বাঁচানো গেল না সাত মাসের গর্ভের সন্তান, আইসিইউতে জীবনযুদ্ধে মা
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা পোশাক শ্রমিক কাউসার আক্তারের গর্ভের সন্তানকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও শুক্রবার ভোরে তিনি মৃত এক পুত্রসন্তান প্রসব করেন। বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।
শুক্রবার দুপুরে আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের ঝিওরি গ্রামে নবজাতকটির দাফন সম্পন্ন হয়। সন্তানকে দাফনের পরই শোকাহত স্বামী মো. আরিফ হাসপাতালের আইসিইউতে ছুটে যান, যেখানে তখনও অচেতন অবস্থায় জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন কাউসার।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় আট বছর ধরে কোরিয়ান ইপিজেড (কেইপিজেড)-এর একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন কাউসার আক্তার। তাদের সংসারে রাফি (১০) ও তাবাসসুম (৫) নামে দুই সন্তান রয়েছে। মায়ের সংকটাপন্ন অবস্থায় শিশু দুটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
কাউসারের শ্বশুর মো. নুরুন্নবী বলেন, দুর্ঘটনায় তার পুত্রবধূর মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং এখনো তার জ্ঞান ফেরেনি। তিনি বলেন, “আমার নাতনিটা বারবার মাকে খুঁজছে। গর্ভের সন্তানকে তো আর ফেরানো যাবে না। এখন শুধু আল্লাহর কাছে প্রার্থনা, আমার বউমা যেন সুস্থ হয়ে সন্তানদের কাছে ফিরে আসে।”
আনোয়ারা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মজনু মিয়া জানান, বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ৮টার দিকে কর্ণফুলী টানেল সংযোগ সড়কে কেইপিজেডের শ্রমিকবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাঁচটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি ব্যাটারিচালিত রিকশাকে ধাক্কা দিয়ে সড়কের পাশের একটি দোকানে ঢুকে পড়ে।
এ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ইফা শীল ও পলি দত্ত নামে দুই নারী শ্রমিক নিহত হন এবং অন্তত ২০ জন আহত হন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও অন্যান্য যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
শুক্রবার দুপুরে আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের ঝিওরি গ্রামে নবজাতকটির দাফন সম্পন্ন হয়। সন্তানকে দাফনের পরই শোকাহত স্বামী মো. আরিফ হাসপাতালের আইসিইউতে ছুটে যান, যেখানে তখনও অচেতন অবস্থায় জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন কাউসার।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় আট বছর ধরে কোরিয়ান ইপিজেড (কেইপিজেড)-এর একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন কাউসার আক্তার। তাদের সংসারে রাফি (১০) ও তাবাসসুম (৫) নামে দুই সন্তান রয়েছে। মায়ের সংকটাপন্ন অবস্থায় শিশু দুটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
কাউসারের শ্বশুর মো. নুরুন্নবী বলেন, দুর্ঘটনায় তার পুত্রবধূর মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং এখনো তার জ্ঞান ফেরেনি। তিনি বলেন, “আমার নাতনিটা বারবার মাকে খুঁজছে। গর্ভের সন্তানকে তো আর ফেরানো যাবে না। এখন শুধু আল্লাহর কাছে প্রার্থনা, আমার বউমা যেন সুস্থ হয়ে সন্তানদের কাছে ফিরে আসে।”
আনোয়ারা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মজনু মিয়া জানান, বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ৮টার দিকে কর্ণফুলী টানেল সংযোগ সড়কে কেইপিজেডের শ্রমিকবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাঁচটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি ব্যাটারিচালিত রিকশাকে ধাক্কা দিয়ে সড়কের পাশের একটি দোকানে ঢুকে পড়ে।
এ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ইফা শীল ও পলি দত্ত নামে দুই নারী শ্রমিক নিহত হন এবং অন্তত ২০ জন আহত হন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও অন্যান্য যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
