বয়সকে হার মানিয়ে সৌন্দর্য ও ফিটনেস ধরে রেখে বরাবরই আলোচনায় থাকেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। তবে তার ফিট থাকার রহস্য প্রচলিত কঠোর জিম বা কড়া ডায়েট নয়; বরং নিজের বাগানে সবজি চাষ ও নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম।
সম্প্রতি ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জয়া জানান, নিয়মিত জিম করার প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ নেই। নতুন কোনো সিনেমার শুটিংয়ের আগে প্রয়োজন অনুযায়ী পিলাটিজ বা শারীরিক অনুশীলন করলেও দৈনন্দিন জীবনে শরীরকে সক্রিয় রাখতে তিনি বেশি নির্ভর করেন বাগানের কাজে।
অভিনেত্রী জানান, নিজের বাড়ির আঙিনায় সবজি চাষের জন্য মাটি প্রস্তুত করা থেকে শুরু করে প্রয়োজনে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও তিনি নিজেই করেন। তার মতে, এই ধরনের শারীরিক শ্রমই তাকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে বড় ভূমিকা রাখে।
জয়া বলেন, “জিম করা যে দরকার, তা অস্বীকার করি না। কিন্তু নিয়মিত জিম করা হয় না আমার। আসলে যে যার মতো করে ফিট থাকার চেষ্টা করেন। আমি যেমন চাষ করি। সে সময়ে মাটি তৈরি করা থেকে শুরু করে, দরকারে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও করি।”
শুধু শরীরচর্চা নয়, খাবারের ক্ষেত্রেও নিজের বাগানের ওপর আস্থা রাখেন এই অভিনেত্রী। নিজ হাতে চাষ করা রাসায়নিকমুক্ত শাকসবজি দিয়ে রান্না করা খাবারই তার পছন্দ। তবে মাঝেমধ্যে পিৎজা বা বাইরের খাবার খেলেও তা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করেন না তিনি। তার মতে, সুস্থ থাকার পাশাপাশি পছন্দের খাবার উপভোগ করাও জীবনের অংশ।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বাগান করা ও মাটির কাজ শরীরের জন্য কার্যকর একটি কায়িক ব্যায়াম। এতে ক্যালোরি খরচ হওয়ার পাশাপাশি পেশির শক্তি ও শারীরিক সহনশীলতা বাড়ে। একই সঙ্গে প্রকৃতির সংস্পর্শে থাকার কারণে মানসিক চাপ কমাতেও এ ধরনের কাজ ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
জয়ার এই জীবনধারা দেখিয়ে দেয়, ফিট থাকার জন্য সবসময় জিমে যাওয়াই একমাত্র পথ নয়; নিয়মিত পরিশ্রম, সুষম খাবার ও প্রকৃতির কাছাকাছি থাকাও হতে পারে সুস্থ থাকার কার্যকর উপায়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
সম্প্রতি ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জয়া জানান, নিয়মিত জিম করার প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ নেই। নতুন কোনো সিনেমার শুটিংয়ের আগে প্রয়োজন অনুযায়ী পিলাটিজ বা শারীরিক অনুশীলন করলেও দৈনন্দিন জীবনে শরীরকে সক্রিয় রাখতে তিনি বেশি নির্ভর করেন বাগানের কাজে।
অভিনেত্রী জানান, নিজের বাড়ির আঙিনায় সবজি চাষের জন্য মাটি প্রস্তুত করা থেকে শুরু করে প্রয়োজনে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও তিনি নিজেই করেন। তার মতে, এই ধরনের শারীরিক শ্রমই তাকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে বড় ভূমিকা রাখে।
জয়া বলেন, “জিম করা যে দরকার, তা অস্বীকার করি না। কিন্তু নিয়মিত জিম করা হয় না আমার। আসলে যে যার মতো করে ফিট থাকার চেষ্টা করেন। আমি যেমন চাষ করি। সে সময়ে মাটি তৈরি করা থেকে শুরু করে, দরকারে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও করি।”
শুধু শরীরচর্চা নয়, খাবারের ক্ষেত্রেও নিজের বাগানের ওপর আস্থা রাখেন এই অভিনেত্রী। নিজ হাতে চাষ করা রাসায়নিকমুক্ত শাকসবজি দিয়ে রান্না করা খাবারই তার পছন্দ। তবে মাঝেমধ্যে পিৎজা বা বাইরের খাবার খেলেও তা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করেন না তিনি। তার মতে, সুস্থ থাকার পাশাপাশি পছন্দের খাবার উপভোগ করাও জীবনের অংশ।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বাগান করা ও মাটির কাজ শরীরের জন্য কার্যকর একটি কায়িক ব্যায়াম। এতে ক্যালোরি খরচ হওয়ার পাশাপাশি পেশির শক্তি ও শারীরিক সহনশীলতা বাড়ে। একই সঙ্গে প্রকৃতির সংস্পর্শে থাকার কারণে মানসিক চাপ কমাতেও এ ধরনের কাজ ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
জয়ার এই জীবনধারা দেখিয়ে দেয়, ফিট থাকার জন্য সবসময় জিমে যাওয়াই একমাত্র পথ নয়; নিয়মিত পরিশ্রম, সুষম খাবার ও প্রকৃতির কাছাকাছি থাকাও হতে পারে সুস্থ থাকার কার্যকর উপায়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
