কেরানীগঞ্জে প্রেমের দ্বন্দ্বে কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা
রাজধানীর কেরানীগঞ্জে প্রেমের সম্পর্কের বিরোধের জেরে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন—পিবিআই। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মো. রানা হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, নিহতের দুটি স্মার্টফোন এবং লুট করা অলংকার উদ্ধার করা হয়েছে।
পিবিআই জানায়, গত ২৭ জুলাই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাঘৈর এলাকায় খালার বাসা থেকে দুপুরের খাবার খেয়ে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন কিশোরী তানজিলা। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মদিনানগর এলাকার একটি নির্জন স্থান থেকে গলাকাটা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে নিহতের মা মরদেহ শনাক্ত করেন এবং অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে পিবিআই ঢাকা জেলা স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে। তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং বিভিন্ন আলামত বিশ্লেষণ করে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত মো. রানা হাওলাদারকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এবং পরে আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে রানা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।
তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত রানা পেশায় একজন অটোরিকশাচালক। গত ছয় থেকে সাত মাস ধরে নিহত তানজিলার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে অর্থসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। ঘটনার দিন বিকেলে রানা নিজের অটোরিকশায় করে তানজিলাকে কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়নের মদিনানগর এলাকার একটি নির্জন হাউজিং প্লটে নিয়ে যান। সেখানে দুজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে প্রথমে গলা চেপে ধরেন এবং পরে ফল কাটার ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন। হত্যার পর নিহতের দুটি স্মার্টফোন, একটি রূপার চেইন ও একটি ব্রেসলেট নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পিবিআই জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, ভিকটিমের দুটি স্মার্টফোন এবং অলংকার উদ্ধার করা হয়েছে।
পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম. এন. মোর্শেদ বলেন, চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে ক্রাইম সিন টিম পাঠানো হয় এবং প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত শুরু করা হয়। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।
তবে এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পিবিআই। মামলার তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
পিবিআই জানায়, গত ২৭ জুলাই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাঘৈর এলাকায় খালার বাসা থেকে দুপুরের খাবার খেয়ে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন কিশোরী তানজিলা। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মদিনানগর এলাকার একটি নির্জন স্থান থেকে গলাকাটা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে নিহতের মা মরদেহ শনাক্ত করেন এবং অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে পিবিআই ঢাকা জেলা স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে। তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং বিভিন্ন আলামত বিশ্লেষণ করে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত মো. রানা হাওলাদারকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এবং পরে আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে রানা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।
তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত রানা পেশায় একজন অটোরিকশাচালক। গত ছয় থেকে সাত মাস ধরে নিহত তানজিলার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে অর্থসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। ঘটনার দিন বিকেলে রানা নিজের অটোরিকশায় করে তানজিলাকে কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়নের মদিনানগর এলাকার একটি নির্জন হাউজিং প্লটে নিয়ে যান। সেখানে দুজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে প্রথমে গলা চেপে ধরেন এবং পরে ফল কাটার ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন। হত্যার পর নিহতের দুটি স্মার্টফোন, একটি রূপার চেইন ও একটি ব্রেসলেট নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পিবিআই জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, ভিকটিমের দুটি স্মার্টফোন এবং অলংকার উদ্ধার করা হয়েছে।
পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম. এন. মোর্শেদ বলেন, চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে ক্রাইম সিন টিম পাঠানো হয় এবং প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত শুরু করা হয়। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।
তবে এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পিবিআই। মামলার তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
