আগ্রাসনের জবাবে ‘বিধ্বংসী’ পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি ইরানের
যেকোনো ধরনের বহিঃশত্রুর আক্রমণ বা আগ্রাসনের জবাবে চরম ও বিধ্বংসী পাল্টা আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী। সোমবার ১৯৮৮ সালের অপারেশন মেরসাদ-এর বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ সতর্কবার্তা জানানো হয়। এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় কোনো ধরনের আপস করবে না ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। তাদের দাবি, অপারেশন মেরসাদ ইরানের সামরিক সক্ষমতা, জাতীয় ঐক্য এবং অটল সংকল্পের একটি ঐতিহাসিক প্রতীক।
ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৮৮ সালের ২৬ জুলাই ইরাকি বাহিনীর সমর্থনে মুজাহিদিন-ই-খালক (এমইকে) গোষ্ঠী ইরানে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে পাল্টা অভিযানে তাদের পরাজিত করা হয়। শহীদ লেফটেন্যান্ট জেনারেল আলী সায়্যদ শিরাজির নেতৃত্বে পরিচালিত সেই অভিযানে চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের দাবি করে তেহরান। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেই ঘটনাকে অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করে ইরান বলেছে, দেশের এক ইঞ্চি মাটিতেও শত্রুর অনুপ্রবেশ বরদাশত করা হবে না।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও জাতীয় সংকল্পের ভিত্তিতে যেকোনো আগ্রাসন প্রতিহত করতে প্রস্তুত ইরান। দেশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার এবং শত্রুর বিরুদ্ধে কঠোর পাল্টা ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করবে না তারা।
এদিকে, ইরানি সামরিক কমান্ডের দাবি, বৈশ্বিক শক্তি ও তাদের মিত্রদের মোকাবিলায় সর্বক্ষণ প্রস্তুত রয়েছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে তেহরানের এই কড়া বার্তাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হুমকির প্রেক্ষাপটে এটি ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশলেরই অংশ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় কোনো ধরনের আপস করবে না ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। তাদের দাবি, অপারেশন মেরসাদ ইরানের সামরিক সক্ষমতা, জাতীয় ঐক্য এবং অটল সংকল্পের একটি ঐতিহাসিক প্রতীক।
ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৮৮ সালের ২৬ জুলাই ইরাকি বাহিনীর সমর্থনে মুজাহিদিন-ই-খালক (এমইকে) গোষ্ঠী ইরানে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে পাল্টা অভিযানে তাদের পরাজিত করা হয়। শহীদ লেফটেন্যান্ট জেনারেল আলী সায়্যদ শিরাজির নেতৃত্বে পরিচালিত সেই অভিযানে চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের দাবি করে তেহরান। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেই ঘটনাকে অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করে ইরান বলেছে, দেশের এক ইঞ্চি মাটিতেও শত্রুর অনুপ্রবেশ বরদাশত করা হবে না।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও জাতীয় সংকল্পের ভিত্তিতে যেকোনো আগ্রাসন প্রতিহত করতে প্রস্তুত ইরান। দেশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার এবং শত্রুর বিরুদ্ধে কঠোর পাল্টা ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করবে না তারা।
এদিকে, ইরানি সামরিক কমান্ডের দাবি, বৈশ্বিক শক্তি ও তাদের মিত্রদের মোকাবিলায় সর্বক্ষণ প্রস্তুত রয়েছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে তেহরানের এই কড়া বার্তাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হুমকির প্রেক্ষাপটে এটি ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশলেরই অংশ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
