বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য স্থায়ী হচ্ছে মার্কিন ভিসা বন্ড
বাংলাদেশসহ ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত বা ‘ভিসা বন্ড’ প্রদানের নিয়ম স্থায়ী করছে মার্কিন প্রশাসন। শুক্রবার (১ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। আগামী ৩ আগস্ট থেকে এই নিয়ম কার্যকর হতে যাচ্ছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এই নতুন নিয়মটি মূলত বি-১ (ব্যবসায়িক) এবং বি-২ (পর্যটন) ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। আগে পরীক্ষামূলক কর্মসূচির আওতায় এই জামানতের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার। তবে স্থায়ী নীতিমালায় ৫ হাজার ডলারের বিকল্পটি বাদ দিয়ে সর্বনিম্ন ১০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। কনস্যুলার কর্মকর্তারা আবেদনকারীর আর্থিক অবস্থা ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই জামানতের পরিমাণ ঠিক করবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের দাবি, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দেশটিতে অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার প্রবণতা কমাতেই এই নীতি নেওয়া হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ভিসার মেয়াদ শেষে কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে থেকে গেলে তাকে গ্রেপ্তার করে নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে মার্কিন সরকারের প্রায় ১৮ হাজার ডলার খরচ হয়। এছাড়া ২০২৪ সালে তালিকাভুক্ত দেশগুলোর প্রায় ৪৫ হাজার নাগরিক ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ফিরে আসেননি।
তবে পরীক্ষামূলক ১০ মাসে এই সংখ্যা ৫০ জনের নিচে নেমে আসায় কর্মসূচিটি স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি। আওতাভুক্ত দেশসমূহ নতুন এই নিয়মের আওতায় বাংলাদেশ ছাড়াও দক্ষিণ এশিয়ার নেপাল ও ভুটান রয়েছে। তালিকাভুক্ত ৫০টি দেশের মধ্যে ৩০টিই আফ্রিকার দেশ। ট্রাম্প প্রশাসনের সময় গত বছরের আগস্টে অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে পরীক্ষামূলকভাবে এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছিল।
মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন অভিবাসন ও মানবাধিকার কর্মীরা। তাদের মতে, এই বিপুল পরিমাণ জামানত দেওয়ার নিয়ম সাধারণ মানুষের বৈধ ভ্রমণকে বাধাগ্রস্ত করবে। এর ফলে বর্ণভিত্তিক বৈষম্য তৈরি হতে পারে এবং নিম্নবিত্ত ও সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর মানুষেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অবৈধ অভিবাসনের কারণে রাষ্ট্রের অতিরিক্ত ব্যয় কমানোর জন্য এ ধরনের কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। এর পাশাপাশি ভিসা ফি বৃদ্ধি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কার্যক্রম যাচাইয়ের মতো বিষয়গুলোও যুক্ত করা হয়েছে।
এটিএন নিউজ / মা.ই.স
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এই নতুন নিয়মটি মূলত বি-১ (ব্যবসায়িক) এবং বি-২ (পর্যটন) ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। আগে পরীক্ষামূলক কর্মসূচির আওতায় এই জামানতের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার। তবে স্থায়ী নীতিমালায় ৫ হাজার ডলারের বিকল্পটি বাদ দিয়ে সর্বনিম্ন ১০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। কনস্যুলার কর্মকর্তারা আবেদনকারীর আর্থিক অবস্থা ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই জামানতের পরিমাণ ঠিক করবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের দাবি, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দেশটিতে অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার প্রবণতা কমাতেই এই নীতি নেওয়া হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ভিসার মেয়াদ শেষে কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে থেকে গেলে তাকে গ্রেপ্তার করে নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে মার্কিন সরকারের প্রায় ১৮ হাজার ডলার খরচ হয়। এছাড়া ২০২৪ সালে তালিকাভুক্ত দেশগুলোর প্রায় ৪৫ হাজার নাগরিক ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ফিরে আসেননি।
তবে পরীক্ষামূলক ১০ মাসে এই সংখ্যা ৫০ জনের নিচে নেমে আসায় কর্মসূচিটি স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি। আওতাভুক্ত দেশসমূহ নতুন এই নিয়মের আওতায় বাংলাদেশ ছাড়াও দক্ষিণ এশিয়ার নেপাল ও ভুটান রয়েছে। তালিকাভুক্ত ৫০টি দেশের মধ্যে ৩০টিই আফ্রিকার দেশ। ট্রাম্প প্রশাসনের সময় গত বছরের আগস্টে অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে পরীক্ষামূলকভাবে এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছিল।
মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন অভিবাসন ও মানবাধিকার কর্মীরা। তাদের মতে, এই বিপুল পরিমাণ জামানত দেওয়ার নিয়ম সাধারণ মানুষের বৈধ ভ্রমণকে বাধাগ্রস্ত করবে। এর ফলে বর্ণভিত্তিক বৈষম্য তৈরি হতে পারে এবং নিম্নবিত্ত ও সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর মানুষেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অবৈধ অভিবাসনের কারণে রাষ্ট্রের অতিরিক্ত ব্যয় কমানোর জন্য এ ধরনের কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। এর পাশাপাশি ভিসা ফি বৃদ্ধি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কার্যক্রম যাচাইয়ের মতো বিষয়গুলোও যুক্ত করা হয়েছে।
এটিএন নিউজ / মা.ই.স
