বুড়িগঙ্গা নদীতে খেয়াঘাট পুনস্থাপনের দাবীতে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ
বুড়িগঙ্গা নদীর খেয়াঘাট পূর্বের স্থান থেকে সরিয়ে নেওয়া এবং পারাপারের টোল ২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ টাকা করার প্রতিবাদে কেরানীগঞ্জে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকরা। ব্যবসায়ী দোকান মালিকদের দাবি,খেয়াঘাটটি আগের স্থানে পুনঃস্থাপন করতে হবে এবং পূর্বের মতো ২ টাকা টোল বহাল রাখতে হবে।
আজ বুধবার দুপুরে কেরানীগঞ্জের গুদারা ঘাট এলাকায় কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক সমিতির উদ্যোগে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েক হাজার ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক অংশ নেন। প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, বিআইডব্লিউটিসির কিছু অসাধু কর্মকর্তা ব্যক্তিস্বার্থে লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে যোগসাজশ করে প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো সিমসন খেয়াঘাট বন্ধ করে সেখানে লঞ্চ ভিড়ানোর জন্য পল্টুন স্থাপন করেছেন। এর ফলে কেরানীগঞ্জের গার্মেন্টস পল্লীতে আসা পাইকারি ক্রেতাদের প্রায় এক কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে আসতে হচ্ছে।এতে ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং ক্রেতার সংখ্যাও কমে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।
ব্যবসায়ী মো. মারুফ বলেন, কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস পল্লীতে প্রায় ৪০০ বহুতল মার্কেট, ১০ হাজারের বেশি শোরুম এবং কয়েক হাজার গার্মেন্টস কারখানা রয়েছে। এখানে প্রায় ১০ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। এই শিল্পাঞ্চল দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ অভ্যন্তরীণ পোশাকের চাহিদা পূরণ করে এবং জাতীয় রাজস্ব আয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। প্রতিদিন হাজার হাজার ব্যবসায়ী ও ক্রেতা নৌপথে এ এলাকায় যাতায়াত করেন। তাই বৃহত্তর স্বার্থে খেয়াঘাটটি আগের স্থানে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তিনি।
কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন বলেন,খেয়াঘাট সরিয়ে দেওয়ায় ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক ব্যবসায়ী ইতোমধ্যে ব্যবসা গুটিয়ে ফেলেছেন, কেউ কেউ অন্যের প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে বাধ্য হয়েছেন। দ্রুত সিমসন খেয়াঘাট পুনঃস্থাপন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
সমিতির সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন বলেন, নৌপথে সহজে যাতায়াতের সুযোগ না থাকায় ক্রেতারা কেরানীগঞ্জে আসতে আগ্রহ হারাচ্ছেন। এতে পুরো গার্মেন্টস পল্লীর ব্যবসা স্থবির হয়ে পড়ছে। তিনি সরকারের কাছে দ্রুত খেয়াঘাটটি আগের স্থানে পুনঃস্থাপনের দাবি জানান। অন্যথায় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ বুধবার দুপুরে কেরানীগঞ্জের গুদারা ঘাট এলাকায় কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক সমিতির উদ্যোগে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েক হাজার ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক অংশ নেন। প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, বিআইডব্লিউটিসির কিছু অসাধু কর্মকর্তা ব্যক্তিস্বার্থে লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে যোগসাজশ করে প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো সিমসন খেয়াঘাট বন্ধ করে সেখানে লঞ্চ ভিড়ানোর জন্য পল্টুন স্থাপন করেছেন। এর ফলে কেরানীগঞ্জের গার্মেন্টস পল্লীতে আসা পাইকারি ক্রেতাদের প্রায় এক কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে আসতে হচ্ছে।এতে ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং ক্রেতার সংখ্যাও কমে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।
ব্যবসায়ী মো. মারুফ বলেন, কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস পল্লীতে প্রায় ৪০০ বহুতল মার্কেট, ১০ হাজারের বেশি শোরুম এবং কয়েক হাজার গার্মেন্টস কারখানা রয়েছে। এখানে প্রায় ১০ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। এই শিল্পাঞ্চল দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ অভ্যন্তরীণ পোশাকের চাহিদা পূরণ করে এবং জাতীয় রাজস্ব আয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। প্রতিদিন হাজার হাজার ব্যবসায়ী ও ক্রেতা নৌপথে এ এলাকায় যাতায়াত করেন। তাই বৃহত্তর স্বার্থে খেয়াঘাটটি আগের স্থানে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তিনি।
কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন বলেন,খেয়াঘাট সরিয়ে দেওয়ায় ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক ব্যবসায়ী ইতোমধ্যে ব্যবসা গুটিয়ে ফেলেছেন, কেউ কেউ অন্যের প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে বাধ্য হয়েছেন। দ্রুত সিমসন খেয়াঘাট পুনঃস্থাপন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
সমিতির সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন বলেন, নৌপথে সহজে যাতায়াতের সুযোগ না থাকায় ক্রেতারা কেরানীগঞ্জে আসতে আগ্রহ হারাচ্ছেন। এতে পুরো গার্মেন্টস পল্লীর ব্যবসা স্থবির হয়ে পড়ছে। তিনি সরকারের কাছে দ্রুত খেয়াঘাটটি আগের স্থানে পুনঃস্থাপনের দাবি জানান। অন্যথায় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
