পঞ্চগড়ে হাসপাতালে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, রোগী গ্রেপ্তার
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ৫৬ বছর বয়সী এক রোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত মতিয়ার রহমান হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডের ১১ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
গত ১৬ জুলাই ভোরে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটলেও, বিষয়টি মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিষয়টি জানাজানি হলে সমালোচনা শুরু হয়। তবে ১৬ জুলাই পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা করে শিশুটির নানী। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মতিয়ার রহমান পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের নিতাইপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শিশুটি তার অসুস্থ নানাকে দেখতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হাসপাতালে যায়। সেদিন রাতে ওয়ার্ডের মেঝেতে ঘুমিয়ে ছিল। একই ওয়ার্ডের ১১ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন অভিযুক্ত মো. মতিয়ার রহমান (৫৭)। রাত আড়াইটার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটির নানিকে জানান যে, মেঝেতে থাকলে শিশুটির কষ্ট হবে, তাই তাকে যেন তার বেডে ঘুমানোর অনুমতি দেওয়া হয়। সরল বিশ্বাসে শিশুটির নানি নাতনিকে অভিযুক্ত মতিয়ার রহমানের বেডে ঘুমাতে পাঠান।
পরে ভোর ৪টার দিকে শিশুটির চিৎকারে ওয়ার্ডের অন্যান্য লোকজনের ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় শিশুটি কান্নাকাটি করতে করতে স্বজনদের কাছে অভিযোগ করে যে, অভিযুক্ত মতিয়ার রহমান তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়েছেন। পরে শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজনেরা বিষয়টি বুঝতে পারেন।
অভিযোগকারী বলেন, আমরা রোগী দেখতে হাসপাতালে যাই। ছোট্ট নাতনীটা হাসপাতালের একজন রোগীর কাছেও নিরাপদ না। আমরা এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মাসুদ বলেন, হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে এমন ঘটনা ঘটেছে শুনেছি। পরে শুনেছি এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এটিএন নিউজ / মা.ই.স
গত ১৬ জুলাই ভোরে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটলেও, বিষয়টি মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিষয়টি জানাজানি হলে সমালোচনা শুরু হয়। তবে ১৬ জুলাই পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা করে শিশুটির নানী। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মতিয়ার রহমান পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের নিতাইপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শিশুটি তার অসুস্থ নানাকে দেখতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হাসপাতালে যায়। সেদিন রাতে ওয়ার্ডের মেঝেতে ঘুমিয়ে ছিল। একই ওয়ার্ডের ১১ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন অভিযুক্ত মো. মতিয়ার রহমান (৫৭)। রাত আড়াইটার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটির নানিকে জানান যে, মেঝেতে থাকলে শিশুটির কষ্ট হবে, তাই তাকে যেন তার বেডে ঘুমানোর অনুমতি দেওয়া হয়। সরল বিশ্বাসে শিশুটির নানি নাতনিকে অভিযুক্ত মতিয়ার রহমানের বেডে ঘুমাতে পাঠান।
পরে ভোর ৪টার দিকে শিশুটির চিৎকারে ওয়ার্ডের অন্যান্য লোকজনের ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় শিশুটি কান্নাকাটি করতে করতে স্বজনদের কাছে অভিযোগ করে যে, অভিযুক্ত মতিয়ার রহমান তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়েছেন। পরে শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজনেরা বিষয়টি বুঝতে পারেন।
অভিযোগকারী বলেন, আমরা রোগী দেখতে হাসপাতালে যাই। ছোট্ট নাতনীটা হাসপাতালের একজন রোগীর কাছেও নিরাপদ না। আমরা এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মাসুদ বলেন, হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে এমন ঘটনা ঘটেছে শুনেছি। পরে শুনেছি এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এটিএন নিউজ / মা.ই.স
