কুষ্টিয়ায় ছাত্রাবাসে ৪ দিন আটকে রেখে তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১
কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকার একটি ছাত্রাবাসে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক তরুণীকে চার দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও নির্যাতনের রোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২০ জুলাই) সকালে ওই নারী ছাত্রাবাস থেকে কৌশলে পালিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। রাস্তায় এসে তিনি সাহায্য চাইলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার লক্ষীখোলা গ্রামের বাসিন্দা রাফিউজ্জামান রবিন (২৪) প্রেমের সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে ২২ বছর বয়সী ওই নারীকে কৌশলে ছাত্রাবাসে নিয়ে আসেন। গত চার দিন ধরে রবিন ও তার সহযোগীরা ওই নারীকে সেখানে জিম্মি করে বহুতল ভবনের নিচতলায় অবস্থিত ছাত্রাবাসে রেখে দফায় দফায় শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করে। ভুক্তভোগী নারী একজন স্বামী পরিত্যক্তা এবং এক সন্তানের জননী।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ অনুযায়ী, তাকে কেবল নির্যাতনই করা হয়নি, বরং তার পরিচয় গোপন করার উদ্দেশ্যে অপরাধীরা তার ব্যাগে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়িয়ে ফেলেছে। ঘটনার পর থেকে ছাত্রাবাসের অন্য বাসিন্দারা পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইকবাল হোসেন জানান, ভুক্তভোগী নারীর ‘হিস্ট্রি অব সেক্সুয়াল অ্যাসল্ট’ থাকায় তাকে গাইনি ওয়ার্ডে রেখে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতব্বর জানান, এই ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত রাফিউজ্জামান রবিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত অন্যদের খুঁজে বের করতে পুলিশি তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।
এটিএন নিউজ / মা.ই.স
সোমবার (২০ জুলাই) সকালে ওই নারী ছাত্রাবাস থেকে কৌশলে পালিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। রাস্তায় এসে তিনি সাহায্য চাইলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার লক্ষীখোলা গ্রামের বাসিন্দা রাফিউজ্জামান রবিন (২৪) প্রেমের সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে ২২ বছর বয়সী ওই নারীকে কৌশলে ছাত্রাবাসে নিয়ে আসেন। গত চার দিন ধরে রবিন ও তার সহযোগীরা ওই নারীকে সেখানে জিম্মি করে বহুতল ভবনের নিচতলায় অবস্থিত ছাত্রাবাসে রেখে দফায় দফায় শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করে। ভুক্তভোগী নারী একজন স্বামী পরিত্যক্তা এবং এক সন্তানের জননী।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ অনুযায়ী, তাকে কেবল নির্যাতনই করা হয়নি, বরং তার পরিচয় গোপন করার উদ্দেশ্যে অপরাধীরা তার ব্যাগে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়িয়ে ফেলেছে। ঘটনার পর থেকে ছাত্রাবাসের অন্য বাসিন্দারা পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইকবাল হোসেন জানান, ভুক্তভোগী নারীর ‘হিস্ট্রি অব সেক্সুয়াল অ্যাসল্ট’ থাকায় তাকে গাইনি ওয়ার্ডে রেখে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতব্বর জানান, এই ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত রাফিউজ্জামান রবিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত অন্যদের খুঁজে বের করতে পুলিশি তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।
এটিএন নিউজ / মা.ই.স
