স্পেন-মরক্কোর সেউতা সীমান্তে অভিবাসন সংকট: মৃত বেড়ে ৬৭
স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতায় মরক্কো সীমান্তে সৃষ্ট অভিবাসন সংকটে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৭ জনে পৌঁছেছে।
স্পেন সরকার জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে কেউ সাগরে ডুবে এবং কেউ সীমান্তসংলগ্ন সমুদ্রের ঢেউ প্রতিরোধী বাঁধ (ব্রেকওয়াটার) অতিক্রমের সময় পদদলিত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শনিবার (১ আগস্ট) সমুদ্রপথের সীমান্ত এলাকায় ব্রেকওয়াটারের পাশে ৫০০ মিটার দীর্ঘ একটি প্রতিরোধক (কনটেইনমেন্ট) নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে স্পেন।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের মধ্যে প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসী সেউতার সীমান্ত অতিক্রম করে স্পেনের এই ছোট ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন।
শনিবার সকালে সাঁতরে সেউতার তারাহাল সৈকতে পৌঁছানো কয়েকজন ক্লান্ত অভিবাসীকে স্প্যানিশ সেনারা আটক করে পুনরায় মরক্কো সীমান্তে ফিরিয়ে দেন।
স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত স্পেনের এই স্বায়ত্তশাসিত ভূখণ্ডে প্রবেশ করা অধিকাংশ অভিবাসী ইতোমধ্যে মরক্কোয় ফিরে গেছেন।
কয়েক দিনের বিশৃঙ্খলা এবং উন্নত জীবনের আশায় সীমান্ত পাড়ি দেওয়া হাজারো মানুষের ঢলের পর শনিবার সকালে সেউতায় পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হতে শুরু করেছে।
তবে প্রায় ৮৪ হাজার জনসংখ্যার এই স্বায়ত্তশাসিত শহরের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এখনো কাটেনি।
সেউতার প্রেসিডেন্ট হুয়ান হেসুস ভিভাস বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতির কারণে শহরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘মানুষকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সন্তোষজনকভাবে শুরু হয়েছে। তবে এটি এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। শহর এখনও সম্পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেনি।’
এদিকে, অনেক অভিবাসী এখনও সেউতায় থেকে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তাদের একজন ২৩ বছর বয়সী মরক্কোর নাগরিক মোহাম্মদ হাত্রি।
তিনি বলেন, ‘আমরা যেন খাবার কিনতে না পারি, সেজন্য তারা সবকিছু বন্ধ করে দিয়েছে, যাতে আমরা মরক্কোয় ফিরে যেতে বাধ্য হই। কিন্তু তারা সবকিছু বন্ধ করে দিলেও, ক্ষুধার্ত থাকলেও আমরা এখানেই থাকব।’
এটিএন নিউজ / মা.ই.স
স্পেন সরকার জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে কেউ সাগরে ডুবে এবং কেউ সীমান্তসংলগ্ন সমুদ্রের ঢেউ প্রতিরোধী বাঁধ (ব্রেকওয়াটার) অতিক্রমের সময় পদদলিত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শনিবার (১ আগস্ট) সমুদ্রপথের সীমান্ত এলাকায় ব্রেকওয়াটারের পাশে ৫০০ মিটার দীর্ঘ একটি প্রতিরোধক (কনটেইনমেন্ট) নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে স্পেন।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের মধ্যে প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসী সেউতার সীমান্ত অতিক্রম করে স্পেনের এই ছোট ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন।
শনিবার সকালে সাঁতরে সেউতার তারাহাল সৈকতে পৌঁছানো কয়েকজন ক্লান্ত অভিবাসীকে স্প্যানিশ সেনারা আটক করে পুনরায় মরক্কো সীমান্তে ফিরিয়ে দেন।
স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত স্পেনের এই স্বায়ত্তশাসিত ভূখণ্ডে প্রবেশ করা অধিকাংশ অভিবাসী ইতোমধ্যে মরক্কোয় ফিরে গেছেন।
কয়েক দিনের বিশৃঙ্খলা এবং উন্নত জীবনের আশায় সীমান্ত পাড়ি দেওয়া হাজারো মানুষের ঢলের পর শনিবার সকালে সেউতায় পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হতে শুরু করেছে।
তবে প্রায় ৮৪ হাজার জনসংখ্যার এই স্বায়ত্তশাসিত শহরের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এখনো কাটেনি।
সেউতার প্রেসিডেন্ট হুয়ান হেসুস ভিভাস বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতির কারণে শহরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘মানুষকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সন্তোষজনকভাবে শুরু হয়েছে। তবে এটি এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। শহর এখনও সম্পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেনি।’
এদিকে, অনেক অভিবাসী এখনও সেউতায় থেকে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তাদের একজন ২৩ বছর বয়সী মরক্কোর নাগরিক মোহাম্মদ হাত্রি।
তিনি বলেন, ‘আমরা যেন খাবার কিনতে না পারি, সেজন্য তারা সবকিছু বন্ধ করে দিয়েছে, যাতে আমরা মরক্কোয় ফিরে যেতে বাধ্য হই। কিন্তু তারা সবকিছু বন্ধ করে দিলেও, ক্ষুধার্ত থাকলেও আমরা এখানেই থাকব।’
এটিএন নিউজ / মা.ই.স
