ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির অবস্থান শনাক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) ও ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ তৎপর রয়েছে বলে দাবি করেছে ব্রিটেনের সংবাদপত্র দ্য সানডে টাইমস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই গোয়েন্দা সংস্থা যৌথভাবে এবং আলাদাভাবে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার অবস্থান জানার চেষ্টা করছে। বাবার মৃত্যুর পর থেকে মোজতবা খামেনি জনসমক্ষে আসেননি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দ্য টাইমসের দাবি, মোজতবার বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। বিভিন্ন প্রতিবেদনে তার আহত হওয়ার মাত্রা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য প্রকাশ হয়েছে। কোথাও তাকে দায়িত্ব পালনে সক্ষম বলা হয়েছে, আবার কোথাও তার গুরুতর আহত হওয়ার দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোজতবার দীর্ঘদিন জনসমক্ষে না আসা এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখাই তাকে শনাক্ত করার ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দাবি করা হয়েছে, তিনি দীর্ঘ সময় ধরে কোনো ফোন বা ল্যাপটপ ব্যবহার করছেন না।
দ্য সানডে টাইমসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মোজতবা খামেনি একটি ভূগর্ভস্থ স্থানে অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এসব দাবির বিষয়ে ইরান বা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এর আগে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির অবস্থান শনাক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সাইবার প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার করেছিল। তবে মোজতবার ক্ষেত্রে একই ধরনের সুযোগ না থাকায় এখন মানব গোয়েন্দা তথ্যের ওপর বেশি নির্ভর করতে হচ্ছে।
দ্য টাইমসের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গোয়েন্দা মহলের কেউ কেউ মোজতবার বর্তমান অবস্থান বা তার জীবিত থাকার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তারা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন, তিনি কোথায় অবস্থান করছেন এবং তার প্রকৃত পরিস্থিতি কী।
তবে এসব তথ্যের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা যায়নি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই গোয়েন্দা সংস্থা যৌথভাবে এবং আলাদাভাবে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার অবস্থান জানার চেষ্টা করছে। বাবার মৃত্যুর পর থেকে মোজতবা খামেনি জনসমক্ষে আসেননি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দ্য টাইমসের দাবি, মোজতবার বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। বিভিন্ন প্রতিবেদনে তার আহত হওয়ার মাত্রা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য প্রকাশ হয়েছে। কোথাও তাকে দায়িত্ব পালনে সক্ষম বলা হয়েছে, আবার কোথাও তার গুরুতর আহত হওয়ার দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোজতবার দীর্ঘদিন জনসমক্ষে না আসা এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখাই তাকে শনাক্ত করার ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দাবি করা হয়েছে, তিনি দীর্ঘ সময় ধরে কোনো ফোন বা ল্যাপটপ ব্যবহার করছেন না।
দ্য সানডে টাইমসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মোজতবা খামেনি একটি ভূগর্ভস্থ স্থানে অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এসব দাবির বিষয়ে ইরান বা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এর আগে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির অবস্থান শনাক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সাইবার প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার করেছিল। তবে মোজতবার ক্ষেত্রে একই ধরনের সুযোগ না থাকায় এখন মানব গোয়েন্দা তথ্যের ওপর বেশি নির্ভর করতে হচ্ছে।
দ্য টাইমসের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গোয়েন্দা মহলের কেউ কেউ মোজতবার বর্তমান অবস্থান বা তার জীবিত থাকার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তারা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন, তিনি কোথায় অবস্থান করছেন এবং তার প্রকৃত পরিস্থিতি কী।
তবে এসব তথ্যের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা যায়নি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
