বিশ্বকাপ ফাইনালের উন্মাদনায় টিএসসি, প্রশাসনিক বিধিনিষেধ পেরিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের ঢল
বিশ্বকাপ ফুটবলের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতেও। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ও বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও, রোববার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যা থেকেই টিএসসি এলাকায় ভিড় জমাতে শুরু করেন হাজার হাজার ফুটবলপ্রেমী। স্পেন ও আর্জেন্টিনার বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনালকে ঘিরে পুরো এলাকায় তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
রোববার দিবাগত রাতে সরেজমিনে দেখা যায়, খেলা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই টিএসসির বিভিন্ন স্থানে জড়ো হন দুই দলের সমর্থকরা। কারও গায়ে আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সি, আবার কেউ স্পেনের লাল জার্সি পরে প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন জানান। হাতে জাতীয় পতাকা, মুখে স্লোগান আর মোবাইল ফোনে স্মৃতি ধরে রাখার ব্যস্ততায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
টিএসসিতে খেলা দেখতে আসা এক শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্বকাপের বড় ম্যাচ বন্ধুদের সঙ্গে একসঙ্গে বসে দেখার আনন্দই আলাদা। তাই সব ব্যস্ততা রেখে টিএসসিতে এসেছেন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আগে থেকেই বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিলেও ফুটবলপ্রেমীদের উচ্ছ্বাস থামানো যায়নি।
এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আল আমিন বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি আর্জেন্টিনার সমর্থক। তার মতে, এমন একটি ম্যাচ ঘরে বসে দেখার চেয়ে শত শত ফুটবলপ্রেমীর সঙ্গে উপভোগ করার আনন্দ অনেক বেশি।
স্পেনের এক সমর্থক বলেন, জয়-পরাজয় খেলাধুলারই অংশ। তবে দুই দলের সমর্থকদের একসঙ্গে উৎসব করার পরিবেশই সবচেয়ে উপভোগ্য। যদিও তার প্রত্যাশা, এবার আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জিতবে স্পেন।
আরেক দর্শক বলেন, টিএসসি এখন শুধু খেলা দেখার স্থান নয়, এটি ফুটবলপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। বিশ্বকাপের আসল আবহ উপভোগ করতে প্রতি বড় ম্যাচেই তিনি এখানে আসেন। বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সেই বাধা পেরিয়ে খেলা দেখতে এসেছেন বলেও জানান তিনি।
ম্যাচকে ঘিরে টিএসসি এলাকায় জোরদার করা হয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবীদেরও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।
ফুটবলপ্রেমীদের সরব উপস্থিতিতে রোববার দিবাগত রাতের টিএসসি যেন রূপ নেয় এক বিশাল ফ্যান জোনে। স্পেন-আর্জেন্টিনা ফাইনালকে কেন্দ্র করে স্লোগান, উচ্ছ্বাস এবং প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসায় মুখর ছিল পুরো এলাকা।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
রোববার দিবাগত রাতে সরেজমিনে দেখা যায়, খেলা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই টিএসসির বিভিন্ন স্থানে জড়ো হন দুই দলের সমর্থকরা। কারও গায়ে আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সি, আবার কেউ স্পেনের লাল জার্সি পরে প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন জানান। হাতে জাতীয় পতাকা, মুখে স্লোগান আর মোবাইল ফোনে স্মৃতি ধরে রাখার ব্যস্ততায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
টিএসসিতে খেলা দেখতে আসা এক শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্বকাপের বড় ম্যাচ বন্ধুদের সঙ্গে একসঙ্গে বসে দেখার আনন্দই আলাদা। তাই সব ব্যস্ততা রেখে টিএসসিতে এসেছেন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আগে থেকেই বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিলেও ফুটবলপ্রেমীদের উচ্ছ্বাস থামানো যায়নি।
এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আল আমিন বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি আর্জেন্টিনার সমর্থক। তার মতে, এমন একটি ম্যাচ ঘরে বসে দেখার চেয়ে শত শত ফুটবলপ্রেমীর সঙ্গে উপভোগ করার আনন্দ অনেক বেশি।
স্পেনের এক সমর্থক বলেন, জয়-পরাজয় খেলাধুলারই অংশ। তবে দুই দলের সমর্থকদের একসঙ্গে উৎসব করার পরিবেশই সবচেয়ে উপভোগ্য। যদিও তার প্রত্যাশা, এবার আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জিতবে স্পেন।
আরেক দর্শক বলেন, টিএসসি এখন শুধু খেলা দেখার স্থান নয়, এটি ফুটবলপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। বিশ্বকাপের আসল আবহ উপভোগ করতে প্রতি বড় ম্যাচেই তিনি এখানে আসেন। বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সেই বাধা পেরিয়ে খেলা দেখতে এসেছেন বলেও জানান তিনি।
ম্যাচকে ঘিরে টিএসসি এলাকায় জোরদার করা হয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবীদেরও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।
ফুটবলপ্রেমীদের সরব উপস্থিতিতে রোববার দিবাগত রাতের টিএসসি যেন রূপ নেয় এক বিশাল ফ্যান জোনে। স্পেন-আর্জেন্টিনা ফাইনালকে কেন্দ্র করে স্লোগান, উচ্ছ্বাস এবং প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসায় মুখর ছিল পুরো এলাকা।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
