ATN
শিরোনাম
  •  

গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পেট্রোবাংলার

         
গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পেট্রোবাংলার

পেট্রোবাংলা। ফাইল ছবি

ভর্তুকির চাপ কমাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও যানবাহনে ব্যবহৃত সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি)-এর দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে পেট্রোবাংলা।

প্রস্তাব অনুযায়ী, বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার ১৬ টাকা থেকে ২৫ টাকা এবং সিএনজির দাম ৪৩ টাকা থেকে প্রায় ৬৫ টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এ প্রস্তাব জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া গ্যাস বিতরণকারী কোম্পানিগুলোও বিতরণ মাশুল বাড়ানোর আবেদন করেছে। তাদের দাবি, বর্তমান মাশুল দিয়ে পরিচালন ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম বৃদ্ধি, আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং সরকারের ভর্তুকির চাপ কমানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, প্রস্তাবটি বর্তমানে পর্যালোচনায় রয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে এটি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর কাছে পাঠানো হবে। কমিশন গণশুনানি ও আর্থিক বিশ্লেষণের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

বর্তমানে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও বিদ্যমান শিল্প গ্রাহকদের জন্য গ্যাসের দাম বাড়ানোর কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গ্যাসের গড় ক্রয়মূল্য ছিল প্রতি ঘনমিটার ৩১ দশমিক ৬৫ টাকা, বিপরীতে গড় বিক্রয়মূল্য ছিল ২৩ দশমিক ৬৩ টাকা। এতে প্রতি ঘনমিটারে প্রায় ৮ টাকা ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সংস্থাটির মোট আর্থিক ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যার বিপরীতে সরকার ভর্তুকি দিয়েছে প্রায় ১৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়ায় আমদানিনির্ভরতা বাড়ছে। ভবিষ্যতে এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি ও ভর্তুকির চাপ আরও বাড়তে পারে। তাই দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস

পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ