ভারতের সিকিম রাজ্যের নামচি জেলায় একটি নির্মাণাধীন টানেলে ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে টানেলের ভেতরে আরও প্রায় ২৭ জন শ্রমিক আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সোমবার বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় প্রশাসন জানায়, নামচি জেলার সামারদাং-ঝোলুঙ্গি এলাকায় নির্মাণাধীন টানেলের প্রবেশমুখে হঠাৎ ভূমিধস হয়। এতে টানেলের মুখ বন্ধ হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, টানেলের ভেতরে গ্যাস লিকের ঘটনাও ঘটেছে, যা উদ্ধার কার্যক্রমকে আরও জটিল করে তুলেছে।
জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় সাতজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ সিংতাম জেলা হাসপাতাল, গ্যাংটকের এসটিএনএম হাসপাতাল এবং নামচি জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নামচি জেলা প্রশাসক অনুপা তামলিং জানান, টানেলের ভেতরে প্রায় ২৭ জন শ্রমিক আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে টানেলের অভ্যন্তরের পরিস্থিতি সম্পর্কে এখনও পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ভেতরে ঠিক কতজন শ্রমিক রয়েছেন, তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) উদ্ধার অভিযান শেষে ফিরে এলে টানেলের ভেতরে আটকে থাকা শ্রমিকদের সংখ্যা ও তাদের অবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।
আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে ব্যাপক অভিযান চালানো হচ্ছে। উদ্ধারকাজে এনডিআরএফ, স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (এসডিআরএফ), সিকিম পুলিশ, ফায়ার অ্যান্ড ইমার্জেন্সি সার্ভিস, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং জেলা প্রশাসনের সদস্যরা অংশ নিয়েছেন।
সিকিম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য জানানো হবে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, টানেলের ভেতরে গ্যাস লিকের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দুর্ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
স্থানীয় প্রশাসন জানায়, নামচি জেলার সামারদাং-ঝোলুঙ্গি এলাকায় নির্মাণাধীন টানেলের প্রবেশমুখে হঠাৎ ভূমিধস হয়। এতে টানেলের মুখ বন্ধ হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, টানেলের ভেতরে গ্যাস লিকের ঘটনাও ঘটেছে, যা উদ্ধার কার্যক্রমকে আরও জটিল করে তুলেছে।
জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় সাতজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ সিংতাম জেলা হাসপাতাল, গ্যাংটকের এসটিএনএম হাসপাতাল এবং নামচি জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নামচি জেলা প্রশাসক অনুপা তামলিং জানান, টানেলের ভেতরে প্রায় ২৭ জন শ্রমিক আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে টানেলের অভ্যন্তরের পরিস্থিতি সম্পর্কে এখনও পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ভেতরে ঠিক কতজন শ্রমিক রয়েছেন, তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) উদ্ধার অভিযান শেষে ফিরে এলে টানেলের ভেতরে আটকে থাকা শ্রমিকদের সংখ্যা ও তাদের অবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।
আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে ব্যাপক অভিযান চালানো হচ্ছে। উদ্ধারকাজে এনডিআরএফ, স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (এসডিআরএফ), সিকিম পুলিশ, ফায়ার অ্যান্ড ইমার্জেন্সি সার্ভিস, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং জেলা প্রশাসনের সদস্যরা অংশ নিয়েছেন।
সিকিম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য জানানো হবে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, টানেলের ভেতরে গ্যাস লিকের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দুর্ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
