ইতালিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইতালির নাগরিক, প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্য, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সদস্য এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
জুলাই গণআন্দোলনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।
পরবর্তীতে ‘জুলাই শহীদ দিবস’-এর তাৎপর্য নিয়ে উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা জুলাই গণআন্দোলনের প্রেক্ষাপট এবং এ আন্দোলনকে সর্বজনীন রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রদূত রকিবুল হক জুলাই গণআন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ ওয়াসিম আকরাম, শহীদ মুগ্ধসহ সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান ও তাদের আত্মার মাগফেরাত এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের সম্মান-স্বীকৃতি, তাদের পরিবারের কল্যাণ, আহতদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিতকল্পে অঙ্গীকারবদ্ধ।
তিনি জুলাইয়ের চেতনা ও আত্মত্যাগ থেকে শক্তি ও প্রেরণা নিয়ে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদের রুহের মাগফেরাত, আহতদের পূর্ণ সুস্থতা এবং বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। রোববার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ দূতাবাস, রোমের বরাতে সরকারি তথ্য বিবরণীতে এসব তথ্য জানা গেছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
জুলাই গণআন্দোলনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।
পরবর্তীতে ‘জুলাই শহীদ দিবস’-এর তাৎপর্য নিয়ে উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা জুলাই গণআন্দোলনের প্রেক্ষাপট এবং এ আন্দোলনকে সর্বজনীন রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রদূত রকিবুল হক জুলাই গণআন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ ওয়াসিম আকরাম, শহীদ মুগ্ধসহ সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান ও তাদের আত্মার মাগফেরাত এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের সম্মান-স্বীকৃতি, তাদের পরিবারের কল্যাণ, আহতদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিতকল্পে অঙ্গীকারবদ্ধ।
তিনি জুলাইয়ের চেতনা ও আত্মত্যাগ থেকে শক্তি ও প্রেরণা নিয়ে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদের রুহের মাগফেরাত, আহতদের পূর্ণ সুস্থতা এবং বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। রোববার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ দূতাবাস, রোমের বরাতে সরকারি তথ্য বিবরণীতে এসব তথ্য জানা গেছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
