ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। সোমবার লন্ডনের ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি দেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনার প্রতিশ্রুতি দেন। গত এক দশকে তিনি দেশটির সপ্তম প্রধানমন্ত্রী।
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বার্নহ্যাম বলেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নেতৃত্বের ঘন ঘন পরিবর্তনের কারণে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ব্যর্থ হয়েছে ব্রিটেনের রাজনীতি। তিনি বলেন, প্রচলিত রাজনৈতিক ধারা থেকে বেরিয়ে এসে নতুন অর্থনৈতিক মডেল গড়ে তোলাই হবে তার সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
বার্নহ্যাম জানান, তাৎক্ষণিক কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি চলতি বছরের শেষ দিকে আগামী এক দশকের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে।
৫৬ বছর বয়সী সাবেক গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার প্রথম অগ্রাধিকার হবে রাস্তায় বসবাসকারী গৃহহীন মানুষের সমস্যা সমাধান করা। পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসন, দুর্বল জনসেবা ব্যবস্থা এবং ধীরগতির অর্থনীতির মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার কাজ করবে।
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে তিনি সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলিকে অর্থমন্ত্রী নিয়োগ দেন। সম্প্রতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছিলেন জন হিলি। সে সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, প্রতিরক্ষা খাতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না হওয়ায় দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
নতুন মন্ত্রিসভায় সাবেক অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভসসহ স্টারমারের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন মন্ত্রী স্থান পাননি। অন্যদিকে জ্বালানিমন্ত্রী ও লেবার পার্টির সাবেক নেতা এড মিলিব্যান্ডকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ আগের পদেই বহাল রয়েছেন।
বার্নহ্যাম বলেন, তিনি তার সরকারকে ‘ব্রিটেনের জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট’ হিসেবে গড়ে তুলতে চান। ২০১৬ সালের ব্রেক্সিটের পর থেকে যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে নতুন পথ অনুসরণ করা হবে।
তিনি আরও জানান, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে মঙ্গলবারই কিছু তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের অর্থায়ন পরিকল্পনাও তুলে ধরা হবে।
এর আগে বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান। তিনি নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সফলতা কামনা করেন এবং পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এদিকে দায়িত্ব গ্রহণের পর বার্নহ্যামের প্রথম আন্তর্জাতিক ফোনালাপ হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে। এ সময় তিনি ট্রাম্পকে ম্যানচেস্টর সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল নিরাপদ রাখতে যুক্তরাজ্যের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বার্নহ্যাম বলেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নেতৃত্বের ঘন ঘন পরিবর্তনের কারণে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ব্যর্থ হয়েছে ব্রিটেনের রাজনীতি। তিনি বলেন, প্রচলিত রাজনৈতিক ধারা থেকে বেরিয়ে এসে নতুন অর্থনৈতিক মডেল গড়ে তোলাই হবে তার সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
বার্নহ্যাম জানান, তাৎক্ষণিক কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি চলতি বছরের শেষ দিকে আগামী এক দশকের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে।
৫৬ বছর বয়সী সাবেক গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার প্রথম অগ্রাধিকার হবে রাস্তায় বসবাসকারী গৃহহীন মানুষের সমস্যা সমাধান করা। পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসন, দুর্বল জনসেবা ব্যবস্থা এবং ধীরগতির অর্থনীতির মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার কাজ করবে।
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে তিনি সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলিকে অর্থমন্ত্রী নিয়োগ দেন। সম্প্রতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছিলেন জন হিলি। সে সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, প্রতিরক্ষা খাতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না হওয়ায় দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
নতুন মন্ত্রিসভায় সাবেক অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভসসহ স্টারমারের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন মন্ত্রী স্থান পাননি। অন্যদিকে জ্বালানিমন্ত্রী ও লেবার পার্টির সাবেক নেতা এড মিলিব্যান্ডকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ আগের পদেই বহাল রয়েছেন।
বার্নহ্যাম বলেন, তিনি তার সরকারকে ‘ব্রিটেনের জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট’ হিসেবে গড়ে তুলতে চান। ২০১৬ সালের ব্রেক্সিটের পর থেকে যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে নতুন পথ অনুসরণ করা হবে।
তিনি আরও জানান, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে মঙ্গলবারই কিছু তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের অর্থায়ন পরিকল্পনাও তুলে ধরা হবে।
এর আগে বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান। তিনি নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সফলতা কামনা করেন এবং পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এদিকে দায়িত্ব গ্রহণের পর বার্নহ্যামের প্রথম আন্তর্জাতিক ফোনালাপ হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে। এ সময় তিনি ট্রাম্পকে ম্যানচেস্টর সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল নিরাপদ রাখতে যুক্তরাজ্যের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
