পরাজয় ঠেকাতে যথেষ্ট হলো না মার্টিনেজের দুর্দান্ত লড়াইও
একা লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত দলকে শিরোপা এনে দিতে পারলেন না এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। ভাঙা অনামিকা নিয়েই পুরো বিশ্বকাপ খেলেছেন আর্জেন্টিনার এই গোলরক্ষক। ইনজুরির যন্ত্রণা উপেক্ষা করে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে একের পর এক দুর্দান্ত সেভে স্পেনকে আটকে রাখলেও শেষ রক্ষা হয়নি। অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জিতে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নেয় স্পেন।
ফাইনালে আর্জেন্টিনার একাদশে তিনটি পরিবর্তন আনেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। শুরু থেকেই মাঠে নামানো হয় রদ্রিগো দে পলকে। তবে ম্যাচের শুরু থেকেই লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যদের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে চাপে পড়ে যায় আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধেই একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি করে স্পেন, কিন্তু এমিলিয়ানো মার্টিনেজের অসাধারণ গোলরক্ষণের কারণে গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় প্রথম ৪৫ মিনিট।
দ্বিতীয়ার্ধেও স্পেনের আক্রমণের মুখে দুর্ভেদ্য প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন মার্টিনেজ। একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে তিনি বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে সর্বাধিক সেভের নতুন রেকর্ড গড়েন। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় যখন এনজো ফার্নান্দেজ দুটি হলুদ কার্ড দেখে লাল কার্ডে মাঠ ছাড়েন। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পরও দৃঢ় রক্ষণে স্পেনকে নির্ধারিত সময়ে গোল করতে দেয়নি আর্জেন্টিনা। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আসে ম্যাচের একমাত্র গোল। বক্সের ভেতরে হেড করার সুযোগ পেয়েও নিজে শট না নিয়ে নিকো উইলিয়ামস ব্যাকহেডে বল বাড়িয়ে দেন ফেরান তোরেসের উদ্দেশে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে কাঙ্ক্ষিত লিড এনে দেন তোরেস।
গোল হজমের পর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা। শেষ মুহূর্তে লিওনেল মেসির একটি ক্রস থেকেও গোলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। তবে অল্পের জন্য সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়। শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ১-০ গোলের জয়ে ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের ট্রফি উঁচিয়ে ধরে স্পেন।
ম্যাচ শেষে হৃদয়ছোঁয়া এক দৃশ্য ধরা পড়ে মাঠে। স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল এগিয়ে গিয়ে আলিঙ্গন করেন তার আদর্শ লিওনেল মেসিকে। বিশ্বকাপ ফাইনালের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তগুলোর একটি হয়ে থাকবে সেই দৃশ্য।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
ফাইনালে আর্জেন্টিনার একাদশে তিনটি পরিবর্তন আনেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। শুরু থেকেই মাঠে নামানো হয় রদ্রিগো দে পলকে। তবে ম্যাচের শুরু থেকেই লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যদের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে চাপে পড়ে যায় আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধেই একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি করে স্পেন, কিন্তু এমিলিয়ানো মার্টিনেজের অসাধারণ গোলরক্ষণের কারণে গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় প্রথম ৪৫ মিনিট।
দ্বিতীয়ার্ধেও স্পেনের আক্রমণের মুখে দুর্ভেদ্য প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন মার্টিনেজ। একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে তিনি বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে সর্বাধিক সেভের নতুন রেকর্ড গড়েন। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় যখন এনজো ফার্নান্দেজ দুটি হলুদ কার্ড দেখে লাল কার্ডে মাঠ ছাড়েন। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পরও দৃঢ় রক্ষণে স্পেনকে নির্ধারিত সময়ে গোল করতে দেয়নি আর্জেন্টিনা। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আসে ম্যাচের একমাত্র গোল। বক্সের ভেতরে হেড করার সুযোগ পেয়েও নিজে শট না নিয়ে নিকো উইলিয়ামস ব্যাকহেডে বল বাড়িয়ে দেন ফেরান তোরেসের উদ্দেশে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে কাঙ্ক্ষিত লিড এনে দেন তোরেস।
গোল হজমের পর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা। শেষ মুহূর্তে লিওনেল মেসির একটি ক্রস থেকেও গোলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। তবে অল্পের জন্য সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়। শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ১-০ গোলের জয়ে ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের ট্রফি উঁচিয়ে ধরে স্পেন।
ম্যাচ শেষে হৃদয়ছোঁয়া এক দৃশ্য ধরা পড়ে মাঠে। স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল এগিয়ে গিয়ে আলিঙ্গন করেন তার আদর্শ লিওনেল মেসিকে। বিশ্বকাপ ফাইনালের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তগুলোর একটি হয়ে থাকবে সেই দৃশ্য।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
