ATN
শিরোনাম
  •  

সিলেটে ১১ দলীয় জোটের সমাবেশে আলেমদের উপস্থিতিতে অবমাননাকর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন পীর সাহেব দেওনা

         
সিলেটে ১১ দলীয় জোটের সমাবেশে আলেমদের উপস্থিতিতে অবমাননাকর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন পীর সাহেব দেওনা

সিলেটে ১১ দলীয় জোটের সমাবেশে আলেমদের উপস্থিতিতে অবমাননাকর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন পীর সাহেব দেওনা

সিলেটে ১১ দলীয় জোটের সমাবেশে আলেমদের উপস্থিতিতে লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান আলেম সমাজকে উদ্দেশ্য করে কথিত অবমাননাকর ও অশালীন মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কওমি মাদরাসা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি ও দেওনার পীর অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশের আলেম-উলামা জাতির নৈতিক, ধর্মীয় ও সামাজিক দিকনির্দেশনার অন্যতম পথপ্রদর্শক। তাঁদের সম্পর্কে অবমাননাকর, কুরুচিপূর্ণ ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য শুধু আলেম সমাজকেই নয়, দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকেও গভীরভাবে আহত করে। মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই শালীনতার সীমা লঙ্ঘন করে সম্মানিত আলেমদের বিরুদ্ধে অশোভন ভাষা ব্যবহার গ্রহণযোগ্য নয়।

ছবি
তিনি বলেন, জনসমক্ষে এ ধরনের বক্তব্য সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও রাজনৈতিক সৌজন্যকে ক্ষুণ্ন করে। একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে এমন বক্তব্য জাতি কখনো প্রত্যাশা করে না।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী ও অলি-আউলিয়ার পুণ্যভূমি সিলেটের ঐতিহ্যবাহী আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে দাঁড়িয়ে আলেমদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়ার দুঃসাহস তিনি কোথায় পেলেন—এ প্রশ্ন আজ দেশবাসীর। অবিলম্বে তাকে ১১ দলীয় জোট থেকে বহিষ্কার করতে হবে। একই সঙ্গে আত্মমর্যাদাশীল আলেমদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান, আলেমবিদ্বেষী এ ধরনের ব্যক্তি ও তার বক্তব্য সর্বাত্মকভাবে বয়কট করতে হবে।

বিবৃতিতে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী অবিলম্বে লেবার পার্টির চেয়ারম্যানকে তাঁর বক্তব্যের জন্য নিঃশর্তভাবে আলেম সমাজ ও দেশের ধর্মপ্রাণ জনগণের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের উসকানিমূলক ও অবমাননাকর বক্তব্য থেকে সকল রাজনৈতিক নেতা ও জননেতাকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, আলেম-উলামার সম্মান রক্ষা করা দেশের প্রতিটি সচেতন নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তাঁদের মর্যাদা ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা দেশের শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের জন্য কখনোই কল্যাণকর হতে পারে না।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট রাজনীতি সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ