মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
সৌদি আরবকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ না দিলে সৌদি আরবের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি এগিয়ে নেওয়া হবে না।
শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, আব্রাহাম অ্যাকর্ডস ইতোমধ্যেই সফল উদ্যোগে পরিণত হয়েছে এবং সৌদি আরবের এখন এতে যুক্ত হওয়ার সময় এসেছে। তিনি জানান, পারমাণবিক সহযোগিতার বিষয়টি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার শর্তের সঙ্গেই বিবেচনা করা হচ্ছে।
এর আগে ওয়াশিংটন ও রিয়াদ সৌদি আরবে একটি বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করে। তবে চুক্তির পর ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, সৌদি আরবকে প্রথমে ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে।
এ বিষয়ে সৌদি আরব এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে দেশটি দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুস্পষ্ট পথ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা হবে না।
মার্কিন প্রশাসন চুক্তিটিকে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারত্বের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে। চুক্তিটি এখন কংগ্রেসে পর্যালোচনার জন্য উপস্থাপন করা হবে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ৩০ বছর মেয়াদি এই চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবের বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচিতে মার্কিন প্রযুক্তি ও দক্ষতা হস্তান্তরের সুযোগ তৈরি হবে। তবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য সামনে এসেছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, কোনো ধরনের উপাদান সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দেওয়া হবে না।
সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চুক্তিটি জ্বালানির উৎস বৈচিত্র্যময় করা, আধুনিক প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।
সূত্র: আল জাজিরা
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, আব্রাহাম অ্যাকর্ডস ইতোমধ্যেই সফল উদ্যোগে পরিণত হয়েছে এবং সৌদি আরবের এখন এতে যুক্ত হওয়ার সময় এসেছে। তিনি জানান, পারমাণবিক সহযোগিতার বিষয়টি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার শর্তের সঙ্গেই বিবেচনা করা হচ্ছে।
এর আগে ওয়াশিংটন ও রিয়াদ সৌদি আরবে একটি বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করে। তবে চুক্তির পর ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, সৌদি আরবকে প্রথমে ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে।
এ বিষয়ে সৌদি আরব এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে দেশটি দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুস্পষ্ট পথ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা হবে না।
মার্কিন প্রশাসন চুক্তিটিকে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারত্বের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে। চুক্তিটি এখন কংগ্রেসে পর্যালোচনার জন্য উপস্থাপন করা হবে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ৩০ বছর মেয়াদি এই চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবের বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচিতে মার্কিন প্রযুক্তি ও দক্ষতা হস্তান্তরের সুযোগ তৈরি হবে। তবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য সামনে এসেছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, কোনো ধরনের উপাদান সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দেওয়া হবে না।
সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চুক্তিটি জ্বালানির উৎস বৈচিত্র্যময় করা, আধুনিক প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।
সূত্র: আল জাজিরা
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
