ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগে উচ্ছ্বসিত বলিউড, প্রতিক্রিয়ায় কমল হাসান থেকে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবরে দেশজুড়ে আলোচনার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রতিক্রিয়ার ঝড় উঠেছে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর তার পদত্যাগের ঘটনায় সমর্থন জানিয়েছেন বলিউড ও দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনের একাধিক তারকা।
প্রিয়াঙ্কা চোপড়া নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে পদত্যাগসংক্রান্ত একটি সংবাদ শেয়ার করে করতালি, হাসি ও হৃদয়ের ইমোজির মাধ্যমে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
অভিনেতা কমল হাসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, সংঘাতের পরিবর্তে সংলাপের পথ বেছে নেওয়া গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক। তিনি বলেন, ভিন্নমতেরও সম্মান থাকা উচিত এবং জবাবদিহি কখনোই বেছে বেছে হওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে সরকার আলোচনায় বসার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের আহ্বান জানান তিনি।
অভিনেত্রী ভূমি পেডনেকর ইনস্টাগ্রামে এক দীর্ঘ পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে ‘গণতন্ত্রের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ বলে অভিহিত করেন।
নির্মাতা জোয়া আখতারও জেন-জি প্রজন্মের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি লেখেন, এই আন্দোলন গণতন্ত্রের প্রকৃত শক্তির কথা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে। সঙ্গে তিনি একটি উদ্ধৃতি শেয়ার করেন, যেখানে বলা হয়, জনগণের হাতেই গণতন্ত্রের প্রকৃত ক্ষমতা নিহিত।
অভিনেতা প্রকাশ রাজ, যিনি আন্দোলনের সময় সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন, এক্সে লেখেন, “অভিনন্দন, আমার প্রিয় ককরোচরা। সোনম ওয়াংচুক স্যার এবং তরুণদের পাশে দাঁড়ানো প্রত্যেক মানুষকে অভিনন্দন। আপনারা দেখিয়ে দিয়েছেন, ঐক্যবদ্ধ হলে সরকারকেও নত হতে হয়।”
অভিনেতা বিজয় ভার্মা ইনস্টাগ্রামে ধর্মেন্দ্র প্রধানের একটি ছবি পোস্ট করে জনপ্রিয় গান ‘আচ্ছা চলতা হুঁ, দুয়াওঁ মে ইয়াদ রাখনা’–এর লাইন উদ্ধৃত করে বিদায়ী বার্তা দেন।
অভিনেত্রী অদিতি রাও হায়দারি তরুণদের উদ্দেশে লেখেন, “জেন-জি জয়ী হয়েছে। সততা, মর্যাদা, অহিংসা, জবাবদিহি, বাকস্বাধীনতা ও বুদ্ধিমত্তার কণ্ঠস্বর আরও শক্তিশালী হোক।”
অন্যদিকে অভিনেতা মানব কৌল তরুণ প্রজন্মকে উদ্দেশ করে লেখেন, “আমি তোমাদের ভালোবাসি। এই দেশ এখন তোমাদের। নতুন করে পথচলা শুরু হোক। জয় হিন্দ।”
উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের শুরু থেকেই শাবানা আজমি, নাসিরুদ্দিন শাহসহ ভারতের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে আসছিলেন। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর সেই সমর্থনের ধারাবাহিকতায় তারকারাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
প্রিয়াঙ্কা চোপড়া নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে পদত্যাগসংক্রান্ত একটি সংবাদ শেয়ার করে করতালি, হাসি ও হৃদয়ের ইমোজির মাধ্যমে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
অভিনেতা কমল হাসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, সংঘাতের পরিবর্তে সংলাপের পথ বেছে নেওয়া গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক। তিনি বলেন, ভিন্নমতেরও সম্মান থাকা উচিত এবং জবাবদিহি কখনোই বেছে বেছে হওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে সরকার আলোচনায় বসার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের আহ্বান জানান তিনি।
অভিনেত্রী ভূমি পেডনেকর ইনস্টাগ্রামে এক দীর্ঘ পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে ‘গণতন্ত্রের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ বলে অভিহিত করেন।
নির্মাতা জোয়া আখতারও জেন-জি প্রজন্মের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি লেখেন, এই আন্দোলন গণতন্ত্রের প্রকৃত শক্তির কথা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে। সঙ্গে তিনি একটি উদ্ধৃতি শেয়ার করেন, যেখানে বলা হয়, জনগণের হাতেই গণতন্ত্রের প্রকৃত ক্ষমতা নিহিত।
অভিনেতা প্রকাশ রাজ, যিনি আন্দোলনের সময় সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন, এক্সে লেখেন, “অভিনন্দন, আমার প্রিয় ককরোচরা। সোনম ওয়াংচুক স্যার এবং তরুণদের পাশে দাঁড়ানো প্রত্যেক মানুষকে অভিনন্দন। আপনারা দেখিয়ে দিয়েছেন, ঐক্যবদ্ধ হলে সরকারকেও নত হতে হয়।”
অভিনেতা বিজয় ভার্মা ইনস্টাগ্রামে ধর্মেন্দ্র প্রধানের একটি ছবি পোস্ট করে জনপ্রিয় গান ‘আচ্ছা চলতা হুঁ, দুয়াওঁ মে ইয়াদ রাখনা’–এর লাইন উদ্ধৃত করে বিদায়ী বার্তা দেন।
অভিনেত্রী অদিতি রাও হায়দারি তরুণদের উদ্দেশে লেখেন, “জেন-জি জয়ী হয়েছে। সততা, মর্যাদা, অহিংসা, জবাবদিহি, বাকস্বাধীনতা ও বুদ্ধিমত্তার কণ্ঠস্বর আরও শক্তিশালী হোক।”
অন্যদিকে অভিনেতা মানব কৌল তরুণ প্রজন্মকে উদ্দেশ করে লেখেন, “আমি তোমাদের ভালোবাসি। এই দেশ এখন তোমাদের। নতুন করে পথচলা শুরু হোক। জয় হিন্দ।”
উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের শুরু থেকেই শাবানা আজমি, নাসিরুদ্দিন শাহসহ ভারতের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে আসছিলেন। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর সেই সমর্থনের ধারাবাহিকতায় তারকারাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
