পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে সশস্ত্র হামলা
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের হাঙ্গু জেলায় একটি পুলিশ চেকপোস্টে সশস্ত্র হামলায় এক ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ—ডিএসপি—সহ অন্তত সাত পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২২ জন পুলিশ সদস্য। বুধবার রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।
জেলা পুলিশ কর্মকর্তা তারিক হাবিব জানান, হাঙ্গুর খাজিনা বান্দা পুলিশ চেকপোস্ট লক্ষ্য করে ভারী অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় সশস্ত্র হামলাকারীরা। হামলায় নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ডিএসপি মুজাহিদ হুসেইন। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
হামলার পরপরই পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা অভিযান শুরু করে। পুলিশের দাবি, বন্দুকযুদ্ধে অন্তত আট হামলাকারী নিহত এবং আরও ছয়জন আহত হয়েছে। পুরো এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং জঙ্গিদের ধরতে ব্যাপক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তান প্রদেশে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। পাকিস্তান সরকার দীর্ঘদিন ধরে আফগান তালেবান প্রশাসনের কাছে সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয় জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে।
ইসলামাবাদের অভিযোগ, কাবুল কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়ায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সীমান্ত পেরিয়ে আসা হামলার জবাবে ‘অপারেশন গাজাব লিল-হক’ শুরু করে পাকিস্তান। একই সময়ে দেশটির সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর দাবি করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তানে পরিচালিত পৃথক অভিযানে ‘ভারত-সমর্থিত’ ৩২ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।
এদিকে, সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ—সিআরএসএসের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে পাকিস্তানের সহিংসতার সবচেয়ে বড় কেন্দ্র ছিল খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তান। ওই সময়ে সহিংসতাজনিত মোট মৃত্যুর প্রায় ৯৬ শতাংশই এই দুই প্রদেশে ঘটেছে। প্রতিবেদনে খাইবার পাখতুনখোয়ায় ৪৭৫ জন এবং বেলুচিস্তানে ২৬৫ জন নিহত হওয়ার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই হামলা পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ক্রমাবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতিকেই আরও স্পষ্টভাবে সামনে নিয়ে এসেছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
জেলা পুলিশ কর্মকর্তা তারিক হাবিব জানান, হাঙ্গুর খাজিনা বান্দা পুলিশ চেকপোস্ট লক্ষ্য করে ভারী অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় সশস্ত্র হামলাকারীরা। হামলায় নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ডিএসপি মুজাহিদ হুসেইন। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
হামলার পরপরই পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা অভিযান শুরু করে। পুলিশের দাবি, বন্দুকযুদ্ধে অন্তত আট হামলাকারী নিহত এবং আরও ছয়জন আহত হয়েছে। পুরো এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং জঙ্গিদের ধরতে ব্যাপক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তান প্রদেশে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। পাকিস্তান সরকার দীর্ঘদিন ধরে আফগান তালেবান প্রশাসনের কাছে সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয় জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে।
ইসলামাবাদের অভিযোগ, কাবুল কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়ায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সীমান্ত পেরিয়ে আসা হামলার জবাবে ‘অপারেশন গাজাব লিল-হক’ শুরু করে পাকিস্তান। একই সময়ে দেশটির সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর দাবি করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তানে পরিচালিত পৃথক অভিযানে ‘ভারত-সমর্থিত’ ৩২ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।
এদিকে, সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ—সিআরএসএসের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে পাকিস্তানের সহিংসতার সবচেয়ে বড় কেন্দ্র ছিল খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তান। ওই সময়ে সহিংসতাজনিত মোট মৃত্যুর প্রায় ৯৬ শতাংশই এই দুই প্রদেশে ঘটেছে। প্রতিবেদনে খাইবার পাখতুনখোয়ায় ৪৭৫ জন এবং বেলুচিস্তানে ২৬৫ জন নিহত হওয়ার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই হামলা পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ক্রমাবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতিকেই আরও স্পষ্টভাবে সামনে নিয়ে এসেছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
