নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। এই ম্যাচের আগে উভয় সংকটে পড়েছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির পরিবার। কারণ তাদের বেশিরভাগ সদস্যের জন্ম স্পেনে! ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি জানালেন, তার ভালোবাসার মানুষেরা কাকে সমর্থন দিতে যাচ্ছে।
প্রেস কনফারেন্সের আগে মিক্সড জোনে স্কালোনি বলেছেন, ‘আমার স্ত্রী ও বাচ্চারা অবশ্যই আমাদের সঙ্গে থাকবে। যদিও আমার স্ত্রী স্প্যানিশ, সে ভালোভাবে জানে আমি কিসের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি এবং আমি কীরকম ভুগছি। আমার সন্তানরা আরো ভালোভাবে জানে।’
স্ত্রী এলিসা মন্তেরোর সঙ্গে স্কালোনির প্রথম দেখা হয়েছিল ২০০৮ সালে মায়োর্কায়। যেবার লাজিও থেকে ধারে ক্লাবটিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তাদের দুই ছেলে ইয়ান ও নোয়া ২০১২ সালে ও চার বছর পর মায়োর্কাতে জন্ম নেন।
জাতীয়তায় স্পেন হলেও বাবার কাজের সুবাদে তারা দুজনেই আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করবে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকায় বাবার সঙ্গে উদযাপন করতে দেখা গিয়েছিল তাদের।
স্কালোনি বলে গেলেন, ‘মায়োর্কাতে তাদের পরিবার আছে, নিশ্চয় তারা দ্বিধান্বিত। তাদের জন্য এটা কঠিন পরিস্থিতি। আমি বুঝতে পারছি। কিন্তু হ্যাঁ, যাই হোক, তারা খুশি হবে।’
স্ত্রীর আত্মীয়স্বজন থাকে মায়োর্কাতে। নিশ্চিতভাবে তারা চাইবে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিততে। কোচ যেমনটা বললেন, যদি আর্জেন্টিনা না জেতে তাহলে অন্তত তাদের পরিবারের (স্কালোনি স্ত্রী-সন্তান) একটি অংশকে খুশি হতে দেখে সান্ত্বনা পাবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
প্রেস কনফারেন্সের আগে মিক্সড জোনে স্কালোনি বলেছেন, ‘আমার স্ত্রী ও বাচ্চারা অবশ্যই আমাদের সঙ্গে থাকবে। যদিও আমার স্ত্রী স্প্যানিশ, সে ভালোভাবে জানে আমি কিসের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি এবং আমি কীরকম ভুগছি। আমার সন্তানরা আরো ভালোভাবে জানে।’
স্ত্রী এলিসা মন্তেরোর সঙ্গে স্কালোনির প্রথম দেখা হয়েছিল ২০০৮ সালে মায়োর্কায়। যেবার লাজিও থেকে ধারে ক্লাবটিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তাদের দুই ছেলে ইয়ান ও নোয়া ২০১২ সালে ও চার বছর পর মায়োর্কাতে জন্ম নেন।
জাতীয়তায় স্পেন হলেও বাবার কাজের সুবাদে তারা দুজনেই আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করবে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকায় বাবার সঙ্গে উদযাপন করতে দেখা গিয়েছিল তাদের।
স্কালোনি বলে গেলেন, ‘মায়োর্কাতে তাদের পরিবার আছে, নিশ্চয় তারা দ্বিধান্বিত। তাদের জন্য এটা কঠিন পরিস্থিতি। আমি বুঝতে পারছি। কিন্তু হ্যাঁ, যাই হোক, তারা খুশি হবে।’
স্ত্রীর আত্মীয়স্বজন থাকে মায়োর্কাতে। নিশ্চিতভাবে তারা চাইবে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিততে। কোচ যেমনটা বললেন, যদি আর্জেন্টিনা না জেতে তাহলে অন্তত তাদের পরিবারের (স্কালোনি স্ত্রী-সন্তান) একটি অংশকে খুশি হতে দেখে সান্ত্বনা পাবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
