বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথমার্ধে স্পেনের একচেটিয়া আধিপত্য, চাপে আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনাকে চাপে রেখে একচেটিয়া আধিপত্য দেখিয়েছে স্পেন। হাইড্রেশন ব্রেকের আগ থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ, আক্রমণ, লক্ষ্যে শট এবং ম্যাচের গতি—সবকিছুতেই এগিয়ে ছিল লা রোজা। গোলের দেখা না পেলেও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগকে একের পর এক আক্রমণে ব্যতিব্যস্ত রেখেই বিরতিতে যায় স্প্যানিশরা।
ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই স্পেন এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ তৈরি করে। লামিন ইয়ামালের ক্রস ডিফ্লেক্ট হয়ে পৌঁছে যায় দানি ওলমোর কাছে। ওলমো চমৎকারভাবে বল ফিরিয়ে দিলে ইয়ামাল শট নেন। তবে লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের যৌথ প্রচেষ্টায় নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত হয় স্পেন।
শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে লড়াই করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতেই। এক পর্যায়ে মিকেল ওয়ারজাবালের বাড়ানো বলে এগিয়ে যাচ্ছিলেন পেদ্রো পোরো। তবে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের চ্যালেঞ্জে তিনি পড়ে গেলেও রেফারি স্লাভকো ভিনসিক ফাউলের আবেদন নাকচ করে দেন।
স্পেন ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করলেও আর্জেন্টিনাও মাঝে মাঝে হুমকি তৈরি করেছে। সপ্তম মিনিটে লিওনেল মেসি গোলের সুযোগের কাছাকাছি পৌঁছে গেলেও দ্রুত লাইন ছেড়ে বেরিয়ে এসে দুর্দান্ত দক্ষতায় সেই আক্রমণ নস্যাৎ করেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন।
প্রথম ২৩ মিনিটে আর্জেন্টিনা বলের দখল রাখতে পেরেছে মাত্র ৩২ শতাংশ সময়। দলের তিন ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসি, নিকো গঞ্জালেজ ও হুলিয়ান আলভারেজ মিলে এ সময় মাত্র ১৭ বার বল স্পর্শ করেছেন, যা স্পেনের নিয়ন্ত্রণের চিত্রই স্পষ্ট করে।
স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি পুরো ম্যাচজুড়েই ছিলেন অসাধারণ। মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রয়োজনমতো তৃতীয় সেন্টার-ব্যাকের ভূমিকাও পালন করেন তিনি। বল দখল ধরে রাখা, আক্রমণ গড়ে তোলা এবং আর্জেন্টিনার অর্ধে চাপ সৃষ্টি—সব ক্ষেত্রেই ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
৩৯তম মিনিটে আবারও গোলের সুযোগ তৈরি করে স্পেন। লাপোর্তে, রদ্রি ও আলেক্স বায়েনার দারুণ বোঝাপড়ার পর ফাবিয়ান রুইজ আলতো টোকায় বল বাড়িয়ে দেন ওয়ারজাবালের কাছে। বক্সের প্রান্ত থেকে তার নেওয়া শক্তিশালী বাঁ-পায়ের শট নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।
৪১তম মিনিটে ওয়ারজাবালকে ফাউল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। ইনজুরির কারণে দুই মিনিট পর তাকে তুলে নেওয়া হলে মাঠে নামেন নিকোলাস ওতামেন্দি। একই সময়ে মার্ক কুকুরেয়ার একটি দারুণ প্রচেষ্টা অল্পের জন্য ডান পাশের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।
প্রথমার্ধ শেষে বলের দখলে ছিল স্পেনের স্পষ্ট আধিপত্য। লা রোজারা ৬৫ শতাংশ সময় বল নিয়ন্ত্রণে রাখে, যেখানে আর্জেন্টিনার দখল ছিল মাত্র ৩৫ শতাংশ। লক্ষ্যে স্পেন দুটি শট রাখতে সক্ষম হলেও আর্জেন্টিনা একটিও অন-টার্গেট শট নিতে পারেনি। পাসের সংখ্যাতেও ছিল বড় ব্যবধান—আর্জেন্টিনার ১৫৫টি নিখুঁত পাসের বিপরীতে স্পেন সফলভাবে ৩১৩টি পাস সম্পন্ন করে। আর উনাই সিমনের দুটি সময়োপযোগী সুইপ আর্জেন্টিনার সম্ভাবনাময় আক্রমণগুলোও ভেস্তে দেয়।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই স্পেন এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ তৈরি করে। লামিন ইয়ামালের ক্রস ডিফ্লেক্ট হয়ে পৌঁছে যায় দানি ওলমোর কাছে। ওলমো চমৎকারভাবে বল ফিরিয়ে দিলে ইয়ামাল শট নেন। তবে লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের যৌথ প্রচেষ্টায় নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত হয় স্পেন।
শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে লড়াই করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতেই। এক পর্যায়ে মিকেল ওয়ারজাবালের বাড়ানো বলে এগিয়ে যাচ্ছিলেন পেদ্রো পোরো। তবে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের চ্যালেঞ্জে তিনি পড়ে গেলেও রেফারি স্লাভকো ভিনসিক ফাউলের আবেদন নাকচ করে দেন।
স্পেন ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করলেও আর্জেন্টিনাও মাঝে মাঝে হুমকি তৈরি করেছে। সপ্তম মিনিটে লিওনেল মেসি গোলের সুযোগের কাছাকাছি পৌঁছে গেলেও দ্রুত লাইন ছেড়ে বেরিয়ে এসে দুর্দান্ত দক্ষতায় সেই আক্রমণ নস্যাৎ করেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন।
প্রথম ২৩ মিনিটে আর্জেন্টিনা বলের দখল রাখতে পেরেছে মাত্র ৩২ শতাংশ সময়। দলের তিন ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসি, নিকো গঞ্জালেজ ও হুলিয়ান আলভারেজ মিলে এ সময় মাত্র ১৭ বার বল স্পর্শ করেছেন, যা স্পেনের নিয়ন্ত্রণের চিত্রই স্পষ্ট করে।
স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি পুরো ম্যাচজুড়েই ছিলেন অসাধারণ। মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রয়োজনমতো তৃতীয় সেন্টার-ব্যাকের ভূমিকাও পালন করেন তিনি। বল দখল ধরে রাখা, আক্রমণ গড়ে তোলা এবং আর্জেন্টিনার অর্ধে চাপ সৃষ্টি—সব ক্ষেত্রেই ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
৩৯তম মিনিটে আবারও গোলের সুযোগ তৈরি করে স্পেন। লাপোর্তে, রদ্রি ও আলেক্স বায়েনার দারুণ বোঝাপড়ার পর ফাবিয়ান রুইজ আলতো টোকায় বল বাড়িয়ে দেন ওয়ারজাবালের কাছে। বক্সের প্রান্ত থেকে তার নেওয়া শক্তিশালী বাঁ-পায়ের শট নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।
৪১তম মিনিটে ওয়ারজাবালকে ফাউল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। ইনজুরির কারণে দুই মিনিট পর তাকে তুলে নেওয়া হলে মাঠে নামেন নিকোলাস ওতামেন্দি। একই সময়ে মার্ক কুকুরেয়ার একটি দারুণ প্রচেষ্টা অল্পের জন্য ডান পাশের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।
প্রথমার্ধ শেষে বলের দখলে ছিল স্পেনের স্পষ্ট আধিপত্য। লা রোজারা ৬৫ শতাংশ সময় বল নিয়ন্ত্রণে রাখে, যেখানে আর্জেন্টিনার দখল ছিল মাত্র ৩৫ শতাংশ। লক্ষ্যে স্পেন দুটি শট রাখতে সক্ষম হলেও আর্জেন্টিনা একটিও অন-টার্গেট শট নিতে পারেনি। পাসের সংখ্যাতেও ছিল বড় ব্যবধান—আর্জেন্টিনার ১৫৫টি নিখুঁত পাসের বিপরীতে স্পেন সফলভাবে ৩১৩টি পাস সম্পন্ন করে। আর উনাই সিমনের দুটি সময়োপযোগী সুইপ আর্জেন্টিনার সম্ভাবনাময় আক্রমণগুলোও ভেস্তে দেয়।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
