ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচ শেষের পর জয়ের উল্লাস ছাপিয়ে আলোচনায় আসে সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা। আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামের বাইরে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের কিছু সমর্থক হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে এবং কয়েকজনকে আটক করা হয়।
ম্যাচজুড়েই গ্যালারিতে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছিল। শেষ বাঁশি বাজার পর স্টেডিয়ামের বাইরে উভয় পক্ষের কিছু সমর্থকের মধ্যে বাকবিতণ্ডা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ার এলাকাতেও ম্যাচ শেষে কিছু সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচকে ঘিরে আগে থেকেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। দুই দেশের দীর্ঘদিনের ফুটবল-প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে ম্যাচটিকে উচ্চ ঝুঁকির হিসেবে বিবেচনা করে আটলান্টা পুলিশ অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল।
ফুটবল ইতিহাসে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের দ্বৈরথ বরাবরই উত্তেজনাপূর্ণ। সেই পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ এবারও মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি গ্যালারিতেও প্রতিফলিত হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
ম্যাচজুড়েই গ্যালারিতে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছিল। শেষ বাঁশি বাজার পর স্টেডিয়ামের বাইরে উভয় পক্ষের কিছু সমর্থকের মধ্যে বাকবিতণ্ডা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ার এলাকাতেও ম্যাচ শেষে কিছু সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচকে ঘিরে আগে থেকেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। দুই দেশের দীর্ঘদিনের ফুটবল-প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে ম্যাচটিকে উচ্চ ঝুঁকির হিসেবে বিবেচনা করে আটলান্টা পুলিশ অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল।
ফুটবল ইতিহাসে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের দ্বৈরথ বরাবরই উত্তেজনাপূর্ণ। সেই পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ এবারও মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি গ্যালারিতেও প্রতিফলিত হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
