ক্যানসারের মতো মরণব্যাধির কাছে হার মেনে না ফেরার দেশে চলে গেলেন আমেরিকার জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘এলসেভেন’ (L7)-এর কিংবদন্তি বেসিস্ট জেনিফার ফিঞ্চ। ৫৭ বছর বয়সেই থেমে গেল এই মার্কিন সংগীত তারকার জীবনযুদ্ধ। তার এই প্রয়াণে স্তম্ভিত ও শোকাচ্ছন্ন পুরো বিশ্ব সংগীতপাড়া। চলতি মাসের শুরুর দিকে জেনিফারের মস্তিষ্কে ক্যানসার ধরা পড়ে।
শনাক্ত হওয়ার পর প্রিয় তারকার চিকিৎসার খরচ জোগাতে তহবিল গঠনে নেমেছিলেন তার বিশ্বজুড়ে থাকা ভক্ত-অনুরাগীরা। কিন্তু সবাইকে সেই সুযোগ না দিয়েই, চলতি সপ্তাহের শেষে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন তিনি। জেনিফারের মৃত্যুর পর ‘এলসেভেন’ ব্যান্ডের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে একটি আবেগঘন বিবৃতি প্রকাশ করে ভক্তদের এই হৃদয়বিদারক খবরটি নিশ্চিত করা হয়।
ব্যান্ডটি তাদের অফিশিয়াল বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করে জানায়, “আমরা আমাদের প্রিয় ব্যান্ডমেট, বোন এবং বন্ধু জেনিফার ফিঞ্চকে হারিয়ে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছি। তার তীব্র মানসিক শক্তি এবং সীমাহীন সৃজনশীলতা এলসেভেন ব্যান্ডকে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছিল, যা আমাদের সবার জীবনকে চিরতরে বদলে দিয়েছে।”
বিবৃতিতে তার অনন্য ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণ করে আরও বলা হয়, “জেনিফার ছিলেন একজন সত্যিকারের অনন্য মানুষ, যিনি সম্পূর্ণ নিজের শর্তে জীবনযাপন করেছেন। সংগীত, শিল্প এবং তার সান্নিধ্য পাওয়ার সৌভাগ্য যাদের হয়েছে, তাদের সবার ওপর তার যে প্রভাব ছিল তা পরিমাপ করা অসম্ভব। আমরা তাকে ভালোবাসতাম এবং তিনি সবসময় আমাদের হৃদয়ে থাকবেন। শান্তিতে ঘুমাও আমাদের প্রিয় বন্ধু।”
রক মিউজিকের ইতিহাসে জেনিফার ফিঞ্চ একটি অতি পরিচিত নাম। ১৯৮৭ সালে তিনি ‘এলসেভেন’ ব্যান্ডে যুক্ত হন। এরপর ব্যান্ডের প্রতিটি উত্থান-পতনের গল্পে তিনি ছিলেন অন্যতম কাণ্ডারি। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে যখন বিশ্বজুড়ে গ্রঞ্জ ও ‘রায়ট গার্ল’ আন্দোলনের জোয়ার বইছিল, তখন এলসেভেন তাদের নিজস্ব স্বতন্ত্র ঘরানা ধরে রেখে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। বিশেষ করে, ১৯৯২ সালের ঐতিহাসিক ‘রিডিং ফেস্টিভ্যাল’-এ বিখ্যাত ব্যান্ড নির্ভানার সঙ্গে একই মঞ্চে এলসেভেনের সেই পারফরম্যান্স আজও রক ইতিহাসের পাতায় সোনালী অক্ষরে লেখা রয়েছে।
চলতি বছরের শুরুর দিকে শারীরিক অসুস্থতা আকস্মিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ব্যান্ডের বহুল আলোচিত ‘লাস্ট হুররাহ ট্যুর’-এর ইউএস লেগ থেকে বাধ্য হয়ে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন জেনিফার। মূলত এই মরণব্যাধি ক্যানসারই এই রক তারকার মঞ্চ ও তার প্রিয় গিটারের মাঝে একমাত্র দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
শনাক্ত হওয়ার পর প্রিয় তারকার চিকিৎসার খরচ জোগাতে তহবিল গঠনে নেমেছিলেন তার বিশ্বজুড়ে থাকা ভক্ত-অনুরাগীরা। কিন্তু সবাইকে সেই সুযোগ না দিয়েই, চলতি সপ্তাহের শেষে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন তিনি। জেনিফারের মৃত্যুর পর ‘এলসেভেন’ ব্যান্ডের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে একটি আবেগঘন বিবৃতি প্রকাশ করে ভক্তদের এই হৃদয়বিদারক খবরটি নিশ্চিত করা হয়।
ব্যান্ডটি তাদের অফিশিয়াল বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করে জানায়, “আমরা আমাদের প্রিয় ব্যান্ডমেট, বোন এবং বন্ধু জেনিফার ফিঞ্চকে হারিয়ে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছি। তার তীব্র মানসিক শক্তি এবং সীমাহীন সৃজনশীলতা এলসেভেন ব্যান্ডকে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছিল, যা আমাদের সবার জীবনকে চিরতরে বদলে দিয়েছে।”
বিবৃতিতে তার অনন্য ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণ করে আরও বলা হয়, “জেনিফার ছিলেন একজন সত্যিকারের অনন্য মানুষ, যিনি সম্পূর্ণ নিজের শর্তে জীবনযাপন করেছেন। সংগীত, শিল্প এবং তার সান্নিধ্য পাওয়ার সৌভাগ্য যাদের হয়েছে, তাদের সবার ওপর তার যে প্রভাব ছিল তা পরিমাপ করা অসম্ভব। আমরা তাকে ভালোবাসতাম এবং তিনি সবসময় আমাদের হৃদয়ে থাকবেন। শান্তিতে ঘুমাও আমাদের প্রিয় বন্ধু।”
রক মিউজিকের ইতিহাসে জেনিফার ফিঞ্চ একটি অতি পরিচিত নাম। ১৯৮৭ সালে তিনি ‘এলসেভেন’ ব্যান্ডে যুক্ত হন। এরপর ব্যান্ডের প্রতিটি উত্থান-পতনের গল্পে তিনি ছিলেন অন্যতম কাণ্ডারি। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে যখন বিশ্বজুড়ে গ্রঞ্জ ও ‘রায়ট গার্ল’ আন্দোলনের জোয়ার বইছিল, তখন এলসেভেন তাদের নিজস্ব স্বতন্ত্র ঘরানা ধরে রেখে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। বিশেষ করে, ১৯৯২ সালের ঐতিহাসিক ‘রিডিং ফেস্টিভ্যাল’-এ বিখ্যাত ব্যান্ড নির্ভানার সঙ্গে একই মঞ্চে এলসেভেনের সেই পারফরম্যান্স আজও রক ইতিহাসের পাতায় সোনালী অক্ষরে লেখা রয়েছে।
চলতি বছরের শুরুর দিকে শারীরিক অসুস্থতা আকস্মিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ব্যান্ডের বহুল আলোচিত ‘লাস্ট হুররাহ ট্যুর’-এর ইউএস লেগ থেকে বাধ্য হয়ে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন জেনিফার। মূলত এই মরণব্যাধি ক্যানসারই এই রক তারকার মঞ্চ ও তার প্রিয় গিটারের মাঝে একমাত্র দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
