ইন্টারসেপ্টর মিসাইল সংকটের আশঙ্কায় ইরানে হামলা স্থগিত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের বিরুদ্ধে টানা দুই সপ্তাহ বিমান হামলা চালানোর পর গত দুই দিন ধরে সামরিক অভিযান থেকে বিরত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলা মোকাবিলায় ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কাই এ সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
রোববার (২৬ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের মধ্যে ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হয়। ওই বৈঠকের পর ইরানের বিরুদ্ধে আরও বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা থেকে সাময়িকভাবে সরে আসে হোয়াইট হাউস।
এর আগে গত শুক্রবার ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা জোরদারের ইঙ্গিত দিলেও, সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সেই অবস্থান পরিবর্তন করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর বরাতে সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন বৈঠকে সতর্ক করে বলেন, বড় ধরনের হামলা চালানো সম্ভব হলেও এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর হাতে থাকা ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যেতে পারে। এতে ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ব্যাপক বিমান হামলার মাধ্যমে ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফেরানো সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েও প্রশাসনের ভেতরে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক হামলাগুলোর পর ইরানে সরকারবিরোধী বিভাজনের পরিবর্তে জাতীয় ঐক্য আরও জোরদার হয়েছে এবং দেশটি বিদেশি হুমকির বিরুদ্ধে আরও সংগঠিত অবস্থান নিয়েছে বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শুক্রবার ও শনিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভূখণ্ডে কোনো নতুন হামলা চালায়নি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং সামরিক সক্ষমতা বিবেচনায় পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
রোববার (২৬ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের মধ্যে ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হয়। ওই বৈঠকের পর ইরানের বিরুদ্ধে আরও বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা থেকে সাময়িকভাবে সরে আসে হোয়াইট হাউস।
এর আগে গত শুক্রবার ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা জোরদারের ইঙ্গিত দিলেও, সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সেই অবস্থান পরিবর্তন করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর বরাতে সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন বৈঠকে সতর্ক করে বলেন, বড় ধরনের হামলা চালানো সম্ভব হলেও এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর হাতে থাকা ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যেতে পারে। এতে ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ব্যাপক বিমান হামলার মাধ্যমে ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফেরানো সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েও প্রশাসনের ভেতরে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক হামলাগুলোর পর ইরানে সরকারবিরোধী বিভাজনের পরিবর্তে জাতীয় ঐক্য আরও জোরদার হয়েছে এবং দেশটি বিদেশি হুমকির বিরুদ্ধে আরও সংগঠিত অবস্থান নিয়েছে বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শুক্রবার ও শনিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভূখণ্ডে কোনো নতুন হামলা চালায়নি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং সামরিক সক্ষমতা বিবেচনায় পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
