টম ক্রুজ, বিটিএস, শাকিরার জাদুতে বিশ্বকাপের রঙিন সমাপ্তি
নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়াম যখন উত্তাল সাগর, তখন ফিফা বিশ্বকাপের সমাপনী আয়োজনের শুরুটা যেনো শান্ত দীঘি। সমাপনীর শুরুটা ছিলো কিছুটা ধীরে। হতাশ দর্শকদের মাঝে উচ্ছ্বাস ফেরানো যখন মিশন ইম্পসিবল, তখনই মাঠে আসলেন হলিউড হার্ট-থ্রব 'টম ক্রুজ'। মুহূর্তেই পুরো স্টেডিয়াম হয়ে উঠে সিনেপ্লেক্স গ্যালারি। করতালিতে মুখর, উচ্ছ্বসিত ফুটবল প্রেমিরা।
শুরুর দিকে মাঠের মাঝখানে ফুটবল আকৃতির বিশাল একটি মঞ্চ, কিছুটা হয়তো বে-খাপ্পা ঠেকেছে। তবে আকর্ষণ বাড়িয়েছে চারপাশের নিউ ইয়র্কের বিখ্যাত স্থাপনার নকশা। শুরুতে গ্যালারির অনেক খালি আসন, উৎসবের ঘাটতি বাড়িয়েছে। সম্প্রচার কর্মীদের কৌশলী ক্যামেরা অ্যাঙ্গেলেও সেই শূন্যতা পূরণ হয়নি। সমাপনী আয়োজনের ম্রিয়মাণ অবস্থা পাল্টাতে শুরু করে জনপ্রিয় আমেরিকান স্ট্রিমার আইশোস্পিড মঞ্চে ওঠার পর। নিজের পরিচিত গানগুলোর সঙ্গে দারুণ উদ্দীপনায় পারফর্ম করেন তিনি। গানগুলো রেকর্ড করা ট্র্যাকের হলেও দর্শকদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল প্রাণবন্ত। মুহূর্তেই স্টেডিয়ামে ছড়িয়ে পড়ে উচ্ছ্বাস।
এরপর যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন অস্কার জয়ী শিল্পী জেনিফার হাডসন। ততক্ষণে স্টেডিয়াম প্রায় পূর্ণ। উৎসবের আবহও জমে ওঠে। এরপর রব্বি উইলিয়ামস, লরা পাউসিনি ও নিকোল শেরজিঙ্গার একসঙ্গে পরিবেশন করেন ফিফার থিম সং ‘ডিজায়ার’। ৪৮টি অংশগ্রহণকারী দেশের পতাকা, আলো আর আতশবাজিতে রঙিন হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম।
সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তটি আসে টম ক্রুজের মুখ জায়ান্ট স্ক্রিনে ভেসে ওঠার পর। কালো পোলো শার্ট পরে একাই মাঠে প্রবেশ করেন হলিউডের এই তারকা। তাঁর ভাষায় ফুটবল 'একটি সার্বজনীন ভাষা’।
তিনি বলেন, ‘ফুটবল এমন এক ভাষা, যা বর্ণ-শব্দের ব্যবহার ছাড়াই মানুষকে জুড়ে দিতে পারে। তার মন্তব্য আমরা সবাই সার্বজনীন এই আনন্দের অংশ।
এরপর স্প্যানিশ ভাষায় দুই ফাইনালিস্ট দলের নাম উচ্চারণ করেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে করতালিতে ফেটে পড়ে পুরো স্টেডিয়াম।
শুরুর কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও শেষের পারফরম্যান্স পুরো অনুষ্ঠানকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। টম ক্রুজের উপস্থিতি ছিল সেই আয়োজনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। তবে ফিফা চমক রেখেছিলো প্রথমার্ধের বিরতিতেও। ইতিহাসে প্রথম 'হাফটাইম-শো' মাতিয়েছেন পপ সম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা আর বিশ্বকাপ মানেই যার গান, সেই লাতিন পপ কুইন শাকিরা। এর সঙ্গে তারুণ্য মাতায় কোরিয়ান পপ সেন-সেশন টিম-বিটিএস শিল্পীরা। ছিলেন জাস্টিন বিবার ও আফ্রোবিট তারকা বার্না বয়। বিশ্বখ্যাত কন্ডাক্টর গুস্তাভো দুদামেলের পরিচালনায় অর্কেস্ট্রা পারফর্ম্যান্স ১৫ মিনিটের বিরতি ১৭ মিনিটেও অনুষ্ঠানটি ঝুলে যেতে দেয়নি। পাশাপাশি ছোটদের বিনোদনের মঞ্চে হাজির হয়েছে ‘সেসামি স্ট্রিট’ ও ‘দ্য মাপেটস’-এর জনপ্রিয় চরিত্রগুলো। সব মিলিয়ে নজিরবিহীন সাংস্কৃতিক এ মেলবন্ধনে নিজের মান রাখলো 'গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ'।
রিপোর্ট: :আরাফাত সিদ্দিকী / মা.ই.স
শুরুর দিকে মাঠের মাঝখানে ফুটবল আকৃতির বিশাল একটি মঞ্চ, কিছুটা হয়তো বে-খাপ্পা ঠেকেছে। তবে আকর্ষণ বাড়িয়েছে চারপাশের নিউ ইয়র্কের বিখ্যাত স্থাপনার নকশা। শুরুতে গ্যালারির অনেক খালি আসন, উৎসবের ঘাটতি বাড়িয়েছে। সম্প্রচার কর্মীদের কৌশলী ক্যামেরা অ্যাঙ্গেলেও সেই শূন্যতা পূরণ হয়নি। সমাপনী আয়োজনের ম্রিয়মাণ অবস্থা পাল্টাতে শুরু করে জনপ্রিয় আমেরিকান স্ট্রিমার আইশোস্পিড মঞ্চে ওঠার পর। নিজের পরিচিত গানগুলোর সঙ্গে দারুণ উদ্দীপনায় পারফর্ম করেন তিনি। গানগুলো রেকর্ড করা ট্র্যাকের হলেও দর্শকদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল প্রাণবন্ত। মুহূর্তেই স্টেডিয়ামে ছড়িয়ে পড়ে উচ্ছ্বাস।
এরপর যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন অস্কার জয়ী শিল্পী জেনিফার হাডসন। ততক্ষণে স্টেডিয়াম প্রায় পূর্ণ। উৎসবের আবহও জমে ওঠে। এরপর রব্বি উইলিয়ামস, লরা পাউসিনি ও নিকোল শেরজিঙ্গার একসঙ্গে পরিবেশন করেন ফিফার থিম সং ‘ডিজায়ার’। ৪৮টি অংশগ্রহণকারী দেশের পতাকা, আলো আর আতশবাজিতে রঙিন হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম।
সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তটি আসে টম ক্রুজের মুখ জায়ান্ট স্ক্রিনে ভেসে ওঠার পর। কালো পোলো শার্ট পরে একাই মাঠে প্রবেশ করেন হলিউডের এই তারকা। তাঁর ভাষায় ফুটবল 'একটি সার্বজনীন ভাষা’।
তিনি বলেন, ‘ফুটবল এমন এক ভাষা, যা বর্ণ-শব্দের ব্যবহার ছাড়াই মানুষকে জুড়ে দিতে পারে। তার মন্তব্য আমরা সবাই সার্বজনীন এই আনন্দের অংশ।
এরপর স্প্যানিশ ভাষায় দুই ফাইনালিস্ট দলের নাম উচ্চারণ করেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে করতালিতে ফেটে পড়ে পুরো স্টেডিয়াম।
শুরুর কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও শেষের পারফরম্যান্স পুরো অনুষ্ঠানকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। টম ক্রুজের উপস্থিতি ছিল সেই আয়োজনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। তবে ফিফা চমক রেখেছিলো প্রথমার্ধের বিরতিতেও। ইতিহাসে প্রথম 'হাফটাইম-শো' মাতিয়েছেন পপ সম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা আর বিশ্বকাপ মানেই যার গান, সেই লাতিন পপ কুইন শাকিরা। এর সঙ্গে তারুণ্য মাতায় কোরিয়ান পপ সেন-সেশন টিম-বিটিএস শিল্পীরা। ছিলেন জাস্টিন বিবার ও আফ্রোবিট তারকা বার্না বয়। বিশ্বখ্যাত কন্ডাক্টর গুস্তাভো দুদামেলের পরিচালনায় অর্কেস্ট্রা পারফর্ম্যান্স ১৫ মিনিটের বিরতি ১৭ মিনিটেও অনুষ্ঠানটি ঝুলে যেতে দেয়নি। পাশাপাশি ছোটদের বিনোদনের মঞ্চে হাজির হয়েছে ‘সেসামি স্ট্রিট’ ও ‘দ্য মাপেটস’-এর জনপ্রিয় চরিত্রগুলো। সব মিলিয়ে নজিরবিহীন সাংস্কৃতিক এ মেলবন্ধনে নিজের মান রাখলো 'গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ'।
রিপোর্ট: :আরাফাত সিদ্দিকী / মা.ই.স
