বিশ্বকাপ জিতে কেঁদেছিলেন মেসি , শেষটাও হল কান্না দিয়েই!
ম্যাচ শেষে টেলিভিশন ক্যামেরায় বারবার দেখাচ্ছিল লিওনেল মেসিকে। চোখে জল। চেহারায় রাজ্যের হতাশা। সত্যি বলতে বিশ্বকাপ ফাইনালে মনে রাখার মতো কিছুই করতে পারলেন না হেরে মাঠ ছাড়তে হল তাকে। মেসিকে এই ম্যাচে যতটা সম্ভব বল থেকে দূরে রাখার পরিকল্পনাই যেন করেছিল স্পেন। সেটি বাস্তবায়নেও সফল হয়েছে ইউরোপের দলটি। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক পুরো ম্যাচে মাত্র ৫৪ বার বল স্পর্শ করেছেন। সবচেয়ে বিস্ময়কর তথ্য, ৯০ মিনিটে একবারও স্পেনের পেনাল্টি বক্সে বল নিয়ে ঢুকতে পারেননি তিনি।
শেষটা তাই মোটেও সুখের হল না। আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে শেষ করতে পারলেন না মেসি। চার বছর আগে বিশ্বকাপ জিতে কেঁদেছিলেন। এ বার ফাইনালে উঠে অনেক ক্ষণ চেষ্টা করেছিলেন নিজের আবেগ ধরে রাখতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারলেন না। কেঁদে ফেললেন। ফাইনালে হতাশ করলেন মেসি। মনে রাখার মতো কিছু করতে পারেননি। শেষ মুহূর্তে একটি শট ও কর্নার থেকে কয়েকটি সুযোগ তৈরি করা ছাড়া। গোটা ম্যাচে তাঁকে আটকে রাখল স্পেনের রক্ষণ।
চার বছর আগে কাতারে বিশ্বকাপ জিতে কেঁদেছিলেন। স্বপ্ন পূরণের পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। প্রথম বার বিশ্বজয়ের আনন্দে চোখের জল বেরিয়েছিল। কিন্তু এ বার অনেক পরিণত তিনি। ট্রফির স্বাদ পেয়ে গিয়েছেন। সেই জন্যই হয়তো শুরুতে নির্লিপ্ত দেখাচ্ছিল মেসিকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না। নতুন বিশ্বসেরা স্পেন! আর্জেন্টিনাকে দাপটে হারিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ, ফাইনালে খুঁজেই পাওয়া গেল না মেসিকে, দাঁড়াতেই পারল না দল।
রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর পর কিছু ক্ষণ মাঠে দাঁড়িয়ে ছিলেন। কোমরে হাত দিয়ে চার দিকে তাকাচ্ছিলেন। মাঠে আর্জেন্টিনার সমর্থকেরাই বেশি ছিলেন। তাঁদের দেখছিলেন হয়তো। কয়েক জন সতীর্থ জড়িয়ে ধরলেন। তারপর হাত, পা ছড়িয়ে মাঠেই বসে পড়লেন। মেসিকে দেখে এগিয়ে এলেন লামিন ইয়ামাল। ফাইনালের আগে যে দু’জনের লড়াইয়ের কথা হচ্ছিল। এই ম্যাচে মেসিকে ছাপিয়ে গেলেন ইয়ামাল। কিন্তু শেষ বেলায় মেসিকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিলেন তিনি। ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ালেন মেসি। সতীর্থদের সঙ্গে মাঠে ঘুরলেন। সমর্থকদের ধন্যবাদ জানালেন। তার পর পুরস্কার মঞ্চের কাছে গিয়ে দাঁড়ালেন।
মেসিকে দেখে মনে হচ্ছিল, যত তাড়াতাড়ি সাজঘরে ফিরতে পারবেন তত ভাল। মাঠে থাকতেও আর ইচ্ছা করছিল না তাঁর। কিন্তু তখনই মেসির নামে জয়ধ্বনি উঠল মাঠে। সমর্থকেরা তাঁদের প্রিয় তারকাকে ধন্যবাদ জানালেন। সেই জয়ধ্বনি শুনে আর আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না মেসি। আবারও কেঁদে ফেললেন।
এর পর যে আর মেসি বিশ্বকাপ খেলবেন না তা পরিষ্কার। কিন্তু আর্জেন্টিনার জার্সিতে কি আর দেখা যাবে তাঁকে? হয়তো না। এই বিশ্বকাপ খেলার জন্যই তিনি ছিলেন। শেষ বার দেশকে জেতানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পারলেন না। কান্না দিয়েই শেষ হল তাঁর বিশ্বকাপ। সম্ভবত আন্তর্জাতিক কেরিয়ারও। কাঁদতে কাঁদতেই মাথা নিচু করে টানেল দিয়ে বেরিয়ে গেলেন তিনি। এক কিংবদন্তির এমন বিদায় সত্যিই মেনে নেওয়া কঠিন আর্জেন্টিনার সমর্থকদের জন্য।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
শেষটা তাই মোটেও সুখের হল না। আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে শেষ করতে পারলেন না মেসি। চার বছর আগে বিশ্বকাপ জিতে কেঁদেছিলেন। এ বার ফাইনালে উঠে অনেক ক্ষণ চেষ্টা করেছিলেন নিজের আবেগ ধরে রাখতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারলেন না। কেঁদে ফেললেন। ফাইনালে হতাশ করলেন মেসি। মনে রাখার মতো কিছু করতে পারেননি। শেষ মুহূর্তে একটি শট ও কর্নার থেকে কয়েকটি সুযোগ তৈরি করা ছাড়া। গোটা ম্যাচে তাঁকে আটকে রাখল স্পেনের রক্ষণ।
চার বছর আগে কাতারে বিশ্বকাপ জিতে কেঁদেছিলেন। স্বপ্ন পূরণের পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। প্রথম বার বিশ্বজয়ের আনন্দে চোখের জল বেরিয়েছিল। কিন্তু এ বার অনেক পরিণত তিনি। ট্রফির স্বাদ পেয়ে গিয়েছেন। সেই জন্যই হয়তো শুরুতে নির্লিপ্ত দেখাচ্ছিল মেসিকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না। নতুন বিশ্বসেরা স্পেন! আর্জেন্টিনাকে দাপটে হারিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ, ফাইনালে খুঁজেই পাওয়া গেল না মেসিকে, দাঁড়াতেই পারল না দল।
রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর পর কিছু ক্ষণ মাঠে দাঁড়িয়ে ছিলেন। কোমরে হাত দিয়ে চার দিকে তাকাচ্ছিলেন। মাঠে আর্জেন্টিনার সমর্থকেরাই বেশি ছিলেন। তাঁদের দেখছিলেন হয়তো। কয়েক জন সতীর্থ জড়িয়ে ধরলেন। তারপর হাত, পা ছড়িয়ে মাঠেই বসে পড়লেন। মেসিকে দেখে এগিয়ে এলেন লামিন ইয়ামাল। ফাইনালের আগে যে দু’জনের লড়াইয়ের কথা হচ্ছিল। এই ম্যাচে মেসিকে ছাপিয়ে গেলেন ইয়ামাল। কিন্তু শেষ বেলায় মেসিকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিলেন তিনি। ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ালেন মেসি। সতীর্থদের সঙ্গে মাঠে ঘুরলেন। সমর্থকদের ধন্যবাদ জানালেন। তার পর পুরস্কার মঞ্চের কাছে গিয়ে দাঁড়ালেন।
মেসিকে দেখে মনে হচ্ছিল, যত তাড়াতাড়ি সাজঘরে ফিরতে পারবেন তত ভাল। মাঠে থাকতেও আর ইচ্ছা করছিল না তাঁর। কিন্তু তখনই মেসির নামে জয়ধ্বনি উঠল মাঠে। সমর্থকেরা তাঁদের প্রিয় তারকাকে ধন্যবাদ জানালেন। সেই জয়ধ্বনি শুনে আর আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না মেসি। আবারও কেঁদে ফেললেন।
এর পর যে আর মেসি বিশ্বকাপ খেলবেন না তা পরিষ্কার। কিন্তু আর্জেন্টিনার জার্সিতে কি আর দেখা যাবে তাঁকে? হয়তো না। এই বিশ্বকাপ খেলার জন্যই তিনি ছিলেন। শেষ বার দেশকে জেতানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পারলেন না। কান্না দিয়েই শেষ হল তাঁর বিশ্বকাপ। সম্ভবত আন্তর্জাতিক কেরিয়ারও। কাঁদতে কাঁদতেই মাথা নিচু করে টানেল দিয়ে বেরিয়ে গেলেন তিনি। এক কিংবদন্তির এমন বিদায় সত্যিই মেনে নেওয়া কঠিন আর্জেন্টিনার সমর্থকদের জন্য।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
