ফুটবলার ও কোচদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার পথে ফিফা
বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে স্পেনের খেলোয়াড়দের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় আর্জেন্টিনার একাধিক ফুটবলার ও কোচের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হলে দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন সংশ্লিষ্টরা।
ফিফা জানিয়েছে, ফাইনাল শেষে সংঘর্ষের ঘটনায় আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস, ডিফেন্ডার নাউয়েল মোলিনা এবং সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে। এছাড়া আর্জেন্টিনার থিয়াগো আলমাদা ও স্পেনের মিডফিল্ডার গাভির বিরুদ্ধেও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে পারেদেস, মোলিনা ও আয়ালার বিরুদ্ধে অভিযোগকে সবচেয়ে গুরুতর হিসেবে বিবেচনা করছে ফিফা।
বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর এক সপ্তাহ ধরে ঘটনার তদন্ত চালিয়ে ফিফা জানিয়েছে, ফিফা ডিসিপ্লিনারি কোড অনুযায়ী অভিযুক্তদের নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সব পক্ষের বক্তব্য পর্যালোচনা শেষে ডিসিপ্লিনারি কমিটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।
ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মাঠে। অভিযোগ রয়েছে, লিয়ান্দ্রো পারেদেস স্পেনের এরিক গার্সিয়া ও গাভির গলা চেপে ধরেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামতে হয় আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনিকেও। অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা স্পেনের দানি অলমোকে ঘুষি মারেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া নাউয়েল মোলিনা স্পেন অধিনায়ক রদ্রির সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।
ফিফার প্রসিকিউটরের সুপারিশের ভিত্তিতে শৃঙ্খলাবিধির ১৪ নম্বর ধারায় মোলিনার বিরুদ্ধে দুটি, পারেদেসের বিরুদ্ধে তিনটি এবং রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধে একটি হামলার অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি মোলিনার বিরুদ্ধে অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের অভিযোগেও পৃথক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
উল্লেখ্য, ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জেতে স্পেন। ম্যাচ-পরবর্তী সংঘর্ষের জেরে এখন শাস্তির অপেক্ষায় আর্জেন্টিনার একাধিক ফুটবলার ও কোচ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
ফিফা জানিয়েছে, ফাইনাল শেষে সংঘর্ষের ঘটনায় আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস, ডিফেন্ডার নাউয়েল মোলিনা এবং সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে। এছাড়া আর্জেন্টিনার থিয়াগো আলমাদা ও স্পেনের মিডফিল্ডার গাভির বিরুদ্ধেও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে পারেদেস, মোলিনা ও আয়ালার বিরুদ্ধে অভিযোগকে সবচেয়ে গুরুতর হিসেবে বিবেচনা করছে ফিফা।
বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর এক সপ্তাহ ধরে ঘটনার তদন্ত চালিয়ে ফিফা জানিয়েছে, ফিফা ডিসিপ্লিনারি কোড অনুযায়ী অভিযুক্তদের নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সব পক্ষের বক্তব্য পর্যালোচনা শেষে ডিসিপ্লিনারি কমিটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।
ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মাঠে। অভিযোগ রয়েছে, লিয়ান্দ্রো পারেদেস স্পেনের এরিক গার্সিয়া ও গাভির গলা চেপে ধরেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামতে হয় আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনিকেও। অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা স্পেনের দানি অলমোকে ঘুষি মারেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া নাউয়েল মোলিনা স্পেন অধিনায়ক রদ্রির সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।
ফিফার প্রসিকিউটরের সুপারিশের ভিত্তিতে শৃঙ্খলাবিধির ১৪ নম্বর ধারায় মোলিনার বিরুদ্ধে দুটি, পারেদেসের বিরুদ্ধে তিনটি এবং রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধে একটি হামলার অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি মোলিনার বিরুদ্ধে অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের অভিযোগেও পৃথক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
উল্লেখ্য, ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জেতে স্পেন। ম্যাচ-পরবর্তী সংঘর্ষের জেরে এখন শাস্তির অপেক্ষায় আর্জেন্টিনার একাধিক ফুটবলার ও কোচ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
