বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আবেগাপ্লুত মার্তিনেজ, লক্ষ্য শুধু শিরোপা ধরে রাখা
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দলের অভাবনীয় সাফল্যের কথা মনে করলেই মাঝে মাঝে চোখে পানি চলে আসে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এই আবেগের মাঝেও টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যেই পুরোপুরি মনোযোগী আছেন এই তারকা গোলরক্ষক।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) নিউইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্তিনেজ বলেন, “আমি এখন কেবল জয়ের দিকেই তাকিয়ে আছি। গত কয়েক বছরে পুরো দল যেভাবে উন্নতি করেছে, তা আমরা ধাপে ধাপে গড়ে তুলেছি। সত্যি বলতে, মাঝে মাঝে আমরা কী অর্জন করেছি, সেটা একা একা ভাবলে আমার চোখে পানি চলে আসে। আমি শুধু এই মুহূর্তটা উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কারণ অনেক সময় ফুটবলার হিসেবে আমরা নিজেরাও বুঝতে পারি না, ক্যারিয়ারের কোন চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছি।”
৩৩ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক সতীর্থদের উদ্দেশে বলেন, “আমার একটাই বার্তা—এই মুহূর্তটা উপভোগ করো এবং মুখে হাসি নিয়ে প্রস্তুতি নাও। এটা এমন একটি স্মৃতি, যা আমরা সারা জীবন মনে রাখব।”
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে পেনাল্টি শুটআউটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে র্যান্ডাল কোলো মুয়ানির নিশ্চিত গোল ঠেকিয়ে আর্জেন্টিনার ইতিহাসের অংশ হয়ে যান ‘দিবু’ মার্তিনেজ।
সেই ফাইনালের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “ফ্রান্স পেনাল্টি পাওয়ার আগ পর্যন্ত প্রথম ৮০ মিনিট আমরা ওদের চেয়ে অনেক ভালো খেলেছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা তিনটি গোল হজম করি। ফাইনালে তিন গোল খেলে সাধারণত ম্যাচ জেতা কঠিন। শেষ মুহূর্তে আমাকে সেই সেভটি করতেই হতো। কখনো কখনো বল শরীরে লেগে জালে ঢুকে যায়, যেমনটি এবার গ্রুপ পর্বে জর্ডানের বিপক্ষে হয়েছিল। সেদিন বল আমার পায়ের মাঝ দিয়ে চলে গিয়েছিল। সৌভাগ্যবশত, বিশ্বকাপ ফাইনালে তেমন কিছু হয়নি।”
মে মাসে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে ইউরোপা লিগের ফাইনালে আঙুলে চোট পেয়েই এবারের বিশ্বকাপে খেলতে এসেছেন মার্তিনেজ। তবে তার মতে, ২০২২ সালের তুলনায় এবারের বিশ্বকাপ সফর তিনি আরও বেশি উপভোগ করছেন।
মার্তিনেজ বলেন, তার বল পাসিং ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা আগের চেয়ে আরও উন্নত হয়েছে। আর্জেন্টিনার হয়ে পঞ্চম ফাইনাল খেলতে পারাকে তিনি নিজের জন্য বড় সৌভাগ্য বলেও উল্লেখ করেন।
রোববার স্পেনকে হারাতে পারলে ১৯৬২ সালের ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুইবার বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়বে আর্জেন্টিনা। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের দলকে কীভাবে মনে রাখবে—এমন প্রশ্নের জবাবে মার্তিনেজ বলেন, “আমাদের দলের সব খেলোয়াড়ই খেটে খাওয়া সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসেছে। আমাদের বাবা-মায়েরা কঠোর পরিশ্রম করেছেন। আমি মনে করি, আর্জেন্টিনার মানুষ আমাদের এমন একটি দল হিসেবেই মনে রাখবে, যারা কঠোর পরিশ্রম করে এবং কখনো হার মানে না। যত কঠিন পরিস্থিতিই আসুক, আমরা পথ খুঁজে নিতে জানি—এবারের বিশ্বকাপেও সেটাই প্রমাণ করেছি।”
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
শুক্রবার (১৭ জুলাই) নিউইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্তিনেজ বলেন, “আমি এখন কেবল জয়ের দিকেই তাকিয়ে আছি। গত কয়েক বছরে পুরো দল যেভাবে উন্নতি করেছে, তা আমরা ধাপে ধাপে গড়ে তুলেছি। সত্যি বলতে, মাঝে মাঝে আমরা কী অর্জন করেছি, সেটা একা একা ভাবলে আমার চোখে পানি চলে আসে। আমি শুধু এই মুহূর্তটা উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কারণ অনেক সময় ফুটবলার হিসেবে আমরা নিজেরাও বুঝতে পারি না, ক্যারিয়ারের কোন চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছি।”
৩৩ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক সতীর্থদের উদ্দেশে বলেন, “আমার একটাই বার্তা—এই মুহূর্তটা উপভোগ করো এবং মুখে হাসি নিয়ে প্রস্তুতি নাও। এটা এমন একটি স্মৃতি, যা আমরা সারা জীবন মনে রাখব।”
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে পেনাল্টি শুটআউটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে র্যান্ডাল কোলো মুয়ানির নিশ্চিত গোল ঠেকিয়ে আর্জেন্টিনার ইতিহাসের অংশ হয়ে যান ‘দিবু’ মার্তিনেজ।
সেই ফাইনালের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “ফ্রান্স পেনাল্টি পাওয়ার আগ পর্যন্ত প্রথম ৮০ মিনিট আমরা ওদের চেয়ে অনেক ভালো খেলেছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা তিনটি গোল হজম করি। ফাইনালে তিন গোল খেলে সাধারণত ম্যাচ জেতা কঠিন। শেষ মুহূর্তে আমাকে সেই সেভটি করতেই হতো। কখনো কখনো বল শরীরে লেগে জালে ঢুকে যায়, যেমনটি এবার গ্রুপ পর্বে জর্ডানের বিপক্ষে হয়েছিল। সেদিন বল আমার পায়ের মাঝ দিয়ে চলে গিয়েছিল। সৌভাগ্যবশত, বিশ্বকাপ ফাইনালে তেমন কিছু হয়নি।”
মে মাসে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে ইউরোপা লিগের ফাইনালে আঙুলে চোট পেয়েই এবারের বিশ্বকাপে খেলতে এসেছেন মার্তিনেজ। তবে তার মতে, ২০২২ সালের তুলনায় এবারের বিশ্বকাপ সফর তিনি আরও বেশি উপভোগ করছেন।
মার্তিনেজ বলেন, তার বল পাসিং ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা আগের চেয়ে আরও উন্নত হয়েছে। আর্জেন্টিনার হয়ে পঞ্চম ফাইনাল খেলতে পারাকে তিনি নিজের জন্য বড় সৌভাগ্য বলেও উল্লেখ করেন।
রোববার স্পেনকে হারাতে পারলে ১৯৬২ সালের ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুইবার বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়বে আর্জেন্টিনা। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের দলকে কীভাবে মনে রাখবে—এমন প্রশ্নের জবাবে মার্তিনেজ বলেন, “আমাদের দলের সব খেলোয়াড়ই খেটে খাওয়া সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসেছে। আমাদের বাবা-মায়েরা কঠোর পরিশ্রম করেছেন। আমি মনে করি, আর্জেন্টিনার মানুষ আমাদের এমন একটি দল হিসেবেই মনে রাখবে, যারা কঠোর পরিশ্রম করে এবং কখনো হার মানে না। যত কঠিন পরিস্থিতিই আসুক, আমরা পথ খুঁজে নিতে জানি—এবারের বিশ্বকাপেও সেটাই প্রমাণ করেছি।”
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
