রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে ১৮ জন মন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ থাকা পুলিশের প্রটেকশন এসকর্ট বা বিশেষ নিরাপত্তা বহর প্রত্যাহার করেছে সরকার। তবে একজন উপদেষ্টা এবং ছয়জন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীর ক্ষেত্রে এ সুবিধা আগের মতোই বহাল রাখা হয়েছে।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজের নিরাপত্তা বহর সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি গাড়িবহরে যানবাহনের সংখ্যা কমিয়ে দেন এবং সড়কে চলাচলের সময় অতিরিক্ত ট্রাফিক সুবিধাও গ্রহণ করছেন না। ফলে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর সাধারণ যানবাহনের মতোই ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলাচল করছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ জুলাই থেকে ১৮ জন মন্ত্রীর প্রটেকশন এসকর্ট প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে সরকারি বিধি অনুযায়ী তাদের জন্য গানম্যান, বাসভবনের নিরাপত্তা এবং ঢাকার বাইরে সরকারি সফরে বিশেষ পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের মতোই বহাল থাকবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, একজন মন্ত্রীর এসকর্ট টিমে সাধারণত একজন উপপরিদর্শক (এসআই) এবং চারজন কনস্টেবল দায়িত্ব পালন করেন। তারা একটি পুলিশ পিকআপভ্যানে মন্ত্রীর গাড়িবহরের সঙ্গে থাকেন। এ নিরাপত্তা ব্যবস্থার জ্বালানি ব্যয় এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বেতন-ভাতা সরকারি কোষাগার থেকে বহন করা হয়।
সরকারি সূত্রের মতে, জ্বালানি সাশ্রয়, রাষ্ট্রীয় ব্যয় সংকোচন এবং পুলিশের জনবল ও যানবাহনের সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজের নিরাপত্তা বহর সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি গাড়িবহরে যানবাহনের সংখ্যা কমিয়ে দেন এবং সড়কে চলাচলের সময় অতিরিক্ত ট্রাফিক সুবিধাও গ্রহণ করছেন না। ফলে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর সাধারণ যানবাহনের মতোই ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলাচল করছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ জুলাই থেকে ১৮ জন মন্ত্রীর প্রটেকশন এসকর্ট প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে সরকারি বিধি অনুযায়ী তাদের জন্য গানম্যান, বাসভবনের নিরাপত্তা এবং ঢাকার বাইরে সরকারি সফরে বিশেষ পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের মতোই বহাল থাকবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, একজন মন্ত্রীর এসকর্ট টিমে সাধারণত একজন উপপরিদর্শক (এসআই) এবং চারজন কনস্টেবল দায়িত্ব পালন করেন। তারা একটি পুলিশ পিকআপভ্যানে মন্ত্রীর গাড়িবহরের সঙ্গে থাকেন। এ নিরাপত্তা ব্যবস্থার জ্বালানি ব্যয় এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বেতন-ভাতা সরকারি কোষাগার থেকে বহন করা হয়।
সরকারি সূত্রের মতে, জ্বালানি সাশ্রয়, রাষ্ট্রীয় ব্যয় সংকোচন এবং পুলিশের জনবল ও যানবাহনের সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
