গার্মেন্টসকর্মী সাদিয়া আক্তার হত্যাকাণ্ড
প্রেমের সম্পর্কের একপর্যায়ে বিয়ের চাপ দেওয়াকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গার্মেন্টসকর্মী সাদিয়া আক্তার হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঘটনার ১০ দিনের মধ্যে হত্যার মূল আসামি আব্দুর রাজ্জাক (২৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন।
পিবিআই জানায়, গত ১২ জুলাই রাত ১১টা ৪০ মিনিট থেকে ১৩ জুলাই রাত ১০টার মধ্যে যেকোনো সময় সাদিয়া আক্তারকে হত্যা করা হয়। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে শ্বাসরোধে হত্যার ধারণা করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. রিয়াজ মোল্লা বাদী হয়ে নিহতের স্বামী মো. ইব্রাহিম (২৭), তার বাবা মো. মহি উদ্দিন, মা মোছা. তাসলিমা বেগম এবং অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে ১৫ জুলাই সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পেনাল কোডের ৩০২/৩৪ ধারায় রুজু হয়।
পরে ১৬ জুলাই পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছেন পুলিশ উপ-পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. রিয়াজ উদ্দিন রনি।
তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্লেষণ ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ জুলাই রাতে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার কোনাপাড়া এলাকা থেকে এজাহারভুক্ত আসামি মো. ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২১ জুলাই বিকেলে ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার জিঞ্জিরা এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।
জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুর রাজ্জাক হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেন। পরে ২২ জুলাই তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
পিবিআইর তদন্ত ও আসামির জবানবন্দি অনুযায়ী, নিহত সাদিয়া আক্তারের সঙ্গে আব্দুর রাজ্জাকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে তারা সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি বাতানপাড়া এলাকায় স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে একটি ভাড়া বাসায় একসঙ্গে বসবাস করছিলেন।
তদন্তে জানা যায়, ১২ জুলাই সাদিয়া বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আব্দুর রাজ্জাক তার গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে মরদেহ ভাড়া বাসায় রেখে তিনি আত্মগোপনে চলে যান।
পিবিআই জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
পিবিআই জানায়, গত ১২ জুলাই রাত ১১টা ৪০ মিনিট থেকে ১৩ জুলাই রাত ১০টার মধ্যে যেকোনো সময় সাদিয়া আক্তারকে হত্যা করা হয়। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে শ্বাসরোধে হত্যার ধারণা করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. রিয়াজ মোল্লা বাদী হয়ে নিহতের স্বামী মো. ইব্রাহিম (২৭), তার বাবা মো. মহি উদ্দিন, মা মোছা. তাসলিমা বেগম এবং অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে ১৫ জুলাই সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পেনাল কোডের ৩০২/৩৪ ধারায় রুজু হয়।
পরে ১৬ জুলাই পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছেন পুলিশ উপ-পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. রিয়াজ উদ্দিন রনি।
তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্লেষণ ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ জুলাই রাতে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার কোনাপাড়া এলাকা থেকে এজাহারভুক্ত আসামি মো. ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২১ জুলাই বিকেলে ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার জিঞ্জিরা এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।
জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুর রাজ্জাক হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেন। পরে ২২ জুলাই তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
পিবিআইর তদন্ত ও আসামির জবানবন্দি অনুযায়ী, নিহত সাদিয়া আক্তারের সঙ্গে আব্দুর রাজ্জাকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে তারা সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি বাতানপাড়া এলাকায় স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে একটি ভাড়া বাসায় একসঙ্গে বসবাস করছিলেন।
তদন্তে জানা যায়, ১২ জুলাই সাদিয়া বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আব্দুর রাজ্জাক তার গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে মরদেহ ভাড়া বাসায় রেখে তিনি আত্মগোপনে চলে যান।
পিবিআই জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
