সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল ধাফরা বিমান ঘাঁটি এখন বিশ্ব রাজনীতির নতুন আলোচনার বিষয়। পারস্য উপসাগরে ওয়াশিংটনের গোয়েন্দা ও বিমান অভিযানের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র এটি। সম্প্রতি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। মার্কিন সামরিক হামলার জবাবে তেহরান এই পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের প্রভাবশালী সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ।
আবুধাবির দক্ষিণ দিকে আল ধাফরা ঘাঁটির অবস্থান। গত কয়েক বছরে এটি কেবল একটি সাধারণ সামরিক বিমানক্ষেত্র থেকে বহুমুখী বিশাল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এখান থেকে মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিটি কোণায় নজরদারি চালানো হয় বলে অভিযোগ ইরানের সামরিক কর্মকর্তাদের। আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্ট-কমের সামরিক কাঠামোর এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোর সাথে সমন্বয় করে আল ধাফরা কাজ করে।
এই ঘাঁটিতে রয়েছে দীর্ঘ রানওয়ে ও বিশাল সব অবকাঠামো। এখানে রাখা হয়েছে এফ ১৫ই স্ট্রাইক ইগল এবং এফ ১৫সি ইগলের মতো শক্তিশালী যুদ্ধবিমান। এর পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিজস্ব এফ ১৬ এবং মিরাজ যুদ্ধবিমানও এখানে অবস্থান করে। এই বিপুল যুদ্ধবিমান এই অঞ্চলের আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখে।
আকাশপথে নজরদারির জন্য আল ধাফরা ঘাঁটিতে অত্যাধুনিক সব ড্রোন মজুদ আছে। এমকিউ ৯ রিপার এবং আরকিউ ৪ গ্লোবাল হক ড্রোন এখান থেকেই পরিচালিত হয়। অনেক উঁচুতে উড়ে তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম ইউ ২ ড্রাগন লেডি বিমানও এই ঘাঁটির সম্পদ। এছাড়া কমান্ড ও কন্ট্রোল ব্যবস্থার জন্য ই ৩ সেন্ট্রি এওয়াকস বিমানও ব্যবহার করা হয়। এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে আমেরিকা পুরো মধ্যপ্রাচ্যে নিরবচ্ছিন্ন গোয়েন্দা নজরদারি চালায়। সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী এই ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান বাহিনীর সাড়ে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার মার্কিন সামরিক সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

ইরানের খুব কাছে হওয়ায় আল ধাফরা তেহরানের সামরিক ভাবনায় বড় জায়গা নিয়ে আছে। এটি কেবল একটি ঘাঁটি নয় বরং মার্কিন রণকৌশলের প্রধান ভিত্তি। কোনো বড় সংঘাত শুরু হলে গোয়েন্দা তথ্য ও রসদ সরবরাহ রুখতে এটিই প্রধান লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। ইরানের সাম্প্রতিক হামলা প্রমাণ করেছে অত্যন্ত সুরক্ষিত হওয়ার পরেও এই ঘাঁটিগুলো পুরোপুরি নিরাপদ নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে আল ধাফরা ঘাঁটির কার্যক্রম ব্যাহত হলে মার্কিন বিমান অভিযান বড় ধরণের ধাক্কা খাবে। বিশেষ করে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও লজিস্টিক সাপোর্টের ক্ষেত্রে বড় সংকট তৈরি হতে পারে। এই কারণেই কৌশলগত দিক থেকে আল ধাফরা এখন সবার শীর্ষে।
সম্প্রতি মার্কিন যুদ্ধ কৌশলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই ঘাটি নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে ইরানের শীর্ষস্থানীয় আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি'র সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এই নিউজ এজেন্সি। আর তাই মধ্য প্রাচ্যে মার্কিন ঘাটিতে হামলার প্রচ্ছন্ন হুমকি হিসেবেই এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে বলে ধারণা যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক বিভিন্ন সংবাদ সংস্থার।
ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, এটিএন নিউজ
আবুধাবির দক্ষিণ দিকে আল ধাফরা ঘাঁটির অবস্থান। গত কয়েক বছরে এটি কেবল একটি সাধারণ সামরিক বিমানক্ষেত্র থেকে বহুমুখী বিশাল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এখান থেকে মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিটি কোণায় নজরদারি চালানো হয় বলে অভিযোগ ইরানের সামরিক কর্মকর্তাদের। আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্ট-কমের সামরিক কাঠামোর এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোর সাথে সমন্বয় করে আল ধাফরা কাজ করে।
এই ঘাঁটিতে রয়েছে দীর্ঘ রানওয়ে ও বিশাল সব অবকাঠামো। এখানে রাখা হয়েছে এফ ১৫ই স্ট্রাইক ইগল এবং এফ ১৫সি ইগলের মতো শক্তিশালী যুদ্ধবিমান। এর পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিজস্ব এফ ১৬ এবং মিরাজ যুদ্ধবিমানও এখানে অবস্থান করে। এই বিপুল যুদ্ধবিমান এই অঞ্চলের আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখে।
আকাশপথে নজরদারির জন্য আল ধাফরা ঘাঁটিতে অত্যাধুনিক সব ড্রোন মজুদ আছে। এমকিউ ৯ রিপার এবং আরকিউ ৪ গ্লোবাল হক ড্রোন এখান থেকেই পরিচালিত হয়। অনেক উঁচুতে উড়ে তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম ইউ ২ ড্রাগন লেডি বিমানও এই ঘাঁটির সম্পদ। এছাড়া কমান্ড ও কন্ট্রোল ব্যবস্থার জন্য ই ৩ সেন্ট্রি এওয়াকস বিমানও ব্যবহার করা হয়। এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে আমেরিকা পুরো মধ্যপ্রাচ্যে নিরবচ্ছিন্ন গোয়েন্দা নজরদারি চালায়। সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী এই ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান বাহিনীর সাড়ে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার মার্কিন সামরিক সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
ইরানের খুব কাছে হওয়ায় আল ধাফরা তেহরানের সামরিক ভাবনায় বড় জায়গা নিয়ে আছে। এটি কেবল একটি ঘাঁটি নয় বরং মার্কিন রণকৌশলের প্রধান ভিত্তি। কোনো বড় সংঘাত শুরু হলে গোয়েন্দা তথ্য ও রসদ সরবরাহ রুখতে এটিই প্রধান লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। ইরানের সাম্প্রতিক হামলা প্রমাণ করেছে অত্যন্ত সুরক্ষিত হওয়ার পরেও এই ঘাঁটিগুলো পুরোপুরি নিরাপদ নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে আল ধাফরা ঘাঁটির কার্যক্রম ব্যাহত হলে মার্কিন বিমান অভিযান বড় ধরণের ধাক্কা খাবে। বিশেষ করে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও লজিস্টিক সাপোর্টের ক্ষেত্রে বড় সংকট তৈরি হতে পারে। এই কারণেই কৌশলগত দিক থেকে আল ধাফরা এখন সবার শীর্ষে।
সম্প্রতি মার্কিন যুদ্ধ কৌশলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই ঘাটি নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে ইরানের শীর্ষস্থানীয় আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি'র সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এই নিউজ এজেন্সি। আর তাই মধ্য প্রাচ্যে মার্কিন ঘাটিতে হামলার প্রচ্ছন্ন হুমকি হিসেবেই এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে বলে ধারণা যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক বিভিন্ন সংবাদ সংস্থার।
ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, এটিএন নিউজ
