রাজশাহীর পবা উপজেলার হরিয়ান ইউনিয়নের তেতুলতলা এলাকায় নারী হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে নিহত ফরিদা পারভীনের বাড়িতে স্বজনদের আহাজারির মধ্যে দেখা যায় অভিযুক্ত পরশ সরকারের ফুফু লাইলী বেগমকে নিহতের শাশুড়ি বাসেয়া বেগমকে জড়িয়ে ধরে বিলাপ করতে। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাইলী বেগম নিহত পরিবারের দূরসম্পর্কের আত্মীয়। তিনি বাসেয়া বেগমকে জড়িয়ে ধরে বিলাপ করে বলেন, “ও বুবুরে, এই সর্বনাশ কেন হলো রে। সব শেষ হয়ে গেল রে।” এ সময় উপস্থিত কেউ কেউ বিষয়টিকে মানবিক দৃষ্টিতে দেখলেও, অনেকে বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানান।
শনিবার সকাল থেকে নিহতের বাড়ির সামনে স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড় দেখা যায়। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযুক্ত পরশ সরকারের বাড়ি পুলিশ ঘিরে রেখেছে। এর আগে ক্ষুব্ধ জনতা ওই বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পরশ সরকার পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির সামনে ছুরিকাঘাতে নিহত হন ফরিদা পারভীন। পারিবারিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে, বিকেলে পুকুরপাড়ে কয়েকজন নারী পরশ সরকারকে নিয়ে আলোচনা করছিলেন। পরে বিষয়টি জানতে পেরে পরশের মা বাড়িতে গিয়ে তাকে জানান। অভিযোগ, এরপর পরশ এসে ফরিদা পারভীনের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালান।
নিহতের শাশুড়ি বাসেয়া বেগমের অভিযোগ, পরশ সরকার প্রায়ই মারামারিতে জড়াতেন। এছাড়া তাদের সঙ্গে জমি নিয়ে আগের বিরোধও ছিল। পরিবারের সদস্যদের দাবি, হামলায় ফরিদা পারভীন গুরুতর আহত হলে তাকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় মাকে রক্ষা করতে গিয়ে আহত হন তার ছেলে ফয়সাল (১৫), তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্ত পরশ সরকারের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি জয় নামে তার এক সহযোগীর বাড়িতেও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। জয়ের মা চম্পা বেগম দাবি করেছেন, হামলার সময় তার বাড়ি থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন লুট করা হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, পরশ সরকার মাদকাসক্ত এবং এলাকায় বেপরোয়া আচরণের জন্য পরিচিত ছিলেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. গাজিউর রহমান জানান, নিহতের স্বামী লালন শেখ বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাইলী বেগম নিহত পরিবারের দূরসম্পর্কের আত্মীয়। তিনি বাসেয়া বেগমকে জড়িয়ে ধরে বিলাপ করে বলেন, “ও বুবুরে, এই সর্বনাশ কেন হলো রে। সব শেষ হয়ে গেল রে।” এ সময় উপস্থিত কেউ কেউ বিষয়টিকে মানবিক দৃষ্টিতে দেখলেও, অনেকে বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানান।
শনিবার সকাল থেকে নিহতের বাড়ির সামনে স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড় দেখা যায়। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযুক্ত পরশ সরকারের বাড়ি পুলিশ ঘিরে রেখেছে। এর আগে ক্ষুব্ধ জনতা ওই বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পরশ সরকার পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির সামনে ছুরিকাঘাতে নিহত হন ফরিদা পারভীন। পারিবারিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে, বিকেলে পুকুরপাড়ে কয়েকজন নারী পরশ সরকারকে নিয়ে আলোচনা করছিলেন। পরে বিষয়টি জানতে পেরে পরশের মা বাড়িতে গিয়ে তাকে জানান। অভিযোগ, এরপর পরশ এসে ফরিদা পারভীনের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালান।
নিহতের শাশুড়ি বাসেয়া বেগমের অভিযোগ, পরশ সরকার প্রায়ই মারামারিতে জড়াতেন। এছাড়া তাদের সঙ্গে জমি নিয়ে আগের বিরোধও ছিল। পরিবারের সদস্যদের দাবি, হামলায় ফরিদা পারভীন গুরুতর আহত হলে তাকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় মাকে রক্ষা করতে গিয়ে আহত হন তার ছেলে ফয়সাল (১৫), তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্ত পরশ সরকারের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি জয় নামে তার এক সহযোগীর বাড়িতেও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। জয়ের মা চম্পা বেগম দাবি করেছেন, হামলার সময় তার বাড়ি থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন লুট করা হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, পরশ সরকার মাদকাসক্ত এবং এলাকায় বেপরোয়া আচরণের জন্য পরিচিত ছিলেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. গাজিউর রহমান জানান, নিহতের স্বামী লালন শেখ বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
