ভাটারায় গ্যাস লিকেজের বিস্ফোরণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় মামা-ভাগনির মৃত্যু, আইসিইউতে মামী
রাজধানীর ভাটারা থানার নতুন বাজার এলাকায় একটি বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মামা ও ভাগনির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ শাহীনের স্ত্রী বর্তমানে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জানা গেছে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে নতুন বাজারের ১০০ ফিট এলাকায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হন। তারা হলেন— মো. শাহীন (২৪), তার ৮ বছর বয়সী ভাগনি হাফছা এবং স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২১)।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিস্ফোরণের পর গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে সকাল সাড়ে ৫টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে আইসিইউতে মারা যায় শিশু হাফছা। এর প্রায় ছয় ঘণ্টা পর শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে একই হাসপাতালের আইসিইউতে মারা যান তার মামা শাহীন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, শাহীনের শরীরের ৫০ শতাংশ, হাফছার ৪০ শতাংশ এবং ফাহিমা আক্তারের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। ফাহিমার অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক এবং তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার কারণ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তদন্ত চলছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
জানা গেছে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে নতুন বাজারের ১০০ ফিট এলাকায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হন। তারা হলেন— মো. শাহীন (২৪), তার ৮ বছর বয়সী ভাগনি হাফছা এবং স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২১)।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিস্ফোরণের পর গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে সকাল সাড়ে ৫টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে আইসিইউতে মারা যায় শিশু হাফছা। এর প্রায় ছয় ঘণ্টা পর শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে একই হাসপাতালের আইসিইউতে মারা যান তার মামা শাহীন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, শাহীনের শরীরের ৫০ শতাংশ, হাফছার ৪০ শতাংশ এবং ফাহিমা আক্তারের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। ফাহিমার অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক এবং তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার কারণ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তদন্ত চলছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
