ATN
শিরোনাম
  •  

ভিডিও ফাঁসের জেরে চালককে হত্যাচেষ্টা: সাতক্ষীরার এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে মামলা

         
ভিডিও ফাঁসের জেরে চালককে হত্যাচেষ্টা: সাতক্ষীরার এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে মামলা

ভিডিও ফাঁসের জেরে চালককে হত্যাচেষ্টা: সাতক্ষীরার এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে মামলা

ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিজের সাবেক গাড়িচালককে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলার মুখে পড়েছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলাম। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে দল থেকেও বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর পল্লবী থানায় এমপি গাজী নজরুল ইসলামসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন তার সাবেক গাড়িচালক ওবায়দুর রহমান।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—আমিনুর রহমান, মাসুম বিল্লাহ, মুস্তাসিম বিল্লাহ ও রাকিবুল হাসান।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ওবায়দুর ওই এমপির ভাড়া করা গাড়ি চালাতেন এবং সম্পর্কে তিনি এমপির কথিত ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’র মামা।

হত্যার চেষ্টার অভিযোগ বাদী ওবায়দুরের অভিযোগ, গত ১৪ জুলাই কালশীতে তার বোনের বাসায় আসামিরা তাকে কৌশলে ডেকে নিয়ে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়। এ সময় তার মা ও বোন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

ওবায়দুরের দাবি, মগবাজারের একটি ফ্ল্যাটের কিছু ভিডিও প্রকাশের পেছনে তার হাত আছে—এমন সন্দেহে এমপি ক্ষুব্ধ হয়ে এই হামলার নির্দেশ দেন। এছাড়া তার ভাগনির সঙ্গে এমপির ‘অনৈতিক সম্পর্কের’ প্রতিবাদ করায় তাকে আগেও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি এজাহারে উল্লেখ করেন।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৭৪ বছর বয়সী এই সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত মুহূর্তের কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হলে গাজী নজরুল ইসলাম তার ফেসবুক আইডিতে জানান, ভিডিওর ওই তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়াম বেগম এবং প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ও পারিবারিকভাবেই তাদের বিয়ে হয়েছে। তবে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভ্যন্তরীণ তদন্তে ‘নৈতিক স্খলনের’ প্রমাণ পাওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এদিকে, মামলার আসামিদের মধ্যে আমিনুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে আজ বুধবার আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) এবং আগামী ২৮ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

গ্রেপ্তার আমিনুর পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পদে কর্মরত এবং তিনি মামলার বাদী ওবায়দুরের চাচাতো ভাই বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

এটিএন নিউজ / মা.ই.স
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট জাতীয় সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ