন্যার শঙ্কা, ঝুঁকিতে পাঁচ জেলা
আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তা ও দুধকুমার নদী অববাহিকার পাঁচ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। একই সময়ে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি নদী অববাহিকার নিম্নাঞ্চলেও সাময়িক প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) প্রকাশিত বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কবার্তায় কেন্দ্র জানায়, বর্তমানে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে দেশের অন্যান্য প্রধান নদ-নদীর পানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সতর্কবার্তায় বলা হয়, আগামী ৭২ ঘণ্টায় তিস্তা ও দুধকুমার অববাহিকাভুক্ত লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলায় বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে এসব এলাকার নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ছাড়া সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকার সিলেট ও সুনামগঞ্জ, ধরলা অববাহিকার লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম এবং সোমেশ্বরী-ভুগাই-কংস অববাহিকার শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার নিম্নাঞ্চল আগামী তিন দিনের মধ্যে সতর্কসীমা বা বিপৎসীমার কাছাকাছি পানি প্রবাহের কারণে সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট জেলার স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি নদী তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারী মানুষকে পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
রোববার (২ আগস্ট) প্রকাশিত বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কবার্তায় কেন্দ্র জানায়, বর্তমানে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে দেশের অন্যান্য প্রধান নদ-নদীর পানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সতর্কবার্তায় বলা হয়, আগামী ৭২ ঘণ্টায় তিস্তা ও দুধকুমার অববাহিকাভুক্ত লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলায় বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে এসব এলাকার নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ছাড়া সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকার সিলেট ও সুনামগঞ্জ, ধরলা অববাহিকার লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম এবং সোমেশ্বরী-ভুগাই-কংস অববাহিকার শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার নিম্নাঞ্চল আগামী তিন দিনের মধ্যে সতর্কসীমা বা বিপৎসীমার কাছাকাছি পানি প্রবাহের কারণে সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট জেলার স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি নদী তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারী মানুষকে পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
