রেফারির শেষ বাঁশিতে যেন থেমে গেলো কোটি মানুষের হৃদস্পন্দন।! মেটলাইফ স্টেডিয়াম তখন আলো ঝলমলে। উল্লাসে ভাসছে স্পেনের খেলোয়াড়, কোচ, টিম অফিশিয়ালসরা।
অন্যদিকে, সবুজ ঘাসের বুকজুড়ে বসে আছেন একজন লিওনেল আন্দ্রেস মেসি। মুখে কোনো অভিযোগ নেই, নেই ক্ষোভের বিস্ফোরণ। আছে শুধু এক গভীর নীরবতা। সেই নীরবতায় যেন লুকিয়ে আছে একটি যুগের শেষ অধ্যায়।
সুযোগ ছিল ইতিহাসকে আরেকবার নিজের মতো করে লেখার। টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিতে নিজেকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিলো, যেখানে তুলনার ভাষাও হারিয়ে যায়। কিন্তু ফুটবল মাঝে মাঝেই সবচেয়ে সুন্দর গল্পগুলো অসমাপ্ত রেখে দেয়, অপূর্ণতার নীলে কিছুটা বিষাদ রাখে!
স্পেনের কাছে অতিরিক্ত সময়ের পরাজয়ে হয়তো শেষ হয়ে গেল মেসির বিশ্বকাপ-অভিযান। কিন্তু তার গল্প কি শেষ হলো? হয়তো না...
শেষ বাঁশির পর ক্যামেরা বারবার ফিরে গেছে এল এম টেনের মুখে। সেই দৃষ্টিতে কি অপূর্ণতার আক্ষেপ ছিলো? নাকি ছিলো কোটি আর্জেন্টাইন আর বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অগণিত সমর্থকের ভেঙ্গে যাওয়া স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি?
উত্তর হয়তো একমাত্র মেসিই জানেন। তবে এটুকু নিশ্চিত, এই পরাজয়ের বেদনায় তিনি একা নন। তার সঙ্গে কেঁদেছে একটি প্রজন্ম। কারণ মেসি শুধু একজন ফুটবলার নন; তিনি ফুটবলেরই সমার্থক!
রোজারিওর ক্ষুদে সেই বালককে একদিন বলা হয়েছিলো, তার শরীর নাকি বড় স্বপ্ন দেখার মতো নয়। অথচ সেই ছেলেটিই নিজের সীমাবদ্ধতাকে পায়ের নিচে ফেলে লিখেছেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য! তার ড্রিবলিং যেন রোমান্টিক কোন কবির কবিতা, তার পাস যেন শিল্প, আর গোলগুলো যেন নিখুঁত সুরের ঝঙ্কার।
শিরোপা একজন চ্যাম্পিয়নকে বড় করে, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয় কিংবদন্তিরা। মেসি সেই বিরল কয়েকজনের একজন, যাদের পরিচয় কোনো ট্রফির সংখ্যায় আটকে থাকেনা। বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি একবার, দু'বার কিংবা একাধিকবার জেতা ইতিহাসের অংশ হতে পারে; কিন্তু কোটি মানুষের ভালোবাসা জিতে নেয়া; সেটি যে অমরত্ব।
সময় বদলাবে। নতুন নক্ষত্র উঠবে। লামিন ইয়ামাল, নিকো উইলয়ামস, ভিনিসিউশ, অলিসে, এমবাপ্পে, হালান্ড কিংবা আরও কেউ লিখবেন আগামী দিনের গল্প। নতুন রেকর্ড হবে, নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আসবে। কিন্তু ফুটবলের ইতিহাসে একটি নাম সবসময় আলাদা আলোয় জ্বলবে—লিওনেল মেসি।
আমাদের প্রজন্মের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য, আমরা শুধু তার গল্প শুনিনি, আমরা তাকে দেখেছি। দেখেছি কীভাবে রোজারিওর এক ক্ষুদে বিস্ময় বালক নিজের ভাঙাচোরা স্বপ্ন জোড়া লাগিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর খেলাটিকে আরও সুন্দর করে তুলেছিলেন।
বিশ্বকাপ হয়তো এবার তাকে বিদায় জানালো। কিন্তু ফুটবল কোনোদিন মেসিকে বিদায় জানাতে পারবে না। কারণ কিংবদন্তিরা মাঠ ছাড়েন, ইতিহাস নয়।
সম্রাট আনোয়ার, সিনিয়র রিপোর্টার, এটিএন নিউজ।
অন্যদিকে, সবুজ ঘাসের বুকজুড়ে বসে আছেন একজন লিওনেল আন্দ্রেস মেসি। মুখে কোনো অভিযোগ নেই, নেই ক্ষোভের বিস্ফোরণ। আছে শুধু এক গভীর নীরবতা। সেই নীরবতায় যেন লুকিয়ে আছে একটি যুগের শেষ অধ্যায়।
সুযোগ ছিল ইতিহাসকে আরেকবার নিজের মতো করে লেখার। টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিতে নিজেকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিলো, যেখানে তুলনার ভাষাও হারিয়ে যায়। কিন্তু ফুটবল মাঝে মাঝেই সবচেয়ে সুন্দর গল্পগুলো অসমাপ্ত রেখে দেয়, অপূর্ণতার নীলে কিছুটা বিষাদ রাখে!
স্পেনের কাছে অতিরিক্ত সময়ের পরাজয়ে হয়তো শেষ হয়ে গেল মেসির বিশ্বকাপ-অভিযান। কিন্তু তার গল্প কি শেষ হলো? হয়তো না...
শেষ বাঁশির পর ক্যামেরা বারবার ফিরে গেছে এল এম টেনের মুখে। সেই দৃষ্টিতে কি অপূর্ণতার আক্ষেপ ছিলো? নাকি ছিলো কোটি আর্জেন্টাইন আর বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অগণিত সমর্থকের ভেঙ্গে যাওয়া স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি?
উত্তর হয়তো একমাত্র মেসিই জানেন। তবে এটুকু নিশ্চিত, এই পরাজয়ের বেদনায় তিনি একা নন। তার সঙ্গে কেঁদেছে একটি প্রজন্ম। কারণ মেসি শুধু একজন ফুটবলার নন; তিনি ফুটবলেরই সমার্থক!
রোজারিওর ক্ষুদে সেই বালককে একদিন বলা হয়েছিলো, তার শরীর নাকি বড় স্বপ্ন দেখার মতো নয়। অথচ সেই ছেলেটিই নিজের সীমাবদ্ধতাকে পায়ের নিচে ফেলে লিখেছেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য! তার ড্রিবলিং যেন রোমান্টিক কোন কবির কবিতা, তার পাস যেন শিল্প, আর গোলগুলো যেন নিখুঁত সুরের ঝঙ্কার।
শিরোপা একজন চ্যাম্পিয়নকে বড় করে, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয় কিংবদন্তিরা। মেসি সেই বিরল কয়েকজনের একজন, যাদের পরিচয় কোনো ট্রফির সংখ্যায় আটকে থাকেনা। বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি একবার, দু'বার কিংবা একাধিকবার জেতা ইতিহাসের অংশ হতে পারে; কিন্তু কোটি মানুষের ভালোবাসা জিতে নেয়া; সেটি যে অমরত্ব।
সময় বদলাবে। নতুন নক্ষত্র উঠবে। লামিন ইয়ামাল, নিকো উইলয়ামস, ভিনিসিউশ, অলিসে, এমবাপ্পে, হালান্ড কিংবা আরও কেউ লিখবেন আগামী দিনের গল্প। নতুন রেকর্ড হবে, নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আসবে। কিন্তু ফুটবলের ইতিহাসে একটি নাম সবসময় আলাদা আলোয় জ্বলবে—লিওনেল মেসি।
আমাদের প্রজন্মের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য, আমরা শুধু তার গল্প শুনিনি, আমরা তাকে দেখেছি। দেখেছি কীভাবে রোজারিওর এক ক্ষুদে বিস্ময় বালক নিজের ভাঙাচোরা স্বপ্ন জোড়া লাগিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর খেলাটিকে আরও সুন্দর করে তুলেছিলেন।
বিশ্বকাপ হয়তো এবার তাকে বিদায় জানালো। কিন্তু ফুটবল কোনোদিন মেসিকে বিদায় জানাতে পারবে না। কারণ কিংবদন্তিরা মাঠ ছাড়েন, ইতিহাস নয়।
সম্রাট আনোয়ার, সিনিয়র রিপোর্টার, এটিএন নিউজ।
