খাল পুনঃখননে ব্যয় কমিয়ে ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা ফেরত দিলেন কেরা
উপজেলা খারাকান্দি, দিঘীরপাড় খাল পুনর্খনন প্রকল্পে নির্ধারিত বাজেট অর্ধেক টাকা সাশ্রয় করে তা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন কেরানীগঞ্জের (ইউএনও) উমর ফারুক।
প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহারের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় কেরানীগঞ্জের স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসার ঝড় উঠেছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ শুভাঢ্যা দিঘির পার খাল,এবং মডেল থানার রুহিতপুর ইউনিয়নের খারাকান্দি খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনে বিএনপি সরকারের বিশেষ খাল খনন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। উক্ত প্রকল্প পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ইউএনও উমর ফারুক স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় টেন্ডার আহ্বান,জানান সরাসরি কাজের মনিটরিং এবং অনিয়ম রোধে কঠোর ভূমিকা পালন করেন।
ফলে কাজ শতভাগ মানসম্মত হওয়ার পরও মূল বাজেট থেকে অর্ধেক পরিমাণ অর্থ বেঁচে যায়।প্রকল্প শেষ হওয়ার পর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সাশ্রয়কৃত ১ কোটি ৬৬ লক্ষ ৪৬ হাজার ৬ শত ৯৭ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে পে-অর্ডারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
উক্ত প্রসঙ্গে কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উমর ফারুক জানান, সরকারি অর্থ মানেই জনগণের আমানত। সঠিক পরিকল্পনা,স্বচ্ছতা এবং নিয়মিত তদারকি থাকলে নির্ধারিত বাজেট থেকেও সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। আমরা সেই চেষ্টাই করেছি। জনগণের টাকা জনগণের কাছে এবং রাষ্ট্রীয় তহবিলেই ফিরে গেছে।"
স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, সরকারি প্রকল্পে অতিরিক্ত বরাদ্দ বা ব্যয় বৃদ্ধির খবর প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু কাজ শেষ করে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। তারা মনে করেন, এই উদ্যোগ প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহারের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহারের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় কেরানীগঞ্জের স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসার ঝড় উঠেছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ শুভাঢ্যা দিঘির পার খাল,এবং মডেল থানার রুহিতপুর ইউনিয়নের খারাকান্দি খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনে বিএনপি সরকারের বিশেষ খাল খনন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। উক্ত প্রকল্প পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ইউএনও উমর ফারুক স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় টেন্ডার আহ্বান,জানান সরাসরি কাজের মনিটরিং এবং অনিয়ম রোধে কঠোর ভূমিকা পালন করেন।
ফলে কাজ শতভাগ মানসম্মত হওয়ার পরও মূল বাজেট থেকে অর্ধেক পরিমাণ অর্থ বেঁচে যায়।প্রকল্প শেষ হওয়ার পর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সাশ্রয়কৃত ১ কোটি ৬৬ লক্ষ ৪৬ হাজার ৬ শত ৯৭ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে পে-অর্ডারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
উক্ত প্রসঙ্গে কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উমর ফারুক জানান, সরকারি অর্থ মানেই জনগণের আমানত। সঠিক পরিকল্পনা,স্বচ্ছতা এবং নিয়মিত তদারকি থাকলে নির্ধারিত বাজেট থেকেও সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। আমরা সেই চেষ্টাই করেছি। জনগণের টাকা জনগণের কাছে এবং রাষ্ট্রীয় তহবিলেই ফিরে গেছে।"
স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, সরকারি প্রকল্পে অতিরিক্ত বরাদ্দ বা ব্যয় বৃদ্ধির খবর প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু কাজ শেষ করে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। তারা মনে করেন, এই উদ্যোগ প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহারের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
