বান্দরবানে আত্মগোপনে থাকা ৩ আসামি গ্রেপ্তার
রাজধানীর গুলশান থানার বারিধারা কে-ব্লক এলাকায় ময়লার ডিপোকে কেন্দ্র করে সংঘটিত গুলির ঘটনায় পলাতক তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে র্যাব-১-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল, র্যাব-১৫-এর সহযোগিতায় বান্দরবান সদর উপজেলার আর্মিপাড়া এলাকার একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. হেলাল মিয়া (৪০), সৈয়দ এনামুল হক লাবু (৪৬) এবং মোশারফ হোসেন (৩৩)। তারা বান্দরবানের আর্মিপাড়া এলাকার একটি রিসোর্টে আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব জানায়, গত ১৯ জুলাই রাতে বারিধারা কে-ব্লক এলাকার একটি ময়লার ডিপোতে ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, কয়েকজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে এসে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এ সময় তৌহিদ (৩৮) নামে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় তৌহিদের বড় ভাই শহীদ মিয়া গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়।
ঘটনার পর র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, তিন আসামি বান্দরবানে আত্মগোপন করে আছেন। পরে র্যাব-১ ও র্যাব-১৫ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া মামলার বাকি আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে র্যাব-১-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল, র্যাব-১৫-এর সহযোগিতায় বান্দরবান সদর উপজেলার আর্মিপাড়া এলাকার একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. হেলাল মিয়া (৪০), সৈয়দ এনামুল হক লাবু (৪৬) এবং মোশারফ হোসেন (৩৩)। তারা বান্দরবানের আর্মিপাড়া এলাকার একটি রিসোর্টে আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব জানায়, গত ১৯ জুলাই রাতে বারিধারা কে-ব্লক এলাকার একটি ময়লার ডিপোতে ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, কয়েকজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে এসে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এ সময় তৌহিদ (৩৮) নামে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় তৌহিদের বড় ভাই শহীদ মিয়া গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়।
ঘটনার পর র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, তিন আসামি বান্দরবানে আত্মগোপন করে আছেন। পরে র্যাব-১ ও র্যাব-১৫ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া মামলার বাকি আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
