রাজধানীর ভাটারা থানার নতুন বাজার এলাকার একটি বাসায় গ্যাসলাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে শিশুসহ এক পরিবারের তিনজন গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে নতুন বাজার ১০০ ফিট রোডের একটি ছয়তলা বাড়ির নিচতলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন- কাপড়ের দোকান কর্মচারী মো. শাহিন (২৪), তার স্ত্রী মোছা. ফাহিমা আক্তার (২১) ও ভাগ্নি আপছা (৮)।
হাসপাতালে নিয়ে আসা দগ্ধ শাহিনের সহকর্মী মো. জসিম জানিয়েছেন, পরিবার নিয়ে নতুন বাজার ১০০ ফিট রোডের একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলায় ভাড়া থাকতেন শাহিন। ভোরের দিকে জমে থাকা গ্যাস থেকে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। আগুন ছড়িয়ে পড়লে তারা তিনজনেই দগ্ধ হন। পরে সকালে তাদেরকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইউনিটে নিয়ে আসেন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তিনজনের মধ্যে শাহিনের শরীরের ৫০ শতাংশ, স্ত্রী ফাহিমার ৪৫ শতাংশ এবং শিশু আপছার ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
আজ মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে নতুন বাজার ১০০ ফিট রোডের একটি ছয়তলা বাড়ির নিচতলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন- কাপড়ের দোকান কর্মচারী মো. শাহিন (২৪), তার স্ত্রী মোছা. ফাহিমা আক্তার (২১) ও ভাগ্নি আপছা (৮)।
হাসপাতালে নিয়ে আসা দগ্ধ শাহিনের সহকর্মী মো. জসিম জানিয়েছেন, পরিবার নিয়ে নতুন বাজার ১০০ ফিট রোডের একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলায় ভাড়া থাকতেন শাহিন। ভোরের দিকে জমে থাকা গ্যাস থেকে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। আগুন ছড়িয়ে পড়লে তারা তিনজনেই দগ্ধ হন। পরে সকালে তাদেরকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইউনিটে নিয়ে আসেন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তিনজনের মধ্যে শাহিনের শরীরের ৫০ শতাংশ, স্ত্রী ফাহিমার ৪৫ শতাংশ এবং শিশু আপছার ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
