মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রসিকিউশন জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগে মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। একই সঙ্গে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো এবং জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে আবেদন করবে প্রসিকিউশন।
এর আগে গত ২১ জুলাই জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারির আবেদন করা হয়।
প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এদিকে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ফেনীতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য গত ২১ জুলাই দিন নির্ধারিত ছিল। তবে প্রসিকিউশন আরও দুই মাস সময়ের আবেদন করে। মোজাফফর হোসেনের সঙ্গে তার যোগসাজশের অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসায় আদালত নতুন কোনো তারিখ নির্ধারণ করেননি। এ কারণে তাকেও বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রসিকিউশন জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগে মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। একই সঙ্গে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো এবং জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে আবেদন করবে প্রসিকিউশন।
এর আগে গত ২১ জুলাই জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারির আবেদন করা হয়।
প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এদিকে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ফেনীতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য গত ২১ জুলাই দিন নির্ধারিত ছিল। তবে প্রসিকিউশন আরও দুই মাস সময়ের আবেদন করে। মোজাফফর হোসেনের সঙ্গে তার যোগসাজশের অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসায় আদালত নতুন কোনো তারিখ নির্ধারণ করেননি। এ কারণে তাকেও বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
