৬০ বছরের ইতিহাসে রেকর্ড গড়েও নিঃসঙ্গ শেরপা এমিলিয়ানো মার্তিনেজ
ম্যাচের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের বল জালে জড়াতেই হতাশা ছুঁয়ে গেল এমিলিয়ানো মার্তিনেজের চোখে মুখে। পুরো ম্যাচে একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করেও যেন শেষ সময়ে আর পারলেন না। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে স্পেনের একের পর এক আক্রমণ রুখে দিতে মার্তিনেজ মোট ১০টি দুর্দান্ত সেভ করেছেন। এর মধ্যে ম্যাচের ৮৭তম মিনিটে ৮ম সেভটি করার মাধ্যমে তিনি ১৯৬৬ সালের পর পুরুষ বিশ্বকাপ ফাইনালে কোনো গোলরক্ষকের যৌথ সর্বোচ্চ সেভের বিশ্বরেকর্ড স্পর্শ করেন।
বিশ্বকাপটা জেতা হলো না আর্জেন্টিনার। জেতা হয়নি গোল্ডেন গ্লাভসও। তারই চোখের সামনে দিয়ে এই পুরস্কার নিয়ে গেলেন স্পেন গোলরক্ষক উনাই সিমোন। অথচ পুরো ম্যাচে যেন নিঃসঙ্গ শেরপা হয়ে স্পেনের ফরোয়ার্ডদের আক্রমণ সামলিয়েছেন এমি মার্তিনেজ। ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেনের ফরোয়ার্ডরা আতঙ্ক ছাড়িয়েছেন বক্সে। ৫ম মিনিটে লামিনে ইয়ামালের বিপজ্জনক শট, পরবর্তীতে দানি ওলমোর দূরপাল্লার শট, ফেরান তোরেসের হেড এবং অ্যালেক্স বায়েনার আক্রমণগুলো মার্তিনেজ দারুণ দক্ষতায় সেভ করেন।
সবচেয়ে বড় কথা এমি মার্তিনেজ তাঁর ডান হাতের আঙুলে চিড় এবং তীব্র ব্যথা নিয়ে পুরো বিশ্বকাপসহ এই ফাইনাল ম্যাচটি খেলছেন। দলের প্রয়োজনে অস্ত্রোপচার না করিয়ে এই অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করেই তিনি ছিলেন মাঠের সেরা পারফর্মার। এমনকি অতিরিক্ত সময়ের শুরুতে এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে আর্জেন্টিনা ১০ জনের দলে পরিণত হয়। এই চরম বিপর্যয়ের মুহূর্তেও রক্ষণভাগের মূল প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন মার্তিনেজ।
ফুটবল মাঝে মাঝে বড্ড নিষ্ঠুর। ১০টি অতিমানবীয় সেভ কিংবা ভাঙা আঙুল নিয়ে রক্তক্ষয়ী লড়াই—কোনো কিছুই যথেষ্ট হলো না আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ের জন্য। বিশ্বকাপের ট্রফিটা স্পেনের ড্রেসিংরুমে যাচ্ছে, কিন্তু এই ফাইনালটা স্পেনের জয়ের চেয়েও বেশি মনে রাখা হবে এমি মার্তিনেজের এক মহাকাব্যিক হারের গল্প হিসেবে। ভাগ্য হয়তো আর্জেন্টিনার দিকে তাকাননি, তবে মার্তিনেজ প্রমাণ করেছেন—হেরে গিয়েও কীভাবে অমর হয়ে থাকা যায়।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
বিশ্বকাপটা জেতা হলো না আর্জেন্টিনার। জেতা হয়নি গোল্ডেন গ্লাভসও। তারই চোখের সামনে দিয়ে এই পুরস্কার নিয়ে গেলেন স্পেন গোলরক্ষক উনাই সিমোন। অথচ পুরো ম্যাচে যেন নিঃসঙ্গ শেরপা হয়ে স্পেনের ফরোয়ার্ডদের আক্রমণ সামলিয়েছেন এমি মার্তিনেজ। ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেনের ফরোয়ার্ডরা আতঙ্ক ছাড়িয়েছেন বক্সে। ৫ম মিনিটে লামিনে ইয়ামালের বিপজ্জনক শট, পরবর্তীতে দানি ওলমোর দূরপাল্লার শট, ফেরান তোরেসের হেড এবং অ্যালেক্স বায়েনার আক্রমণগুলো মার্তিনেজ দারুণ দক্ষতায় সেভ করেন।
সবচেয়ে বড় কথা এমি মার্তিনেজ তাঁর ডান হাতের আঙুলে চিড় এবং তীব্র ব্যথা নিয়ে পুরো বিশ্বকাপসহ এই ফাইনাল ম্যাচটি খেলছেন। দলের প্রয়োজনে অস্ত্রোপচার না করিয়ে এই অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করেই তিনি ছিলেন মাঠের সেরা পারফর্মার। এমনকি অতিরিক্ত সময়ের শুরুতে এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে আর্জেন্টিনা ১০ জনের দলে পরিণত হয়। এই চরম বিপর্যয়ের মুহূর্তেও রক্ষণভাগের মূল প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন মার্তিনেজ।
ফুটবল মাঝে মাঝে বড্ড নিষ্ঠুর। ১০টি অতিমানবীয় সেভ কিংবা ভাঙা আঙুল নিয়ে রক্তক্ষয়ী লড়াই—কোনো কিছুই যথেষ্ট হলো না আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ের জন্য। বিশ্বকাপের ট্রফিটা স্পেনের ড্রেসিংরুমে যাচ্ছে, কিন্তু এই ফাইনালটা স্পেনের জয়ের চেয়েও বেশি মনে রাখা হবে এমি মার্তিনেজের এক মহাকাব্যিক হারের গল্প হিসেবে। ভাগ্য হয়তো আর্জেন্টিনার দিকে তাকাননি, তবে মার্তিনেজ প্রমাণ করেছেন—হেরে গিয়েও কীভাবে অমর হয়ে থাকা যায়।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
