ভোলায় বিপৎসীমার ওপরে মেঘনার পানি, পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ
ভোলার মনপুরায় মেঘনার পানি বিপৎসীমার উপর প্রবাহিত হয়ে বেড়িবাঁধের ভিতর ও বাহিরে নিম্নাঞ্চল ৫-৬ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
আজ শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে জোয়ার আসতে শুরু করে এবং প্লাবিত হতে থাকে বেড়িবাঁধের বাইরের মনপুরার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল। এছাড়া তলিয়ে গেছে রামনেওয়াজ লঞ্চঘাটের এপ্রোচ সড়ক।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, জোয়ারের পানিতে মনপুরা উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ এলাকার ষাট কলনি ও কলাতলি ইউনিয়নের অন্তত ৩টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বেড়িবাঁধের বাইরের কয়েকশত পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন।
মনপুরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ষাটকলোনি এলাকার বাসিন্দা আনোয়ারা বেগম, বাবুল ও ইউনুস বলেন, মেঘনা নদীর পানি এখন আমাদের উঠানে বুক সমান হয়েছে। এতে তলিয়ে গেছে আমাদের বাড়ির উঠান ও আশপাশ। বসতঘরের মধ্যেও প্রায় ২ হাত পানি। কেউ কেউ ঘরের খাটের উপর আশ্রয় নিয়েছেন আবার কেউ কেউ পানির মধ্য দিয়ে অন্যত্র সড়ে গিয়েছেন। আমরা আমাদের সন্তানসহ গবাদিপশু নিয়ে বিপদে পড়েছি। কখন পানি কমবে এখন সে অপেক্ষায় আছি।
ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন আরিফ বলেন, অমাবস্যার জোয়ারের প্রভাবে মেঘনা নদীর পানি দৌলতখান উপজেলা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অমাবস্যার প্রভাব আজ থেকে কেটে যাবে এবং উজানের পানির চাপ না থাকলে হয়তো আগামীকাল থেকে নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করবে না।
এ বাপারে পানি উন্নয়নের বোর্ড ডিভিশন-২ নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাফউদ্দৌলা জানান, মেঘনায় জোয়ারের পানি ১০০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বেড়িবাঁধ ও বেড়িবাঁধের বাহিরে প্লাবিত হয়েছে। রামনেওয়াজ এলাকার পুরানো বেড়িবাঁধ সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে জোয়ার আসতে শুরু করে এবং প্লাবিত হতে থাকে বেড়িবাঁধের বাইরের মনপুরার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল। এছাড়া তলিয়ে গেছে রামনেওয়াজ লঞ্চঘাটের এপ্রোচ সড়ক।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, জোয়ারের পানিতে মনপুরা উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ এলাকার ষাট কলনি ও কলাতলি ইউনিয়নের অন্তত ৩টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বেড়িবাঁধের বাইরের কয়েকশত পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন।
মনপুরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ষাটকলোনি এলাকার বাসিন্দা আনোয়ারা বেগম, বাবুল ও ইউনুস বলেন, মেঘনা নদীর পানি এখন আমাদের উঠানে বুক সমান হয়েছে। এতে তলিয়ে গেছে আমাদের বাড়ির উঠান ও আশপাশ। বসতঘরের মধ্যেও প্রায় ২ হাত পানি। কেউ কেউ ঘরের খাটের উপর আশ্রয় নিয়েছেন আবার কেউ কেউ পানির মধ্য দিয়ে অন্যত্র সড়ে গিয়েছেন। আমরা আমাদের সন্তানসহ গবাদিপশু নিয়ে বিপদে পড়েছি। কখন পানি কমবে এখন সে অপেক্ষায় আছি।
ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন আরিফ বলেন, অমাবস্যার জোয়ারের প্রভাবে মেঘনা নদীর পানি দৌলতখান উপজেলা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অমাবস্যার প্রভাব আজ থেকে কেটে যাবে এবং উজানের পানির চাপ না থাকলে হয়তো আগামীকাল থেকে নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করবে না।
এ বাপারে পানি উন্নয়নের বোর্ড ডিভিশন-২ নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাফউদ্দৌলা জানান, মেঘনায় জোয়ারের পানি ১০০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বেড়িবাঁধ ও বেড়িবাঁধের বাহিরে প্লাবিত হয়েছে। রামনেওয়াজ এলাকার পুরানো বেড়িবাঁধ সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
