ইউরোপে না খেলেও ব্যালন ডি'অর জয়ের সুযোগ, নবম পুরস্কারের দৌড়ে মেসি
ইউরোপের ফুটবল অধ্যায়ের ইতি টেনেছেন আগেই। ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন লিওনেল মেসি। তবে ইউরোপ ছেড়ে গেলেও নবম ব্যালন ডি'অর জয়ের সম্ভাবনা এখনও উজ্জ্বল আর্জেন্টাইন অধিনায়কের সামনে।
বিশ্বকাপ ফাইনালকে ঘিরে যখন ফুটবল বিশ্বে উত্তেজনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই ব্যালন ডি'অরের আয়োজক ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিন পুরস্কারটির যোগ্যতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা দিয়েছে। তাদের মতে, ব্যালন ডি'অর জিততে কোনো ফুটবলারের ইউরোপের ক্লাবে খেলা বাধ্যতামূলক নয়। বিশ্বের যেকোনো লিগে খেলেই অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখাতে পারলে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জেতা সম্ভব।
একসময় ব্যালন ডি'অর শুধুমাত্র ইউরোপীয় লিগে খেলা ফুটবলারদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। ১৯৯৫ সালে এটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেও তখনও ইউরোপে খেলা অন্যতম শর্ত ছিল। তবে ২০০৭ সাল থেকে সেই বিধিনিষেধ তুলে দেওয়া হয়। এরপর থেকে বিশ্বের সেরা ফুটবলারকেই ব্যালন ডি'অর দেওয়া হচ্ছে—তিনি কোন লিগ বা ক্লাবে খেলছেন, সেটি আর বিবেচ্য নয়।
বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আয়োজকেরা গত ১৮টি ব্যালন ডি'অরের উদাহরণ তুলে ধরেছেন। তাদের ভাষ্য, ২০০৭ সালে কাকা, ২০০৮ সালে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং ২০০৯ সালে লিওনেল মেসি—তিনজনই ওই বছর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিলেন। একইভাবে লুকা মদরিচ, করিম বেনজেমা, রদ্রি ও উসমান দেম্বেলের ব্যালন ডি'অর জয়ের সময়ও তারা সবাই ইউরোপের ক্লাবেই খেলছিলেন।
তবে এই ধারার ব্যতিক্রম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে লিওনেল মেসির নাম। আয়োজকদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউরোপের বাইরে খেলেও ব্যালন ডি'অর জেতা একমাত্র ফুটবলার মেসি। ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ৬৭তম ব্যালন ডি'অর অনুষ্ঠানের সময় তিনি ইতোমধ্যেই ইন্টার মায়ামির খেলোয়াড় ছিলেন। ফলে তিনিই প্রথম পুরুষ ফুটবলার হিসেবে কোনো অ-ইউরোপীয় ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করে ব্যালন ডি'অর জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেন।
বিবৃতির শেষাংশে আয়োজকেরা বলেন, ব্যালন ডি'অরের ক্ষেত্রে কিছুই অসম্ভব নয় এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে খেলা কোনো ফুটবলারই এই পুরস্কার জয়ের সুযোগ রাখতে পারেন।
এমন ব্যাখ্যা এসেছে এমন এক সময়ে, যখন বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন মেসি। সাত ম্যাচে আট গোল ও চারটি অ্যাসিস্ট করে তিনি আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলেছেন। ফলে ইন্টার মায়ামির এই তারকা নবমবারের মতো ব্যালন ডি'অর জয়ের আলোচনায়ও জোরালোভাবেই রয়েছেন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
বিশ্বকাপ ফাইনালকে ঘিরে যখন ফুটবল বিশ্বে উত্তেজনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই ব্যালন ডি'অরের আয়োজক ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিন পুরস্কারটির যোগ্যতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা দিয়েছে। তাদের মতে, ব্যালন ডি'অর জিততে কোনো ফুটবলারের ইউরোপের ক্লাবে খেলা বাধ্যতামূলক নয়। বিশ্বের যেকোনো লিগে খেলেই অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখাতে পারলে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জেতা সম্ভব।
একসময় ব্যালন ডি'অর শুধুমাত্র ইউরোপীয় লিগে খেলা ফুটবলারদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। ১৯৯৫ সালে এটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেও তখনও ইউরোপে খেলা অন্যতম শর্ত ছিল। তবে ২০০৭ সাল থেকে সেই বিধিনিষেধ তুলে দেওয়া হয়। এরপর থেকে বিশ্বের সেরা ফুটবলারকেই ব্যালন ডি'অর দেওয়া হচ্ছে—তিনি কোন লিগ বা ক্লাবে খেলছেন, সেটি আর বিবেচ্য নয়।
বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আয়োজকেরা গত ১৮টি ব্যালন ডি'অরের উদাহরণ তুলে ধরেছেন। তাদের ভাষ্য, ২০০৭ সালে কাকা, ২০০৮ সালে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং ২০০৯ সালে লিওনেল মেসি—তিনজনই ওই বছর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিলেন। একইভাবে লুকা মদরিচ, করিম বেনজেমা, রদ্রি ও উসমান দেম্বেলের ব্যালন ডি'অর জয়ের সময়ও তারা সবাই ইউরোপের ক্লাবেই খেলছিলেন।
তবে এই ধারার ব্যতিক্রম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে লিওনেল মেসির নাম। আয়োজকদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউরোপের বাইরে খেলেও ব্যালন ডি'অর জেতা একমাত্র ফুটবলার মেসি। ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ৬৭তম ব্যালন ডি'অর অনুষ্ঠানের সময় তিনি ইতোমধ্যেই ইন্টার মায়ামির খেলোয়াড় ছিলেন। ফলে তিনিই প্রথম পুরুষ ফুটবলার হিসেবে কোনো অ-ইউরোপীয় ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করে ব্যালন ডি'অর জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেন।
বিবৃতির শেষাংশে আয়োজকেরা বলেন, ব্যালন ডি'অরের ক্ষেত্রে কিছুই অসম্ভব নয় এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে খেলা কোনো ফুটবলারই এই পুরস্কার জয়ের সুযোগ রাখতে পারেন।
এমন ব্যাখ্যা এসেছে এমন এক সময়ে, যখন বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন মেসি। সাত ম্যাচে আট গোল ও চারটি অ্যাসিস্ট করে তিনি আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলেছেন। ফলে ইন্টার মায়ামির এই তারকা নবমবারের মতো ব্যালন ডি'অর জয়ের আলোচনায়ও জোরালোভাবেই রয়েছেন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
