ইজিবাইকে ওঠার পর নিখোঁজ শিক্ষার্থী, ভাঙা জানালা দিয়ে বেরিয়ে প্রাণে বাঁচল
মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে ইজিবাইকে ওঠার পর নিখোঁজ হওয়া পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী কয়েক ঘণ্টা পর ফরিদপুর থেকে জীবিত উদ্ধার হয়েছে। জ্ঞান ফেরার পর নিজেকে একটি বদ্ধ ঘরে আটক অবস্থায় দেখতে পেয়ে ভাঙা জানালা দিয়ে বেরিয়ে এসে প্রাণে রক্ষা পায় সে। পুলিশ ধারণা করছে, স্প্রে বা অন্য কোনো উপায়ে শিশুটিকে অচেতন বা সম্মোহিত করে অপহরণ করা হয়েছিল।
সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে মাগুরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আয়েশা নূর মাগুরা শহরের সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার মা মমতা বেগম শহরের কেশবমোড় এলাকা থেকে একটি খালি ইজিবাইকে করে মেয়েকে মাদ্রাসায় পাঠান। কিছু দূর যাওয়ার পর ওই ইজিবাইকে এক ব্যক্তি যাত্রী হিসেবে ওঠেন। এরপর সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ এলাকার কাছে আয়েশা ইজিবাইক থেকে নেমে যায়। এরপর কীভাবে সে মাগুরা থেকে ফরিদপুরের কামারখালী টোলপ্লাজা এলাকায় পৌঁছায়, সে বিষয়ে শিশুটি স্পষ্টভাবে কিছু বলতে পারেনি।
এদিকে সকাল ১০টার দিকে মাগুরা বাস টার্মিনাল এলাকায় একটি স্কুলব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় এক যুবক। ব্যাগের ভেতরে থাকা খাতায় লেখা মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করে তিনি আয়েশার মা মমতা বেগমকে বিষয়টি জানান। পরে মাদ্রাসায় গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তার মেয়ে সেখানে পৌঁছায়নি। এরপর তিনি মাগুরা সদর থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
পুলিশ জানায়, বেলা ১১টার দিকে আয়েশার জ্ঞান ফিরে আসে। সে নিজেকে ফরিদপুরের কামারখালী টোলপ্লাজা এলাকার একটি বদ্ধ ঘরে আটকে থাকতে দেখে। পরে ঘরের ভাঙা জানালা দিয়ে কষ্ট করে বেরিয়ে পাশের একটি বাগান অতিক্রম করে মহাসড়কে উঠে আসে। সেখানে এক পথচারীর সহায়তায় মায়ের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটিকে উদ্ধার করে এবং নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, “শিশুটি ইজিবাইকে ওঠার পর যে ব্যক্তি যাত্রী হিসেবে ওঠেন, ধারণা করা হচ্ছে তিনি স্প্রে বা অন্য কোনো উপায়ে শিশুটিকে সম্মোহিত বা অচেতন করে মাগুরা থেকে নিয়ে যান। কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে তাকে অপহরণ করা হলেও পুলিশের দ্রুত তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে অভিভাবকদের সন্তানদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে মাগুরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আয়েশা নূর মাগুরা শহরের সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার মা মমতা বেগম শহরের কেশবমোড় এলাকা থেকে একটি খালি ইজিবাইকে করে মেয়েকে মাদ্রাসায় পাঠান। কিছু দূর যাওয়ার পর ওই ইজিবাইকে এক ব্যক্তি যাত্রী হিসেবে ওঠেন। এরপর সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ এলাকার কাছে আয়েশা ইজিবাইক থেকে নেমে যায়। এরপর কীভাবে সে মাগুরা থেকে ফরিদপুরের কামারখালী টোলপ্লাজা এলাকায় পৌঁছায়, সে বিষয়ে শিশুটি স্পষ্টভাবে কিছু বলতে পারেনি।
এদিকে সকাল ১০টার দিকে মাগুরা বাস টার্মিনাল এলাকায় একটি স্কুলব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় এক যুবক। ব্যাগের ভেতরে থাকা খাতায় লেখা মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করে তিনি আয়েশার মা মমতা বেগমকে বিষয়টি জানান। পরে মাদ্রাসায় গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তার মেয়ে সেখানে পৌঁছায়নি। এরপর তিনি মাগুরা সদর থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
পুলিশ জানায়, বেলা ১১টার দিকে আয়েশার জ্ঞান ফিরে আসে। সে নিজেকে ফরিদপুরের কামারখালী টোলপ্লাজা এলাকার একটি বদ্ধ ঘরে আটকে থাকতে দেখে। পরে ঘরের ভাঙা জানালা দিয়ে কষ্ট করে বেরিয়ে পাশের একটি বাগান অতিক্রম করে মহাসড়কে উঠে আসে। সেখানে এক পথচারীর সহায়তায় মায়ের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটিকে উদ্ধার করে এবং নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, “শিশুটি ইজিবাইকে ওঠার পর যে ব্যক্তি যাত্রী হিসেবে ওঠেন, ধারণা করা হচ্ছে তিনি স্প্রে বা অন্য কোনো উপায়ে শিশুটিকে সম্মোহিত বা অচেতন করে মাগুরা থেকে নিয়ে যান। কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে তাকে অপহরণ করা হলেও পুলিশের দ্রুত তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে অভিভাবকদের সন্তানদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
