ATN
শিরোনাম
  •  

রিশাদ-মেহেদীর দাপটে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

         
রিশাদ-মেহেদীর দাপটে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

রিশাদ-মেহেদীর দাপটে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

ব্রাড ইভান্সের শেষ মুহূর্তের ঝোড়ো ব্যাটিং বাংলাদেশের অপেক্ষা কিছুটা বাড়ালেও শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি হেসেছে টাইগাররা। ইনিংসের শুরুতেই শেখ মেহেদী হাসান ও রিশাদ হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপকে চাপে ফেলে বাংলাদেশ, আর সেই ভিতের ওপর দাঁড়িয়েই ৩৪ রানের জয় তুলে নেয় সফরকারীরা।

সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ১-১ সমতায় ফিরেছে বাংলাদেশ। ফলে আগামী ১৯ জুলাই বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিই হয়ে উঠেছে অলিখিত ফাইনাল।

সিরিজে টিকে থাকতে এ ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের। সেই চ্যালেঞ্জে ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই দারুণ নৈপুণ্য দেখায় সফরকারীরা। আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ তোলে ১৮৬ রান। জবাবে জিম্বাবুয়ে থামে ১৫২ রানে।

১০৯ রানে অষ্টম উইকেট হারানোর পর ব্রাড ইভান্স কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ১৪ বলে দুটি চার ও দুটি ছক্কায় ২৫ রান করেন তিনি। রিচার্ড এনগারাভাকে সঙ্গে নিয়ে নবম উইকেটে ৪০ রান যোগ করলেও দলকে জয়ের পথে ফেরাতে পারেননি। মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের বলে পারভেজ হোসেন ইমনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ইভান্স। এরপর ব্লেসিং মুজারাবানিকে রিশাদ হোসেন বোল্ড করলে ১৫২ রানেই গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের মধ্যে সিকান্দার রাজা ও রায়ান বার্ল ছাড়া কেউই উল্লেখযোগ্য ইনিংস খেলতে পারেননি। ১৯ বলে দলের সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন বার্ল, আর ১২ বলে ২৮ রান করেন রাজা। তাঁদের বিদায়ের পরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে চলে যায়।

বল হাতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন রিশাদ হোসেন। ২৬ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন তিনি। শেখ মেহেদী হাসান নেন ৩ উইকেট, খরচ করেন ২৪ রান। এছাড়া নাহিদ রানা, সাইফ হাসান ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন একটি করে উইকেট নেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান। উদ্বোধনী জুটিতে ১৪.৪ ওভারে ১২০ রান যোগ করেন তাঁরা। সাইফ ৪৫ বলে ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৫৫ রান করে ফিরলে ভাঙে জুটি। পরের ওভারেই আউট হন তামিম। ৪৪ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৫৮ রান করেন তিনি।

দুই ওপেনারের বিদায়ের পর মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় ১৪১ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে শেষদিকে ইয়াসির আলী রাব্বি ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে লড়াকু সংগ্রহ পায় দল।

শেষ ওভারে চারটি ছক্কায় ২৮ রান আদায় করেন সাইফুদ্দিন। মাত্র ১০ বলে ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন এই বোলিং অলরাউন্ডার। অন্যদিকে ইয়াসির আলী রাব্বি ১২ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় করেন ২২ রান।

জিম্বাবুয়ের হয়ে রিচার্ড এনগারাভা ও ব্রাড ইভান্স দুটি করে উইকেট নেন। এনগারাভা ২৩ রান খরচ করলেও ইভান্স ৪ ওভারে দেন ৬৫ রান।

রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট খেলা সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ