ফসলি জমি থেকে কাটা মাটি জব্দ, আগের স্থানে ফিরিয়ে দিল প্রশাসন
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কেটে ট্রলারে বোঝাই করার পর জব্দ করা সেই মাটি পুনরায় আগের স্থানে ফিরিয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। কৃষিজমির ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে এ উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। স্থানীয়রা এ পদক্ষেপকে কৃষিজমি রক্ষায় একটি দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বেতকা ইউনিয়নের বেতকা বাজার ও ছটফটিয়া এলাকার একো কোল্ড স্টোরেজ সংলগ্ন খাল এবং ধলেশ্বরী শাখা নদীর তীরবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওয়াজেদ ওয়াসিফ।
অভিযানকালে বেতকা সেতু এলাকা থেকে প্রায় এক কিলোমিটারের মধ্যে ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির উদ্দেশ্যে ট্রলারে তোলা হচ্ছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে যায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় মাটিবোঝাই ট্রলার ও মাটি কাটার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পাশাপাশি মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
পরে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪(খ) ধারায় অপরাধের দায়ে একই আইনের ১৫(১) ধারা অনুযায়ী আটক ব্যক্তিদের দুই দফায় মোট ৭ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
টঙ্গীবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওয়াজেদ ওয়াসিফ বলেন, “জব্দ করা মাটি সোমবার পুনরায় আগের স্থানে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে ফসলি জমির ক্ষতি যতটা সম্ভব পুনরুদ্ধার করা যায়।”
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কেটে বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুধু জরিমানা নয়, জব্দ করা মাটি পুনরায় জমিতে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কৃষিজমি রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপের উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। তারা ভবিষ্যতেও অবৈধ মাটি কাটা ও বিক্রির বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানান।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বেতকা ইউনিয়নের বেতকা বাজার ও ছটফটিয়া এলাকার একো কোল্ড স্টোরেজ সংলগ্ন খাল এবং ধলেশ্বরী শাখা নদীর তীরবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওয়াজেদ ওয়াসিফ।
অভিযানকালে বেতকা সেতু এলাকা থেকে প্রায় এক কিলোমিটারের মধ্যে ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির উদ্দেশ্যে ট্রলারে তোলা হচ্ছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে যায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় মাটিবোঝাই ট্রলার ও মাটি কাটার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পাশাপাশি মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
পরে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪(খ) ধারায় অপরাধের দায়ে একই আইনের ১৫(১) ধারা অনুযায়ী আটক ব্যক্তিদের দুই দফায় মোট ৭ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
টঙ্গীবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওয়াজেদ ওয়াসিফ বলেন, “জব্দ করা মাটি সোমবার পুনরায় আগের স্থানে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে ফসলি জমির ক্ষতি যতটা সম্ভব পুনরুদ্ধার করা যায়।”
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কেটে বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুধু জরিমানা নয়, জব্দ করা মাটি পুনরায় জমিতে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কৃষিজমি রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপের উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। তারা ভবিষ্যতেও অবৈধ মাটি কাটা ও বিক্রির বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানান।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
