রংপুরে হাসপাতালে রোগীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
রংপুর নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের বাথরুম থেকে বাচ্চু মিয়া (নাম অনুযায়ী) নামে এক রোগীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নগরীর বদরগঞ্জ রোডের পীরজাবাদ এলাকায় অবস্থিত প্রাইম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি-১ ওয়ার্ডের একটি বাথরুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত বাচ্চু মিয়া দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার ৪ নম্বর পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মধ্য দরগারপাড়া এলাকার মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ১৮ জুলাই রাত ৮টা ৪৬ মিনিটে ডান পায়ের উরুতে ঘা, শ্বাসকষ্ট এবং ডায়াবেটিসজনিত জটিলতা নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর থেকে সার্জারি-১ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে স্ত্রী আমিনা বেগমের সহায়তায় তিনি ওয়ার্ডের বাথরুমে যান এবং ফিরে আসেন। পরে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নিজের ব্যবহৃত একটি গামছা নিয়ে আবার একাই বাথরুমে যান। এ সময় স্ত্রী সঙ্গে যেতে চাইলে তিনি নিজেই যেতে পারবেন বলে জানান।
কিছুক্ষণ পর ডিউটিরত স্টাফরা ওষুধ দেওয়ার জন্য তাকে খুঁজতে বললে তার স্ত্রী বাথরুমের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় সিনিয়র স্টাফ নার্স, ইন্টার্ন চিকিৎসক ও হাসপাতালের অন্যান্য কর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে হাসপাতালের এক কর্মচারী বাথরুমের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে ভেন্টিলেশনের রডের সঙ্গে নিজের ব্যবহৃত গামছা দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় বাচ্চু মিয়াকে দেখতে পান।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং অন্যান্য আলামত পর্যালোচনার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নগরীর বদরগঞ্জ রোডের পীরজাবাদ এলাকায় অবস্থিত প্রাইম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি-১ ওয়ার্ডের একটি বাথরুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত বাচ্চু মিয়া দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার ৪ নম্বর পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মধ্য দরগারপাড়া এলাকার মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ১৮ জুলাই রাত ৮টা ৪৬ মিনিটে ডান পায়ের উরুতে ঘা, শ্বাসকষ্ট এবং ডায়াবেটিসজনিত জটিলতা নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর থেকে সার্জারি-১ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে স্ত্রী আমিনা বেগমের সহায়তায় তিনি ওয়ার্ডের বাথরুমে যান এবং ফিরে আসেন। পরে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নিজের ব্যবহৃত একটি গামছা নিয়ে আবার একাই বাথরুমে যান। এ সময় স্ত্রী সঙ্গে যেতে চাইলে তিনি নিজেই যেতে পারবেন বলে জানান।
কিছুক্ষণ পর ডিউটিরত স্টাফরা ওষুধ দেওয়ার জন্য তাকে খুঁজতে বললে তার স্ত্রী বাথরুমের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় সিনিয়র স্টাফ নার্স, ইন্টার্ন চিকিৎসক ও হাসপাতালের অন্যান্য কর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে হাসপাতালের এক কর্মচারী বাথরুমের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে ভেন্টিলেশনের রডের সঙ্গে নিজের ব্যবহৃত গামছা দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় বাচ্চু মিয়াকে দেখতে পান।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং অন্যান্য আলামত পর্যালোচনার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
